পৌর যুবদলের আহ্বায়ক আজীবন বহিষ্কার
দলীয় নীতি, আদর্শ এবং সংগঠনবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট পৌর যুবদলের আহ্বায়ক ইব্রাহিম খলিলকে দল থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়ার স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ইব্রাহিম খলিল দলীয় শৃঙ্খলা ও আনুগত্যের শপথ ভঙ্গ করে নিজেকে বিশ্বাসঘাতক হিসেবে উপস্থাপন করেছেন- এমন সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তার বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর আওতায় তাকে যুবদলের প্রাথমিক সদস্যসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে দলীয় কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ঘোড়াঘাট পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাহিদ পারভেজকে ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করে তা অবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশ দেন। বহিষ্কৃত নেতা ইব্রাহিম খলিল বলেন, আমি ষড়যন্ত্র
দলীয় নীতি, আদর্শ এবং সংগঠনবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট পৌর যুবদলের আহ্বায়ক ইব্রাহিম খলিলকে দল থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়ার স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ইব্রাহিম খলিল দলীয় শৃঙ্খলা ও আনুগত্যের শপথ ভঙ্গ করে নিজেকে বিশ্বাসঘাতক হিসেবে উপস্থাপন করেছেন- এমন সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তার বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর আওতায় তাকে যুবদলের প্রাথমিক সদস্যসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।
একই সঙ্গে দলীয় কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ঘোড়াঘাট পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাহিদ পারভেজকে ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।
যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করে তা অবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশ দেন।
বহিষ্কৃত নেতা ইব্রাহিম খলিল বলেন, আমি ষড়যন্ত্রের শিকার। কেন আমাকে বহিষ্কার করা হয়েছে, তা আমার জানা নেই। কেউ কেউ বলছে, আমার বড় ভাইকে জামায়াত থেকে মেয়র প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করায় আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আত্মসমালোচনা করার অধিকার সবার আছে। আমি ৩২ বছর ধরে বিএনপির রাজনীতি করি। ভালো-মন্দ বলার অধিকার আমার রয়েছে। কিন্তু কখনোই বিএনপির অমঙ্গল কামনা করিনি।
What's Your Reaction?