পুকুরে ডুবে প্রাণ গেল নারীর

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় পুকুরের পানিতে ডুবে শিরিনা বেগম (২৬) নামের এক মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২৭ মে) ভোরের কোনো একসময় উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের ছোট ছত্রগাছা গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। সকালে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত শিরিনা বেগম ওই ইউনিয়নের সাদিপাড়া গ্রামের আনিছার রহমানের মেয়ে। তিনি স্বামীপরিত্যক্তা ছিলেন বলে জানা গেছে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শিরিনা বেগম দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছিলেন এবং প্রায়শই এদিক-সেদিক ঘোরাঘুরি করতেন। সম্প্রতি তিনি ছোট ছত্রগাছা গ্রামে তার মৃত নানা আব্দুর রহমানের বাড়িতে বেড়াতে আসেন। বুধবার সকালে সবার অলক্ষ্যে বাড়ির পাশে সোলাইমান মণ্ডলের পুকুরের পানিতে পড়ে ডুবে যান তিনি। পরে তার ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ধাপেরহাট ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য ইউনুস আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পানিতে ডুবে মারা যাওয়া শিরিনা বেগম মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম হাবিবুর রহমান জানান, ছোট ছত্রগাছা গ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে এক নারীর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। তিনি একজন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন

পুকুরে ডুবে প্রাণ গেল নারীর

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় পুকুরের পানিতে ডুবে শিরিনা বেগম (২৬) নামের এক মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২৭ মে) ভোরের কোনো একসময় উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের ছোট ছত্রগাছা গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। সকালে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত শিরিনা বেগম ওই ইউনিয়নের সাদিপাড়া গ্রামের আনিছার রহমানের মেয়ে। তিনি স্বামীপরিত্যক্তা ছিলেন বলে জানা গেছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শিরিনা বেগম দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছিলেন এবং প্রায়শই এদিক-সেদিক ঘোরাঘুরি করতেন। সম্প্রতি তিনি ছোট ছত্রগাছা গ্রামে তার মৃত নানা আব্দুর রহমানের বাড়িতে বেড়াতে আসেন। বুধবার সকালে সবার অলক্ষ্যে বাড়ির পাশে সোলাইমান মণ্ডলের পুকুরের পানিতে পড়ে ডুবে যান তিনি। পরে তার ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

ধাপেরহাট ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য ইউনুস আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পানিতে ডুবে মারা যাওয়া শিরিনা বেগম মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন।

সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম হাবিবুর রহমান জানান, ছোট ছত্রগাছা গ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে এক নারীর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। তিনি একজন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন (প্রতিবন্ধী) নারী ছিলেন। কোনো অভিযোগ না থাকায় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow