পুরোনো ফ্রিজে বাড়ছে বিদ্যুৎ অপচয়, খরচ বাঁচানোর উপায় কী?
ঘরের অন্যতম প্রয়োজনীয় বৈদ্যুতিক যন্ত্র ফ্রিজ। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এর কার্যক্ষমতা কমতে শুরু করে, যা সরাসরি প্রভাব ফেলে বিদ্যুৎ খরচের ওপর। বিশেষজ্ঞদের মতে, পুরোনো ফ্রিজ নতুন মডেলের তুলনায় অনেক বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহার করে। ফলে মাস শেষে বিদ্যুৎ বিলও বেড়ে যেতে পারে। তবে কিছু সহজ পদক্ষেপ অনুসরণ করলে পুরোনো ফ্রিজ থেকেও তুলনামূলক কম বিদ্যুৎ খরচে ভালো সেবা পাওয়া সম্ভব। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফ্রিজের বয়স ১০ বছরের বেশি হলে এর কম্প্রেসার, কনডেনসার ও কুলিং সিস্টেম আগের মতো দক্ষতার সঙ্গে কাজ করতে পারে না। এর ফলে কাঙ্ক্ষিত তাপমাত্রা বজায় রাখতে যন্ত্রটিকে বেশি সময় চালু থাকতে হয়, যা বিদ্যুৎ খরচ বাড়িয়ে দেয়। অনেক ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীরা বিষয়টি বুঝতে না পারলেও ধীরে ধীরে বিলের পরিমাণ বৃদ্ধি পেতে থাকে। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য প্রথমেই ফ্রিজের দরজার রাবার বা গ্যাসকেট পরীক্ষা করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। রাবার ঢিলা বা ক্ষতিগ্রস্ত হলে বাইরের গরম বাতাস ভেতরে প্রবেশ করে, ফলে ফ্রিজকে অতিরিক্ত কাজ করতে হয়। একই সঙ্গে ফ্রিজের পেছনের কনডেনসার কয়েলে ধুলাবালি জমে থাকলে তা নিয়মিত পরিষ্কার করা প্রয়োজন। ফ্রিজের ভেতরে প্রয়োজন
ঘরের অন্যতম প্রয়োজনীয় বৈদ্যুতিক যন্ত্র ফ্রিজ। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এর কার্যক্ষমতা কমতে শুরু করে, যা সরাসরি প্রভাব ফেলে বিদ্যুৎ খরচের ওপর। বিশেষজ্ঞদের মতে, পুরোনো ফ্রিজ নতুন মডেলের তুলনায় অনেক বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহার করে। ফলে মাস শেষে বিদ্যুৎ বিলও বেড়ে যেতে পারে। তবে কিছু সহজ পদক্ষেপ অনুসরণ করলে পুরোনো ফ্রিজ থেকেও তুলনামূলক কম বিদ্যুৎ খরচে ভালো সেবা পাওয়া সম্ভব।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফ্রিজের বয়স ১০ বছরের বেশি হলে এর কম্প্রেসার, কনডেনসার ও কুলিং সিস্টেম আগের মতো দক্ষতার সঙ্গে কাজ করতে পারে না। এর ফলে কাঙ্ক্ষিত তাপমাত্রা বজায় রাখতে যন্ত্রটিকে বেশি সময় চালু থাকতে হয়, যা বিদ্যুৎ খরচ বাড়িয়ে দেয়। অনেক ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীরা বিষয়টি বুঝতে না পারলেও ধীরে ধীরে বিলের পরিমাণ বৃদ্ধি পেতে থাকে।
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য প্রথমেই ফ্রিজের দরজার রাবার বা গ্যাসকেট পরীক্ষা করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। রাবার ঢিলা বা ক্ষতিগ্রস্ত হলে বাইরের গরম বাতাস ভেতরে প্রবেশ করে, ফলে ফ্রিজকে অতিরিক্ত কাজ করতে হয়। একই সঙ্গে ফ্রিজের পেছনের কনডেনসার কয়েলে ধুলাবালি জমে থাকলে তা নিয়মিত পরিষ্কার করা প্রয়োজন।
ফ্রিজের ভেতরে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি জিনিস না রাখার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত ভর্তি থাকলে ঠান্ডা বাতাস চলাচলে বাধা সৃষ্টি হয়। আবার সম্পূর্ণ খালি ফ্রিজও বেশি শক্তি খরচ করতে পারে। তাই খাবার ও অন্যান্য সামগ্রী এমনভাবে রাখতে হবে যাতে ভেতরে বাতাস স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারে।
গরম খাবার সরাসরি ফ্রিজে রাখা এবং বারবার দরজা খোলা-বন্ধ করার অভ্যাস থেকেও বিরত থাকতে হবে। এসব কারণে ভেতরের তাপমাত্রা বেড়ে যায় এবং কম্প্রেসারকে বেশি সময় কাজ করতে হয়। এছাড়া মৌসুম ও প্রয়োজন অনুযায়ী তাপমাত্রা নির্ধারণ করাও গুরুত্বপূর্ণ। অযথা সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় ফ্রিজ চালালে বিদ্যুৎ খরচ বাড়ে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ফ্রিজকে চুলা, ওভেন বা সরাসরি সূর্যের আলো পড়ে এমন স্থানে রাখা উচিত নয়। তাপের উৎসের কাছে থাকলে ফ্রিজের কুলিং সিস্টেমের ওপর বাড়তি চাপ পড়ে। পাশাপাশি ফ্রিজের চারপাশে পর্যাপ্ত খোলা জায়গা রাখা দরকার, যাতে তাপ সহজে বের হয়ে যেতে পারে।
তবে পুরোনো ফ্রিজের ক্ষেত্রে একটি পর্যায়ে গিয়ে রক্ষণাবেক্ষণের চেয়ে নতুন প্রযুক্তির ফ্রিজে বিনিয়োগ বেশি লাভজনক হতে পারে। বর্তমানে বাজারে থাকা ইনভার্টার প্রযুক্তির ফ্রিজ তুলনামূলক কম বিদ্যুৎ খরচ করে এবং দীর্ঘমেয়াদে বিদ্যুৎ বিল কমাতে সহায়তা করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি কোনো ফ্রিজ অত্যধিক বিদ্যুৎ খরচ করে বা ঘন ঘন বিকল হয়, তাহলে সেটি পরিবর্তনের বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।
তাদের ভাষ্য, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও সচেতন ব্যবহারের মাধ্যমে পুরোনো ফ্রিজের বিদ্যুৎ অপচয় অনেকটাই কমানো সম্ভব। এতে একদিকে যেমন মাসিক বিদ্যুৎ বিল নিয়ন্ত্রণে থাকবে, অন্যদিকে যন্ত্রটির কার্যক্ষমতাও দীর্ঘদিন বজায় রাখা যাবে।
What's Your Reaction?