প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে ১৯৬৭ প্রার্থীকে, প্রচারণার সময় ২০ দিন

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের জন্য ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের অফিসে সকাল ৯টা থেকে প্রতীক বরাদ্দ শুরু হয়েছে। আগারগাঁও রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে ঢাকা-১৩ ও ঢাকা-১৫ আসনের জন্য প্রতীক বরাদ্দ চলছে। দলীয় প্রার্থীরা দলীয় প্রতীক পাবেন আর স্বতন্ত্র প্রার্থীদের লটারির মাধ্যমে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) ২৯৮টি আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তারা প্রতীক বরাদ্দ করছে। সেক্ষেত্রে মনোনয়নপত্র জমার জন্য ১৮ দিন সময় দেওয়া হয়েছিল। অন্যদিকে, ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট গ্রহণের দিন নির্ধারণ করায় প্রচারের জন্য ২০ দিন সময় পাবেন প্রার্থীরা। প্রার্থীরা তফসিল অনুযায়ী বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) থেকে প্রচারণা করতে পারবেন। এবার কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে আচরণবিধিতে। আচরণবিধি লঙ্ঘনে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড ও দেড় লাখ জরিমানা এবং দলের জন্য দেড় লাখ টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। প্রয়োজনে তদন্ত সাপেক্ষে প্রার্থিতা বাতিলের ক্ষমতাও রয়েছে ইসির। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জনসংযোগ পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক জানিয়েছেন, গত ২৯ ডিসেম্বর ছিল মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় এতে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন ২৫৮৫ জন। বাছাইয়ে ২৬ জনের মনোনয়নপত্র বাতিলের

প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে ১৯৬৭ প্রার্থীকে, প্রচারণার সময় ২০ দিন

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের জন্য ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের অফিসে সকাল ৯টা থেকে প্রতীক বরাদ্দ শুরু হয়েছে। আগারগাঁও রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে ঢাকা-১৩ ও ঢাকা-১৫ আসনের জন্য প্রতীক বরাদ্দ চলছে। দলীয় প্রার্থীরা দলীয় প্রতীক পাবেন আর স্বতন্ত্র প্রার্থীদের লটারির মাধ্যমে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) ২৯৮টি আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তারা প্রতীক বরাদ্দ করছে। সেক্ষেত্রে মনোনয়নপত্র জমার জন্য ১৮ দিন সময় দেওয়া হয়েছিল।

অন্যদিকে, ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট গ্রহণের দিন নির্ধারণ করায় প্রচারের জন্য ২০ দিন সময় পাবেন প্রার্থীরা। প্রার্থীরা তফসিল অনুযায়ী বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) থেকে প্রচারণা করতে পারবেন।

এবার কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে আচরণবিধিতে। আচরণবিধি লঙ্ঘনে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড ও দেড় লাখ জরিমানা এবং দলের জন্য দেড় লাখ টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। প্রয়োজনে তদন্ত সাপেক্ষে প্রার্থিতা বাতিলের ক্ষমতাও রয়েছে ইসির।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জনসংযোগ পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক জানিয়েছেন, গত ২৯ ডিসেম্বর ছিল মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় এতে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন ২৫৮৫ জন।

বাছাইয়ে ২৬ জনের মনোনয়নপত্র বাতিলের পর বৈধ প্রার্থী ছিলেন ১৮৫৮ জন। তাদের মধ্যে আপিল করেন ৬৩৯। আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পান ৪৩১ জন।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) পর্যন্ত ৩০৫ জন প্রত্যাহারের করলে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী দাঁড়ায় ১৯৬৭ জন। তাদের প্রতীক বরাদ্দ করছেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা।

এদিকে আইনি জটিলতায় পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত হবে পরে। ফলে ৩০০ আসনে প্রার্থী আরও বাড়বে।

এমওএস/এসএনআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow