পুত্রসন্তানের বাবা হলেন অভিনেতা ইফতি

ছোট পর্দায় একের পর এক হিট নাটক উপহার দিয়ে দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছেন অভিনেতা ইফতেখার তুহিন ইফতি। পর্দার এই জনপ্রিয় নায়কের বাস্তব জীবনে এবার যোগ হলো এক নতুন অধ্যায়। জীবনের সবচেয়ে বড় ‘হিট’ মুহূর্তটি এল ৩১ জানুয়ারি ভোরে। বাবা হলেন ইফতি; তার কোলজুড়ে এসেছে ফুটফুটে এক পুত্রসন্তান। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকাল ৬টা ২৮ মিনিটে রাজধানীর ধানমন্ডির গ্রেস হসপিটালে নবজাতকের কান্না শোনার পর থেকেই আবেগে ভাসছেন এই অভিনেতা। প্রথমবার বাবা হওয়ার অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে তিনি যেন ভাষাই খুঁজে পাচ্ছিলেন না। নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে গিয়ে টেনে আনলেন গ্রিক বীর আলেকজান্ডারের প্রসঙ্গ। আবেগজড়িত কণ্ঠে ইফতি বলেন, “এই অনুভূতি আসলে ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। মনে হচ্ছে, আলেকজান্ডারের দিকবিজয়ের আনন্দের চেয়েও বেশি আনন্দ এটি। সন্তানকে কোলে নিয়ে মনে হলো—আমি যেন আস্ত এক বিশ্ব জয় করে ফেলেছি।” সদ্যোজাত ছেলেকে নিয়ে এখনই স্বপ্নের জাল বুনতে শুরু করেছেন অভিনেতা। তবে সেই স্বপ্নটা গতানুগতিক ধারার চেয়ে একটু আলাদা। বাবারা সাধারণত ছেলেকে নায়ক বা ডাক্তার হিসেবে দেখতে চাইলেও, ইফতির ইচ্ছা তার ছেলে ক্যামেরার পেছনের কারিগর হবে। ছেলের ভ

পুত্রসন্তানের বাবা হলেন অভিনেতা ইফতি

ছোট পর্দায় একের পর এক হিট নাটক উপহার দিয়ে দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছেন অভিনেতা ইফতেখার তুহিন ইফতি। পর্দার এই জনপ্রিয় নায়কের বাস্তব জীবনে এবার যোগ হলো এক নতুন অধ্যায়। জীবনের সবচেয়ে বড় ‘হিট’ মুহূর্তটি এল ৩১ জানুয়ারি ভোরে। বাবা হলেন ইফতি; তার কোলজুড়ে এসেছে ফুটফুটে এক পুত্রসন্তান।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকাল ৬টা ২৮ মিনিটে রাজধানীর ধানমন্ডির গ্রেস হসপিটালে নবজাতকের কান্না শোনার পর থেকেই আবেগে ভাসছেন এই অভিনেতা। প্রথমবার বাবা হওয়ার অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে তিনি যেন ভাষাই খুঁজে পাচ্ছিলেন না। নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে গিয়ে টেনে আনলেন গ্রিক বীর আলেকজান্ডারের প্রসঙ্গ।

আবেগজড়িত কণ্ঠে ইফতি বলেন, “এই অনুভূতি আসলে ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। মনে হচ্ছে, আলেকজান্ডারের দিকবিজয়ের আনন্দের চেয়েও বেশি আনন্দ এটি। সন্তানকে কোলে নিয়ে মনে হলো—আমি যেন আস্ত এক বিশ্ব জয় করে ফেলেছি।”

সদ্যোজাত ছেলেকে নিয়ে এখনই স্বপ্নের জাল বুনতে শুরু করেছেন অভিনেতা। তবে সেই স্বপ্নটা গতানুগতিক ধারার চেয়ে একটু আলাদা। বাবারা সাধারণত ছেলেকে নায়ক বা ডাক্তার হিসেবে দেখতে চাইলেও, ইফতির ইচ্ছা তার ছেলে ক্যামেরার পেছনের কারিগর হবে। ছেলের ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি বলেন, “জানি না বড় হয়ে সে কী হবে, তবে আমার খুব ইচ্ছে—আমার ছেলে হবে একজন দক্ষ চিত্রপরিচালক।”

মা ও নবজাতক দুজনেই সুস্থ আছেন বলে জানা গেছে। নতুন অতিথির আগমনে ইফতির পরিবার এবং ভক্তদের মাঝে এখন খুশির আমেজ বিরাজ করছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow