পোশাকশ্রমিকদের কর্মদক্ষতা বাড়াতে একসঙ্গে কাজ করবে বিজিএমইএ-ওয়েজলি

বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) এবং ওয়েজলি বাংলাদেশ লিমিটেডের মধ্যে একটি কৌশলগত অংশীদারত্ব চুক্তি সই হয়েছে। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পে শ্রমিকদের আর্থিক সচেতনতা, সফট স্কিল, কর্মক্ষেত্রের সক্ষমতা এবং সামগ্রিক কল্যাণ উন্নয়নের লক্ষ্যে এ চুক্তি সই হয়। এ চুক্তির আওতায় উভয় প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে ‘ট্রেনিং দ্য ট্রেইনারস’  কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে। এর মাধ্যমে ধাপে ধাপে প্রায় ৫০ হাজার পোশাকশ্রমিককে আর্থিক সচেতনতা, সফট স্কিল, কর্মক্ষেত্রে যোগাযোগ দক্ষতা, নেতৃত্ব, কর্মশৃঙ্খলা এবং কর্মদক্ষতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। চুক্তি সই অনুষ্ঠানে বিজিএমইএর পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহ-সভাপতি মো. শিহাব উদ্দোজা চৌধুরী। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান জাবেদ হোসেন ভূঁইয়া, কো-চেয়ারম্যান জান্নাতুল বাকার খান, ভারপ্রাপ্ত সচিব মেজর (অব.) মো. সাইফুল ইসলাম, পিএসসি, সিএসসিএম, ডেপুটি সেক্রেটারি ও সেকশন ইন-চার্জ (এসডিপি) সায়লা আক্তার নোভা এবং বিজিএমইএর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। আরও পড়ুন এআইয়ের সুফল লুফে না নিলে উন্নয়নশীল দেশগ

পোশাকশ্রমিকদের কর্মদক্ষতা বাড়াতে একসঙ্গে কাজ করবে বিজিএমইএ-ওয়েজলি

বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) এবং ওয়েজলি বাংলাদেশ লিমিটেডের মধ্যে একটি কৌশলগত অংশীদারত্ব চুক্তি সই হয়েছে। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পে শ্রমিকদের আর্থিক সচেতনতা, সফট স্কিল, কর্মক্ষেত্রের সক্ষমতা এবং সামগ্রিক কল্যাণ উন্নয়নের লক্ষ্যে এ চুক্তি সই হয়।

এ চুক্তির আওতায় উভয় প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে ‘ট্রেনিং দ্য ট্রেইনারস’  কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে। এর মাধ্যমে ধাপে ধাপে প্রায় ৫০ হাজার পোশাকশ্রমিককে আর্থিক সচেতনতা, সফট স্কিল, কর্মক্ষেত্রে যোগাযোগ দক্ষতা, নেতৃত্ব, কর্মশৃঙ্খলা এবং কর্মদক্ষতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

চুক্তি সই অনুষ্ঠানে বিজিএমইএর পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহ-সভাপতি মো. শিহাব উদ্দোজা চৌধুরী। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান জাবেদ হোসেন ভূঁইয়া, কো-চেয়ারম্যান জান্নাতুল বাকার খান, ভারপ্রাপ্ত সচিব মেজর (অব.) মো. সাইফুল ইসলাম, পিএসসি, সিএসসিএম, ডেপুটি সেক্রেটারি ও সেকশন ইন-চার্জ (এসডিপি) সায়লা আক্তার নোভা এবং বিজিএমইএর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন, শিল্পের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারে এ চুক্তির গুরুত্ব তুলে ধরেন।

বিজিএমইএর সহ-সভাপতি মো. শিহাব উদ্দোজা চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের টেকসই উন্নয়নের জন্য শ্রমিকদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও কল্যাণ নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি এই উদ্যোগের পাইলট পর্যায়ে ক্ষুদ্র ও মাঝারি পোশাক কারখানাগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন, যেন বৃহত্তর শিল্পখাত এই উদ্যোগের সুফল ভোগ করতে পারে। পাশাপাশি তিনি শ্রমিকদের আর্থিক সচেতনতা, সফট স্কিল, উৎপাদনশীলতা, কর্মপরিবেশ এবং সামগ্রিক কল্যাণ উন্নয়নে ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত কর্মসূচি নেওয়ার আহ্বান জানান।

কর্মসূচির প্রথম পর্যায়ে বিজিএমইএ ৫০টি সদস্য কারখানা নির্বাচন করবে। পরবর্তীতে ওয়েজলি নির্বাচিত কারখানাগুলোর এইচআর কর্মকর্তা, প্রশিক্ষক, লাইন সুপারভাইজার এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিদের ট্রেনিং দ্য ট্রেইনারস পদ্ধতিতে প্রশিক্ষণ দেবে। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মাস্টার ট্রেইনাররা নিজ নিজ কারখানায় শ্রমিকদের প্রশিক্ষণ পরিচালনা করবেন। পুরো কার্যক্রম বিজিএমইএ ও ওয়েজলির যৌথ তত্ত্বাবধান ও মনিটরিংয়ের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হবে।  

ওয়েজলি বাংলাদেশের গ্রুপ ম্যানেজিং ডিরেক্টর সৈয়দ নূর এলাহী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, বিজিএমইএর সঙ্গে এই যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পে একটি টেকসই ও কার্যকর দক্ষতা উন্নয়ন মডেল গড়ে তোলা সম্ভব হবে। তিনি শ্রমিকদের আর্থিক সক্ষমতা, কর্মক্ষেত্রের দক্ষতা এবং সামগ্রিক কল্যাণ নিশ্চিত করতে বিজিএমইএর সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদে কাজ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

এই অংশীদারত্বের মাধ্যমে বিজিএমইএ এবং ওয়েজলি বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পে একটি দক্ষ, আর্থিকভাবে সচেতন, উৎপাদনশীল এবং ভবিষ্যৎ-উপযোগী মানবসম্পদ গড়ে তোলার লক্ষ্যে একসঙ্গে কাজ করবে। একই সঙ্গে এই উদ্যোগ শিল্পখাতে একটি টেকসই ও সম্প্রসারণযোগ্য সক্ষমতা উন্নয়ন মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আইএইচও/কেএসআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow