পূর্ব শত্রুতার জেরে সংঘর্ষ, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী নিহত
গাজীপুর মহানগরের টঙ্গীতে পূর্ব শত্রুতার জেরে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে গ্রিন ইউনিভার্সিটির এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (০৯ জুলাই) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর আগে মঙ্গলবার রাতে সংঘর্ষের ঘটনায় হাসিবসহ আহত হন আকাশ (২৫) ও ইমরান হাসান অনিক (২৪) নামে আরও দুজন। নিহত মঞ্জুরুল ইসলাম হাসিব (২৫) গ্রিন ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্র ছিলেন। স্বপ্ন ছিল পড়াশোনা শেষ করে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে টঙ্গী পূর্ব থানার পাগাড় এলাকায় অ্যাডভোকেট আলী আকবরের বাসার সামনে পূর্ব শত্রুতাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষ লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে গুরুতর আহত হন হাসিব, আকাশ ও ইমরান। স্থানীয়রা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে হাসিবের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে স্থানান্তর করা হয়। পরে পরিবারের সিদ্ধান্তে ধানমন্ডির গ্রিন লাইফ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে নিবিড়
গাজীপুর মহানগরের টঙ্গীতে পূর্ব শত্রুতার জেরে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে গ্রিন ইউনিভার্সিটির এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (০৯ জুলাই) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর আগে মঙ্গলবার রাতে সংঘর্ষের ঘটনায় হাসিবসহ আহত হন আকাশ (২৫) ও ইমরান হাসান অনিক (২৪) নামে আরও দুজন।
নিহত মঞ্জুরুল ইসলাম হাসিব (২৫) গ্রিন ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্র ছিলেন। স্বপ্ন ছিল পড়াশোনা শেষ করে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে টঙ্গী পূর্ব থানার পাগাড় এলাকায় অ্যাডভোকেট আলী আকবরের বাসার সামনে পূর্ব শত্রুতাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষ লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে গুরুতর আহত হন হাসিব, আকাশ ও ইমরান।
স্থানীয়রা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে হাসিবের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে স্থানান্তর করা হয়। পরে পরিবারের সিদ্ধান্তে ধানমন্ডির গ্রিন লাইফ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে নিবিড় পরিচর্যায় চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় বৃহস্পতিবার রাত দেড়টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পরপরই টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার মূল অভিযুক্ত জোবায়ের হোসেন (৪৫)-কে গ্রেপ্তার করে। তিনি বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। নিহতের মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে এবং মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ধারণে ময়নাতদন্তসহ প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম চলছে।
টঙ্গী পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, ‘এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। মূল আসামিকে আমরা গ্রেপ্তার করেছি এবং সে আমাদের হেফাজতে রয়েছে। তদন্তে অন্য কেউ জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে। ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’
What's Your Reaction?