পিলখানা ট্র্যাজেডি : সরকারের কাছে ৪ দাবি জমিয়তের
২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি রাজধানী ঢাকার পিলখানায় সংঘটিত নৃশংস হত্যাকাণ্ড জাতির ইতিহাসে এক কলঙ্কজনক ও বেদনাবিধুর অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে বলে মন্তব্য করেছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ। দলটি বলছে, তৎকালীন বাংলাদেশ রাইফেলস (বর্তমান বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ)-এর অসংখ্য দেশপ্রেমিক সেনা কর্মকর্তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়, যা দেশের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার ওপর গভীর আঘাত হানে। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতিতে জমিয়ত সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক ও মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী এসব কথা বলেন। নেতৃদ্বয় বলেন, এ মর্মান্তিক ঘটনায় নিহত সকল শহীদের আত্মত্যাগ জাতি কখনো ভুলতে পারে না। তারা নিহতদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারবর্গের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। তারা আরও বলেন, এ ঘটনার পেছনের প্রকৃত পরিকল্পনাকারী, মদদদাতা ও ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিত করে সম্পূর্ণ ও স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের নৈতিক ও সাংবিধানিক দায়িত্ব। বিচারের প্রক্রিয়া নিয়ে সমাজে যেসব প্রশ্ন ও বিতর্ক বিদ্যমান রয়েছে, সেগুলোর নিরসন এবং সর্বস্তরের মা
২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি রাজধানী ঢাকার পিলখানায় সংঘটিত নৃশংস হত্যাকাণ্ড জাতির ইতিহাসে এক কলঙ্কজনক ও বেদনাবিধুর অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে বলে মন্তব্য করেছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ।
দলটি বলছে, তৎকালীন বাংলাদেশ রাইফেলস (বর্তমান বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ)-এর অসংখ্য দেশপ্রেমিক সেনা কর্মকর্তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়, যা দেশের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার ওপর গভীর আঘাত হানে।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতিতে জমিয়ত সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক ও মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী এসব কথা বলেন।
নেতৃদ্বয় বলেন, এ মর্মান্তিক ঘটনায় নিহত সকল শহীদের আত্মত্যাগ জাতি কখনো ভুলতে পারে না। তারা নিহতদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারবর্গের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।
তারা আরও বলেন, এ ঘটনার পেছনের প্রকৃত পরিকল্পনাকারী, মদদদাতা ও ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিত করে সম্পূর্ণ ও স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের নৈতিক ও সাংবিধানিক দায়িত্ব। বিচারের প্রক্রিয়া নিয়ে সমাজে যেসব প্রশ্ন ও বিতর্ক বিদ্যমান রয়েছে, সেগুলোর নিরসন এবং সর্বস্তরের মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য একটি স্বচ্ছ বিচার নিশ্চিত করতে প্রয়োজন হলে পুনঃতদন্তের উদ্যোগ গ্রহণেরও আহ্বান জানান তারা।
বিবৃতিতে জমিয়তের পক্ষ থেকে সরকারের প্রতি চার দফা দাবি জানানো হয়।
দাবিগুলো হলো
১. পিলখানা ট্র্যাজেডির পূর্ণাঙ্গ, নিরপেক্ষ ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে।
২. প্রকৃত মাস্টারমাইন্ড ও সকল সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করতে হবে।
৩. নিহত সেনা কর্মকর্তাদের পরিবারগুলোর যথাযথ সম্মান, নিরাপত্তা ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে হবে।
৪. ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার গ্রহণ করতে হবে।
নেতৃদ্বয় জাতীয় স্বার্থে, ন্যায়বিচারের স্বার্থে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপত্তার স্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে এ ঘটনার সুষ্ঠু ও পূর্ণাঙ্গ বিচার দাবি করেন। একই সঙ্গে আল্লাহ তাআলার দরবারে প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশকে সকল প্রকার ষড়যন্ত্র ও অস্থিতিশীলতা থেকে হেফাজত করার প্রার্থনা জানান।
What's Your Reaction?