পায়রায় ৩ নম্বর সতর্কতা সংকেত

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে দক্ষিণ উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর কিছুটা উত্তাল হয়ে উঠেছে। শনিবার (৪ জুলাই) সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও উপকূলীয় এলাকায় ঝোড়ো হাওয়ার শঙ্কায় পায়রা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও মোংলা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে মাছধরা ট্রলারগুলোকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী ও কক্সবাজারসহ দেশের অন্তত ৯টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ কারণে এসব অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। এছাড়া দুই দিন ধরে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার বিভিন্ন স্থানে থেমে থেমে গুঁড়ি গুঁড়ি থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। উপকূলীয় এলাকায় বাতাসের গতিও বেড়েছে এবং নদ-নদীর পানির উচ্চতা স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। এদিকে দীর্ঘ নিষেধাজ্ঞা শেষে সাগরে মাছ ধরতে যাওয়া জেলেরা বৈরী আবহাওয়ার কারণে দ্রুত ঘাটে ফিরতে শুর

পায়রায় ৩ নম্বর সতর্কতা সংকেত
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে দক্ষিণ উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর কিছুটা উত্তাল হয়ে উঠেছে। শনিবার (৪ জুলাই) সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও উপকূলীয় এলাকায় ঝোড়ো হাওয়ার শঙ্কায় পায়রা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও মোংলা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে মাছধরা ট্রলারগুলোকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী ও কক্সবাজারসহ দেশের অন্তত ৯টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ কারণে এসব অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। এছাড়া দুই দিন ধরে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার বিভিন্ন স্থানে থেমে থেমে গুঁড়ি গুঁড়ি থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। উপকূলীয় এলাকায় বাতাসের গতিও বেড়েছে এবং নদ-নদীর পানির উচ্চতা স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। এদিকে দীর্ঘ নিষেধাজ্ঞা শেষে সাগরে মাছ ধরতে যাওয়া জেলেরা বৈরী আবহাওয়ার কারণে দ্রুত ঘাটে ফিরতে শুরু করেছেন। মহিপুর ও আলীপুর মৎস্যঘাটে ফিরে ট্রলারগুলো শিববাড়িয়া পোতাশ্রয়ে নোঙর করছে। মহিপুর আড়ত মালিক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রাজু আহমেদ রাজা বলেন, ‘আবহাওয়া খারাপ থাকায় অধিকাংশ ট্রলার ইতোমধ্যে ঘাটে ফিরে এসেছে। তবে কিছু ছোট ট্রলার এখনো সাগরে রয়েছে, যারা হয়তো সিগন্যাল পায়নি। আমরা আশা করছি, তারাও নিরাপদে ফিরে আসবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow