‘প্রতিটি বিভাগে ভেটেরিনারি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে’

দেশের প্রতিটি বিভাগে একটি করে ভেটেরিনারি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। একই সঙ্গে ভেটেরিনারি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা শেষে কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। শনিবার (৮ আগস্ট) বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) বাংলাদেশ সোসাইটি ফর ভেটেরিনারি এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চের (বিএসভিইআর) উদ্যোগে আয়োজিত ৩২তম বৈজ্ঞানিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, ‘ফিশারিজ খাতেও ৫০০টির বেশি পদের অনুমোদন হয়েছে। খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রাণিসম্পদ খাতে গবেষণার বিকল্প নেই। গবেষণা যত বাড়বে, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার সক্ষমতাও তত বাড়বে। এ সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইক-ফলোয়ার বাড়ানোর জন্য উল্টাপাল্টা বক্তব্য দিয়ে রাজনীতি করা উচিত নয় বলে মন্তব্য করেন প্রতিমন্ত্রী। এসময় তিনি বলেন, ‘তরুণ নেতৃত্বের কাছ থেকে মানুষ দায়িত্বশীল আচরণ প্রত্যাশা করে। জনগণ এখন বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক সমাজ চায় এবং পাঁচ বছর পর জনগণই সরকারের কর্মকাণ্ডের বিচার

‘প্রতিটি বিভাগে ভেটেরিনারি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে’

দেশের প্রতিটি বিভাগে একটি করে ভেটেরিনারি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। একই সঙ্গে ভেটেরিনারি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা শেষে কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

শনিবার (৮ আগস্ট) বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) বাংলাদেশ সোসাইটি ফর ভেটেরিনারি এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চের (বিএসভিইআর) উদ্যোগে আয়োজিত ৩২তম বৈজ্ঞানিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, ‘ফিশারিজ খাতেও ৫০০টির বেশি পদের অনুমোদন হয়েছে। খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রাণিসম্পদ খাতে গবেষণার বিকল্প নেই। গবেষণা যত বাড়বে, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার সক্ষমতাও তত বাড়বে।

এ সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইক-ফলোয়ার বাড়ানোর জন্য উল্টাপাল্টা বক্তব্য দিয়ে রাজনীতি করা উচিত নয় বলে মন্তব্য করেন প্রতিমন্ত্রী।

এসময় তিনি বলেন, ‘তরুণ নেতৃত্বের কাছ থেকে মানুষ দায়িত্বশীল আচরণ প্রত্যাশা করে। জনগণ এখন বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক সমাজ চায় এবং পাঁচ বছর পর জনগণই সরকারের কর্মকাণ্ডের বিচার করবে। একইসঙ্গে কারা দেশ পরিচালনা করবে, সেই সিদ্ধান্তও নেবে।’

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘ষড়যন্ত্র, অস্থিরতা, নির্যাতন, ফ্যাসিবাদ ও স্বৈরাচারের রাজনীতি জনগণ কখনো গ্রহণ করেনি, ভবিষ্যতেও করবে না। বিএনপি একটি আধুনিক, উদার ও গণতান্ত্রিক দল এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি কোনো নিউজ কন্ট্রোল করে না। গণমাধ্যমকে অবাধ স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে। আমরা ডেমোক্রেসিতে বিশ্বাস করি। যতবার বাংলাদেশের মানুষ নিরপেক্ষভাবে ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে, ততবার মানুষ বিএনপিকে বেছে নিয়েছে।’

‘টেকসই প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন ও বৈশ্বিক স্বাস্থ্য নিশ্চিতকরণে ভেটেরিনারি শিক্ষা ও গবেষণার কার্যকর প্রয়োগ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএসভিইআরের উদ্যোগে ৩২তম বৈজ্ঞানিক সম্মেলনের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

‘প্রতিটি বিভাগে ভেটেরিনারি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে’

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন মিলনায়তনে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

তিন দিনব্যাপী এ সম্মেলনে দেশ-বিদেশের বিজ্ঞানী, গবেষক, শিক্ষক, প্রাণিচিকিৎসক, নীতিনির্ধারক, প্রাণিসম্পদ খাতের উদ্যোক্তা ও শিক্ষার্থীরা অংশ নিচ্ছেন। সম্মেলনে ১৬টি সমান্তরাল বৈজ্ঞানিক অধিবেশনে মোট ৩১৮টি গবেষণাপত্র উপস্থাপন করা হবে। এর মধ্যে ১১৬টি মৌখিক এবং ২০২টি পোস্টার উপস্থাপনা করা হয়েছে।

বিএসভিইআরের সভাপতি ও সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আলিমুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ময়মনসিংহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবু ওয়াহাব আকন্দ। প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. ফজলুল হক ভূঁইয়া।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভেটেরিনারি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমান, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান এবং ইন্টার অ্যাগ্রো বিডি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. এ. কে. এম. খসরুজ্জামানসহ আরও অনেকে।

বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নে উচ্চ উৎপাদনশীল বাণিজ্যিক জাতের পাশাপাশি দেশের পরিবেশ ও গ্রামীণ খামার ব্যবস্থার উপযোগী জাত উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। দেশি গরু যেন গড়ে চার লিটার দুধ, দেশি ছাগল এক লিটার দুধ এবং মুরগি বছরে ন্যূনতম ১৫০টি ডিম দিতে পারে, এমন জাত উন্নয়নে গবেষণা ও পরিকল্পনা প্রয়োজন।’

এ ছাড়া দেশের খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়কে নীতিনির্ধারণ ও গবেষণায় আরও কার্যকরভাবে সম্পৃক্ত করারও আহ্বান জানান তিনি।

কেজে/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow