প্রকৃত জেলেদের তালিকা করবে সরকার: সংসদে মন্ত্রী

প্রকৃত জেলেদের সঠিক তালিকা প্রস্তুতের পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। রোববার (২১ জুন) জাতীয় সংসদে পাবনা-৫ আসনের সরকারি দলের সংসদ সদস্য মো. শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের টেবিলে উপস্থাপিত লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, প্রকৃত জেলেদের সঠিক তালিকা প্রস্তুত এবং বিলুপ্ত ও পরিত্যক্ত জলাশয় সংস্কার করে মাছ চাষের আওতায় আনার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। আমিন উর রশিদ বলেন, মৎস্য অধিদপ্তর নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে জেলেদের তালিকা প্রণয়ন এবং মৎস্যজীবী কার্ড দিয়ে থাকে। ‘জেলে নিবন্ধন ও পরিচয়পত্র প্রদান নির্দেশিকা-২০১৯’ অনুযায়ী সারাদেশে জেলেদের তালিকা যাচাই-বাছাই ও হালনাগাদ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তিনি আরও জানান, নির্দেশিকা অনুযায়ী প্রকৃত জেলেদের নিবন্ধন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে এবং বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ১৮ লাখ তিন হাজার ৫৬৫ জন। মন্ত্রী বলেন, দেশের সব জলাশয়ে জৈবিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে মাছ চাষ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে একটি প্রকল্প প্রণয়নের কাজ চলছে। প্রকল্পটি অনুমোদিত হলে বিলুপ্ত ও পরিত্যক্ত জলাশয় সংস্কার করা সম্ভব হবে। এর ফলে জলাশয়ের পা

প্রকৃত জেলেদের তালিকা করবে সরকার: সংসদে মন্ত্রী

প্রকৃত জেলেদের সঠিক তালিকা প্রস্তুতের পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

রোববার (২১ জুন) জাতীয় সংসদে পাবনা-৫ আসনের সরকারি দলের সংসদ সদস্য মো. শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের টেবিলে উপস্থাপিত লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, প্রকৃত জেলেদের সঠিক তালিকা প্রস্তুত এবং বিলুপ্ত ও পরিত্যক্ত জলাশয় সংস্কার করে মাছ চাষের আওতায় আনার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে।

আমিন উর রশিদ বলেন, মৎস্য অধিদপ্তর নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে জেলেদের তালিকা প্রণয়ন এবং মৎস্যজীবী কার্ড দিয়ে থাকে। ‘জেলে নিবন্ধন ও পরিচয়পত্র প্রদান নির্দেশিকা-২০১৯’ অনুযায়ী সারাদেশে জেলেদের তালিকা যাচাই-বাছাই ও হালনাগাদ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

তিনি আরও জানান, নির্দেশিকা অনুযায়ী প্রকৃত জেলেদের নিবন্ধন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে এবং বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ১৮ লাখ তিন হাজার ৫৬৫ জন।

মন্ত্রী বলেন, দেশের সব জলাশয়ে জৈবিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে মাছ চাষ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে একটি প্রকল্প প্রণয়নের কাজ চলছে। প্রকল্পটি অনুমোদিত হলে বিলুপ্ত ও পরিত্যক্ত জলাশয় সংস্কার করা সম্ভব হবে। এর ফলে জলাশয়ের পানিধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং মাছের উৎপাদনশীলতাও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।

এমওএস/একিউএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow