প্রতিবেশীর সেপটিক ট্যাংক থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে নিখোঁজের তিনদিন পর প্রতিবেশীর বাথরুমের সেপটিক ট্যাংক থেকে কানিজ ফাতেমা নামের দেড় বছরের এক শিশুর লাশ উদ্ধার করেছেন পুলিশ।  রায়পুর উপজেলার চরমোহনা ইউনিয়নের পশ্চিম চরমোহনা গ্রামের রায় বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। শিশুটি একই বাড়ির কাঞ্চন হোসেন ও জান্নাতুল ফেরদৌস মেরিন দম্পতি মেয়ে।  শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টার দিকে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ওই বাড়ির তোফায়েল আহাম্মেদ, ফিরোজা বেগম ও নিশু আক্তারসহ তিন জনকে আটক করেন পুলিশ। স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে বাড়িতে খেলাধুলা করতে গিয়ে নিখোঁজ হয় কানিজ ফাতেমা। ঘটনার দিন সকালে শিশুটি প্রতিবেশী তোফায়েল আহাম্মদের ঘরের ভেতরে যায়। এরপর আর তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। অনেক খোঁজাখুঁজির পর এদিন তাদের প্রতিবেশী তোফায়েল আহমেদের বাথরুমের সেপটিক ট্যাংক থেকে পুলিশ শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে। রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহিন মিয়া বলেন, নিখোঁজের পর শিশুটির মা বাদী হয়ে থানায় অপহরণ মামলা দায়ের করেন। মামলায় তাদের প্রতিবেশী তোফায়েলসহ তিন জনকে সন্দেহজনক আসামি করা হয়। অপহরণ মামলার তদন্ত করতে গিয়ে

প্রতিবেশীর সেপটিক ট্যাংক থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে নিখোঁজের তিনদিন পর প্রতিবেশীর বাথরুমের সেপটিক ট্যাংক থেকে কানিজ ফাতেমা নামের দেড় বছরের এক শিশুর লাশ উদ্ধার করেছেন পুলিশ। 

রায়পুর উপজেলার চরমোহনা ইউনিয়নের পশ্চিম চরমোহনা গ্রামের রায় বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। শিশুটি একই বাড়ির কাঞ্চন হোসেন ও জান্নাতুল ফেরদৌস মেরিন দম্পতি মেয়ে। 

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টার দিকে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ওই বাড়ির তোফায়েল আহাম্মেদ, ফিরোজা বেগম ও নিশু আক্তারসহ তিন জনকে আটক করেন পুলিশ।

স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে বাড়িতে খেলাধুলা করতে গিয়ে নিখোঁজ হয় কানিজ ফাতেমা। ঘটনার দিন সকালে শিশুটি প্রতিবেশী তোফায়েল আহাম্মদের ঘরের ভেতরে যায়। এরপর আর তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। অনেক খোঁজাখুঁজির পর এদিন তাদের প্রতিবেশী তোফায়েল আহমেদের বাথরুমের সেপটিক ট্যাংক থেকে পুলিশ শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে।

রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহিন মিয়া বলেন, নিখোঁজের পর শিশুটির মা বাদী হয়ে থানায় অপহরণ মামলা দায়ের করেন। মামলায় তাদের প্রতিবেশী তোফায়েলসহ তিন জনকে সন্দেহজনক আসামি করা হয়। অপহরণ মামলার তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ তোফায়েলদের সেপটিক ট্যাংকে শিশুটির মরদেহ খুঁজে পায়। পরে অভিযুক্ত ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow