পুনর্মিলনের অপেক্ষায় চিতলমারী এস এম মডেল স্কুল
অনেকের চুলে আজ পাকা রং। কেউ হয়েছেন শিক্ষক, কেউ চিকিৎসক, কেউ ব্যবসায়ী, কেউবা দেশের নানা প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা ব্যস্ত মানুষ। তবুও সময়ের গভীরে কোথাও রয়ে গেছে সেই স্কুল মাঠ, টিফিনের ঘণ্টা, ক্লাস ফাঁকি দিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে কাটানো দুপুর আর বৃষ্টিভেজা করিডোরের স্মৃতি।
বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার প্রাচীন বিদ্যাপীঠ সরকারি শামচুন্নেছা মেমোরিয়াল (এস. এম.) মডেল উচ্চ বিদ্যালয় এবার সেই হারিয়ে যাওয়া দিনগুলোকে আবারও এক সুতোয় গাঁথতে যাচ্ছে। ঈদের দ্বিতীয় দিন (২৯ মে) শুক্রবার সকালে অনুষ্ঠিত হবে বিদ্যালয়টির “৮৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন, স্মৃতিচারণ ও সম্মাননা প্রদান–২০২৬”।
চিতলমারী সরকারি এস. এম. মডেল উচ্চ বিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠান ঘিরে ইতোমধ্যে সাবেক শিক্ষার্থীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে আবেগ আর প্রত্যাশার এক অন্যরকম পরিবেশ। ২০১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত সংগঠনটি গত সাত বছর ধরে ছোট পরিসরে নানা কার্যক্রম চালিয়ে এলেও এবারই প্রথম আয়োজন করতে যাচ্ছে বহু প্রতীক্ষিত এই পুনর্মিলনী।
আয়োজকদের ভাষায়, শৈশব ও কৈশোরের হারিয়ে যাওয়া সম্পর্কগুলোকে আবারও কাছাকাছি নিয়ে আসার একটি প্রয়াস এই আয়োজন। পুরোনো
অনেকের চুলে আজ পাকা রং। কেউ হয়েছেন শিক্ষক, কেউ চিকিৎসক, কেউ ব্যবসায়ী, কেউবা দেশের নানা প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা ব্যস্ত মানুষ। তবুও সময়ের গভীরে কোথাও রয়ে গেছে সেই স্কুল মাঠ, টিফিনের ঘণ্টা, ক্লাস ফাঁকি দিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে কাটানো দুপুর আর বৃষ্টিভেজা করিডোরের স্মৃতি।
বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার প্রাচীন বিদ্যাপীঠ সরকারি শামচুন্নেছা মেমোরিয়াল (এস. এম.) মডেল উচ্চ বিদ্যালয় এবার সেই হারিয়ে যাওয়া দিনগুলোকে আবারও এক সুতোয় গাঁথতে যাচ্ছে। ঈদের দ্বিতীয় দিন (২৯ মে) শুক্রবার সকালে অনুষ্ঠিত হবে বিদ্যালয়টির “৮৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন, স্মৃতিচারণ ও সম্মাননা প্রদান–২০২৬”।
চিতলমারী সরকারি এস. এম. মডেল উচ্চ বিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠান ঘিরে ইতোমধ্যে সাবেক শিক্ষার্থীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে আবেগ আর প্রত্যাশার এক অন্যরকম পরিবেশ। ২০১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত সংগঠনটি গত সাত বছর ধরে ছোট পরিসরে নানা কার্যক্রম চালিয়ে এলেও এবারই প্রথম আয়োজন করতে যাচ্ছে বহু প্রতীক্ষিত এই পুনর্মিলনী।
আয়োজকদের ভাষায়, শৈশব ও কৈশোরের হারিয়ে যাওয়া সম্পর্কগুলোকে আবারও কাছাকাছি নিয়ে আসার একটি প্রয়াস এই আয়োজন। পুরোনো বন্ধুদের সঙ্গে দেখা, প্রিয় শিক্ষকদের স্মরণ আর স্মৃতিময় দিনগুলোকে নতুন করে ছুঁয়ে দেখার সুযোগ তৈরি করবে এই আয়োজন।
তারা জানান, প্রতি বছর এমন পুনর্মিলনের আয়োজন করার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। যেন প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বিদ্যালয়টির সাবেক শিক্ষার্থীদের মধ্যে বন্ধুত্ব, ভালোবাসা ও স্মৃতির সেতুবন্ধন অটুট থাকে।
তবে সব প্রাক্তন শিক্ষার্থীর সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি বলেও জানিয়েছেন আয়োজকরা। কারিগরি সীমাবদ্ধতার কারণে ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও অনেকের কাছে পৌঁছানো যায়নি। এ জন্য তারা আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেছেন। ভবিষ্যতে এসব সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে আরও বৃহৎ পরিসরে সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আশ্বাসও দিয়েছেন তারা।
অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান (এড-হক কমিটি) মাশরুল সরদার বলেন, “এই স্কুল শুধু একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়, এটি আমাদের শেকড়। আমরা চাই, এই পুনর্মিলনের মাধ্যমে সবাই আবার নিজেদের সেই পুরোনো ঠিকানায় ফিরে আসুক।”
আয়োজকদের পক্ষ থেকে অনুষ্ঠানটির সফলতা কামনায় সকল প্রাক্তন শিক্ষার্থীর কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে।