পেসের সঙ্গে সুইং যোগ হলেই ‘ভয়ংকর’ হয়ে উঠবেন নাহিদ রানা: তালহা জুবায়ের
গতির ঝড়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের শুরু থেকেই আলোচনায় নাহিদ রানা। টেস্ট ক্রিকেটে লাল বলের ধারবাহিকতা দেখালেও সাদা বলের ক্রিকেটে রানার পারফরম্যান্স যেন অনেকটা রোলার কোস্টারের মতো। পাকিস্তানের বিপক্ষে চলমান ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে বিধ্বংসী বোলিংয়ের পর দ্বিতীয় ম্যাচেই যেন কিছুটা পথ হারালেন এই তরুণ তুর্কি। গতির সঙ্গে সুইংটা যুক্ত হলেই নাহিদ রানা আরও ধারাবাহিক হয়ে উঠবেন বলে মনে করেন জাতীয় দলের সাবেক পেসার ও কোচ তালহা জুবায়ের। তালহার মতে, রানা বর্তমানে কেবল গতির ওপর নির্ভর করে বল করছেন। কিন্তু বিশ্ব ক্রিকেটে টিকে থাকতে হলে কেবল গতিই যথেষ্ট নয়। শনিবার মিরপুরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তালহা জুবায়ের বলেন, ‘নাহিদ রানা তার পেসের ওপর নির্ভর করে বেশি, সুইংয়ের ওপর না। তাই এই পেসের সাথে সুইংটা নিয়ে একটু কাজ করতে পারে, আমার মনে হয় আরও ডেঞ্জারাস বোলার হবে মোকাবেলা করার জন্য।’ অভিজ্ঞতা এবং মাঠে তার সঠিক প্রয়োগ নিয়েও কথা বলেছেন তালহা। মাঠের পারফরম্যান্সের মাধ্যমেই ব্যাটারদের সমীহ আদায় করে নেওয়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ‘অভিজ্ঞতা সবসময় আপনার কাজে লাগে না, যদি আপনি মাঠে ভালো নৈপুণ্য দেখাতে না পারেন। তাই
গতির ঝড়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের শুরু থেকেই আলোচনায় নাহিদ রানা। টেস্ট ক্রিকেটে লাল বলের ধারবাহিকতা দেখালেও সাদা বলের ক্রিকেটে রানার পারফরম্যান্স যেন অনেকটা রোলার কোস্টারের মতো। পাকিস্তানের বিপক্ষে চলমান ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে বিধ্বংসী বোলিংয়ের পর দ্বিতীয় ম্যাচেই যেন কিছুটা পথ হারালেন এই তরুণ তুর্কি। গতির সঙ্গে সুইংটা যুক্ত হলেই নাহিদ রানা আরও ধারাবাহিক হয়ে উঠবেন বলে মনে করেন জাতীয় দলের সাবেক পেসার ও কোচ তালহা জুবায়ের।
তালহার মতে, রানা বর্তমানে কেবল গতির ওপর নির্ভর করে বল করছেন। কিন্তু বিশ্ব ক্রিকেটে টিকে থাকতে হলে কেবল গতিই যথেষ্ট নয়। শনিবার মিরপুরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তালহা জুবায়ের বলেন, ‘নাহিদ রানা তার পেসের ওপর নির্ভর করে বেশি, সুইংয়ের ওপর না। তাই এই পেসের সাথে সুইংটা নিয়ে একটু কাজ করতে পারে, আমার মনে হয় আরও ডেঞ্জারাস বোলার হবে মোকাবেলা করার জন্য।’
অভিজ্ঞতা এবং মাঠে তার সঠিক প্রয়োগ নিয়েও কথা বলেছেন তালহা। মাঠের পারফরম্যান্সের মাধ্যমেই ব্যাটারদের সমীহ আদায় করে নেওয়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ‘অভিজ্ঞতা সবসময় আপনার কাজে লাগে না, যদি আপনি মাঠে ভালো নৈপুণ্য দেখাতে না পারেন। তাই আপনার যে অভিজ্ঞতাটা আছে এটা যদি আপনি নিয়মিত মাঠে দেখাতে পারেন, তাহলে আপনি ব্যাটারদের কাছ থেকে একটা সম্মান অর্জন করতে পারবেন। তাই আমাদের বোলিং বিভাগকেও এটাই করতে হবে।’
বাংলাদেশের পেস ইউনিটের অভিজ্ঞ দুই সেনানী তাসকিন আহমেদ ও মুস্তাফিজুর রহমানের ওপর পূর্ণ আস্থা দেখিয়েছেন তালহা। পাকিস্তানের পেস বিভাগের চেয়েও অভিজ্ঞতায় বাংলাদেশ এগিয়ে আছে বলে মনে করেন তিনি। তালহার ভাষায়, ‘তাসকিন আর মোস্তাফিজের অভিজ্ঞতার কথা যদি চিন্তা করেন, তাহলে আমরা অবশ্যই এগিয়ে। কারণ তারা বেশি ম্যাচ খেলেছে, তাদের উইকেটও বেশি। পাকিস্তানের শাহিন শাহ আফ্রিদি বাদে আমার মনে হয় না... আর হারিস রউফ খেলেছে, কিন্তু হারিস রউফের এত উইকেট মনে হয় নেই মুস্তাফিজ আর তাসকিনের মতো।’
আইএন
What's Your Reaction?