প্রচার বন্ধ: অর্থ বিতরণে হবে ছয় মাসের জেল

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটের প্রচার শেষ হয়েছে আজ মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টায়। ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। ভোটের পর শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত জনসভা, পথসভা, মিছিলের মতো প্রচারও নিষিদ্ধ। এই অবস্থায় প্রার্থী বা দলের পক্ষে যেকেনো ব্যক্তি গোপন প্রচার বা টাকা বিতরণের মতো কাজ করলে হতে পারে ছয় মাসের জেল ও এক লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ইসি কর্মকর্তারা বিষয়গুলো জানিয়েছেন। নির্বাচনি আচরণ বিধির ৪(১) উপবিধিতে বলা হয়েছে, ‘কোনো রাজনৈতিক দল বা প্রার্থী কিংবা তাহার পক্ষ হইতে অন্য কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান নির্বাচন-পূর্ব সময়ে উক্ত প্রার্থীর নির্বাচনি এলাকায় বসবাসকারী কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা উক্ত এলাকা বা অন্যত্র অবস্থিত কোনো প্রতিষ্ঠানে প্রকাশ্যে বা গোপনে কোনো প্রকার চাঁদা বা অনুদান বা উপঢৌকন প্রদান করিতে বা প্রদানের অঙ্গীকার বা প্রতিশ্রুতি প্রদান করিতে পারিবেন না।’ অন্যদিকে, আরপিও এর বিধি ২৭-এ বলা হয়েছে, ‘(ক) কোনো প্রার্থী বা তাহার পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি নির্বাচন পূর্ব সময়ে এই বিধিমালার কোনো বিধান

প্রচার বন্ধ: অর্থ বিতরণে হবে ছয় মাসের জেল

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটের প্রচার শেষ হয়েছে আজ মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টায়। ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। ভোটের পর শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত জনসভা, পথসভা, মিছিলের মতো প্রচারও নিষিদ্ধ।

এই অবস্থায় প্রার্থী বা দলের পক্ষে যেকেনো ব্যক্তি গোপন প্রচার বা টাকা বিতরণের মতো কাজ করলে হতে পারে ছয় মাসের জেল ও এক লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ইসি কর্মকর্তারা বিষয়গুলো জানিয়েছেন।

নির্বাচনি আচরণ বিধির ৪(১) উপবিধিতে বলা হয়েছে, ‘কোনো রাজনৈতিক দল বা প্রার্থী কিংবা তাহার পক্ষ হইতে অন্য কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান নির্বাচন-পূর্ব সময়ে উক্ত প্রার্থীর নির্বাচনি এলাকায় বসবাসকারী কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা উক্ত এলাকা বা অন্যত্র অবস্থিত কোনো প্রতিষ্ঠানে প্রকাশ্যে বা গোপনে কোনো প্রকার চাঁদা বা অনুদান বা উপঢৌকন প্রদান করিতে বা প্রদানের অঙ্গীকার বা প্রতিশ্রুতি প্রদান করিতে পারিবেন না।’

অন্যদিকে, আরপিও এর বিধি ২৭-এ বলা হয়েছে, ‘(ক) কোনো প্রার্থী বা তাহার পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি নির্বাচন পূর্ব সময়ে এই বিধিমালার কোনো বিধান লঙ্ঘন করিলে উহা হইবে একটি অপরাধ এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক (৬) ছয় মাসের কারাদন্ডে অথবা অনধিক ১ (এক) লাখ ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে অথবা উভয় দণ্ডে দন্ডনীয় হইবেন;’

বিধি ২৭ এর উপবিধি (খ) অনুযায়ী, ‘কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল নির্বাচন-পূর্ব সময়ে এই বিধিমালার কোনো বিধান লঙ্ঘন করিলে উহা হইবে একটি অপরাধ এবং তজ্জন্য উক্ত রাজনৈতিক দল অনধিক ১ (এক) লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।’

এদিকে, কিছু কিছু কারণে প্রার্থিতাও বাতিল করতে পারে কমিশন। আচরণ বিধির ২৮ (১) উপবিধিতে বলা হয়েছে, ‘এই বিধিমালার অন্যান্য বিধানে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যদি কোনো উৎস হইতে প্রাপ্ত রেকর্ড কিংবা লিখিত রিপোর্ট হইতে কমিশনের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, প্রতিদ্বন্দ্বী কোনো প্রার্থী বা তাহার নির্বাচনি এজেন্ট এই বিধিমালার কোনো বিধান লঙ্ঘন করিয়াছেন বা লঙ্ঘনের চেষ্টা করিয়াছেন এবং অনুরূপ লঙ্ঘন বা লঙ্ঘনের চেষ্টার জন্য তিনি নির্বাচিত হইবার অযোগ্য হইতে পারেন, তাহা হইলে কমিশন বিষয়টি সম্পর্কে তাৎক্ষণিক তদন্তের নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে।’

এতে আরও বলা হয়েছে, (১) এর অধীন তদন্ত রিপোর্ট প্রাপ্তির পর কমিশন যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, ‘কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বা তাহার নির্বাচনি এজেন্ট বা তাহার নির্দেশে বা তাহার পক্ষে তাহার প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্মতিতে অন্য কোনো ব্যক্তি, সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান এই বিধিমালার কোনো বিধান লঙ্ঘন করিয়াছেন বা লঙ্ঘনের চেষ্টা করিয়াছেন যাহার জন্য তিনি নির্বাচিত হইবার অযোগ্য হইতে পারেন, তাহা হইলে কমিশন, তাৎক্ষণিকভাবে লিখিত আদেশ দ্বারা, গণঅধ্যাদেশ, ১৯৭২ এর আর্টিকেল ৯১-ই এর বিধান মোতাবেক উক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করিতে পারিবে।’

ভোটের আচরণ বিধি প্রতিপালন নিশ্চিতে মাঠে নিয়োজিত আছেন নির্বাহী হাকিম, বিচারিক হাকিম ও নির্বাচনি তদন্ত কমিটির বিচারকরা। তারা তাৎক্ষণিক শাস্তি দিতে পারেন।

এসএম/এসএনআর

 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow