প্রতিদিন ৫ মিনিটের যত্নে ফিরবে নখের সৌন্দর্য
একসময় নখের সৌন্দর্য বলতে শুধু নেইলপলিশ বা রঙিন নেইল আর্টকেই বোঝানো হতো। এখন সেই ধারণা বদলেছে। বিউটি দুনিয়ায় গুরুত্ব পাচ্ছে সুস্থ, মজবুত ও প্রাকৃতিক নখ। ছোট, পরিষ্কার ও স্বাভাবিক নখের ট্রেন্ড যেমন জনপ্রিয় হচ্ছে, তেমনি বাড়ছে নখের সঠিক যত্ন নিয়েও সচেতনতা। বিশেষজ্ঞদের মতে, নখ সুন্দর রাখতে সবসময় দামি প্রসাধনী ব্যবহার করার প্রয়োজন নেই। বরং প্রতিদিন মাত্র পাঁচ মিনিট সময় দিলেই নখকে রাখা যায় স্বাস্থ্যবান, উজ্জ্বল ও শক্তিশালী। বিশেষ করে দীর্ঘদিন জেল নেইল, অ্যাক্রিলিক বা দীর্ঘস্থায়ী নেইলপলিশ ব্যবহারের কারণে অনেকের নখই শুষ্ক, ভঙ্গুর ও প্রাণহীন হয়ে পড়ে। এমন অবস্থায় ভরসা হতে পারে একটি সহজ কিন্তু কার্যকর উপায় হলো নেইল অয়েলিং। নেইল অয়েলিং কী দৈনন্দিন স্ব-যত্নের অংশ হিসেবেও তেল দিয়ে শরীরের বিভিন্ন অংশে মালিশ করার কথা বলা হয়েছে। সেই ধারণা থেকেই নখ ও কিউটিকলে নিয়মিত তেল ব্যবহার করা সমান কার্যকর বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। এটি নখকে আর্দ্র রাখে, পুষ্টি জোগায় এবং ভঙ্গুর হয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। যেভাবে করবেন নেইল অয়েলিং নেইল অয়েলিংয়ের পদ্ধতি খুবই সহজ। প্রথমে নিজের পছন্দের কোনো প্রাকৃতিক উদ্ভিজ্জ
একসময় নখের সৌন্দর্য বলতে শুধু নেইলপলিশ বা রঙিন নেইল আর্টকেই বোঝানো হতো। এখন সেই ধারণা বদলেছে। বিউটি দুনিয়ায় গুরুত্ব পাচ্ছে সুস্থ, মজবুত ও প্রাকৃতিক নখ। ছোট, পরিষ্কার ও স্বাভাবিক নখের ট্রেন্ড যেমন জনপ্রিয় হচ্ছে, তেমনি বাড়ছে নখের সঠিক যত্ন নিয়েও সচেতনতা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, নখ সুন্দর রাখতে সবসময় দামি প্রসাধনী ব্যবহার করার প্রয়োজন নেই। বরং প্রতিদিন মাত্র পাঁচ মিনিট সময় দিলেই নখকে রাখা যায় স্বাস্থ্যবান, উজ্জ্বল ও শক্তিশালী। বিশেষ করে দীর্ঘদিন জেল নেইল, অ্যাক্রিলিক বা দীর্ঘস্থায়ী নেইলপলিশ ব্যবহারের কারণে অনেকের নখই শুষ্ক, ভঙ্গুর ও প্রাণহীন হয়ে পড়ে। এমন অবস্থায় ভরসা হতে পারে একটি সহজ কিন্তু কার্যকর উপায় হলো নেইল অয়েলিং।
নেইল অয়েলিং কী
দৈনন্দিন স্ব-যত্নের অংশ হিসেবেও তেল দিয়ে শরীরের বিভিন্ন অংশে মালিশ করার কথা বলা হয়েছে। সেই ধারণা থেকেই নখ ও কিউটিকলে নিয়মিত তেল ব্যবহার করা সমান কার্যকর বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। এটি নখকে আর্দ্র রাখে, পুষ্টি জোগায় এবং ভঙ্গুর হয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।
যেভাবে করবেন নেইল অয়েলিং
নেইল অয়েলিংয়ের পদ্ধতি খুবই সহজ। প্রথমে নিজের পছন্দের কোনো প্রাকৃতিক উদ্ভিজ্জ তেল বেছে নিন। এরপর প্রতিটি নখের গোড়ায় এক ফোঁটা করে তেল দিয়ে আলতো হাতে পুরো নখ ও কিউটিকলে কয়েক মিনিট মালিশ করুন। এতে তেল সহজে শোষিত হয় এবং নখের গভীরে পুষ্টি পৌঁছে যায়। নেইল অয়েলিংয়ের জন্য জোজোবা অয়েল, ক্যাস্টর অয়েল, বাদামের তেল, জলপাই অয়েল কিংবা নারিকেল তেল ব্যবহার করা যেতে পারে। এসব প্রাকৃতিক তেলে থাকা ভিটামিন, প্রয়োজনীয় ফ্যাটি অ্যাসিড ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট নখকে ভেতর থেকে পুষ্টি জোগায় এবং শুষ্কতা কমাতে সাহায্য করে।
এরপর চাইলে কাঠের কিউটিকল স্টিক দিয়ে কিউটিকল হালকাভাবে পিছিয়ে দিতে পারেন। অতিরিক্ত তেল থাকলে তুলো দিয়ে মুছে ফেলুন। রাতে ঘুমানোর আগে এই পরিচর্যা করলে সবচেয়ে ভালো ফল পাওয়া যায়। চাইলে তেলের পর একটি ময়েশ্চারাইজিং হ্যান্ড ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন, এতে আর্দ্রতা আরও দীর্ঘক্ষণ বজায় থাকে।
স্ক্রাব ব্যবহার করে মৃত কোষ পরিষ্কার করা যায়
নিয়মিত নেল অয়েলিংয়ের উপকারিতা
নিয়মিত নেল অয়েলিং করলে নখ ও কিউটিকল গভীরভাবে আর্দ্র থাকে। ফলে নখ শক্ত হওয়ার পাশাপাশি নমনীয়তাও বাড়ে এবং সহজে ভেঙে যায় না বা চির ধরে না। একই সঙ্গে নখে ফিরে আসে প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত মালিশের কারণে রক্তসঞ্চালনও বাড়ে, যা নখের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ভালো রাখতে সহায়তা করতে পারে। দীর্ঘদিন নেইলপলিশ বা কৃত্রিম নখ ব্যবহারের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত নখও ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠতে পারে।
শুধু নখ নয়, হাতের যত্নও জরুরি
শুধু নখে তেল লাগালেই হবে না, হাতের যত্নও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এমন হ্যান্ডওয়াশ ব্যবহার করা উচিত, যা ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা নষ্ট করে না। প্রতিবার হাত ধোয়ার পর ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করলে হাত ও নখ দুটিই ভালো থাকে।
সপ্তাহে অন্তত একদিন হালকা স্ক্রাব ব্যবহার করে মৃত কোষ পরিষ্কার করলে হাত আরও কোমল ও পরিচ্ছন্ন দেখায়। দিনের বেলায় বাইরে বের হওয়ার আগে হাতে সানস্ক্রিন লাগানোর অভ্যাসও জরুরি। কারণ সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি শুধু ত্বক নয়, নখেরও ক্ষতি করতে পারে।
প্রতিদিন মাত্র পাঁচ মিনিটের এই ছোট অভ্যাসই দীর্ঘদিনে নখে চোখে পড়ার মতো পরিবর্তন আনতে পারে। তাই প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে গুরুত্ব দিতে চাইলে নেল অয়েলিংকে আজই নিজের দৈনন্দিন বিউটি রুটিনের অংশ করে নিন।
সূত্র: বি বিউটিফুল, ভোগ ইন্ডিয়া, ফেমিনা
এসএকেওয়াই
What's Your Reaction?

