প্রত্যাহারের ১৬ ঘণ্টা পরও পুলিশ লাইনসে যুক্ত হননি ওসি

কুমিল্লার দাউদকান্দি মডেল থানার দুই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে উদ্ধার করা ১৬০ কেজি (চার মণ) গাঁজা মাদক কারবারিদের কাছে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার পর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আ. বারীকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) কুমিল্লার পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান সই করা এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। তবে আদেশের ১৬ ঘণ্টা পরও থানা ছাড়েননি ওই ওসি। থানা সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (২৭ জুন) রাতে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী একটি কাভার্ডভ্যান দাউদকান্দি ফায়ার সার্ভিসের সামনে মহাসড়কে অবস্থান করছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টহল ডিউটিতে থাকা উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ইমাম উদ্দিন ও সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) হাফিজুর রহমান কাভার্ডভ্যানটিতে তল্লাশি চালান। অভিযোগ রয়েছে, সেখানে তিনটি বস্তাভর্তি প্রায় ১৬০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হলেও তা নিয়ম অনুযায়ী জব্দ না করে রাতেই ধাপে ধাপে কয়েকজন মাদক কারবারির কাছে বিক্রি করে দেওয়া হয়। পরে একটি কালো টিআরএক্স মাইক্রোবাসে করে গাঁজাগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়। এখানেই শেষ নয়, কাভার্ডভ্যানটি ছেড়ে দেওয়ার বিনিময়ে ৩০ হাজার টাকা নেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে। সূত্রের

প্রত্যাহারের ১৬ ঘণ্টা পরও পুলিশ লাইনসে যুক্ত হননি ওসি

কুমিল্লার দাউদকান্দি মডেল থানার দুই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে উদ্ধার করা ১৬০ কেজি (চার মণ) গাঁজা মাদক কারবারিদের কাছে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার পর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আ. বারীকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) কুমিল্লার পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান সই করা এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। তবে আদেশের ১৬ ঘণ্টা পরও থানা ছাড়েননি ওই ওসি।

থানা সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (২৭ জুন) রাতে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী একটি কাভার্ডভ্যান দাউদকান্দি ফায়ার সার্ভিসের সামনে মহাসড়কে অবস্থান করছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টহল ডিউটিতে থাকা উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ইমাম উদ্দিন ও সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) হাফিজুর রহমান কাভার্ডভ্যানটিতে তল্লাশি চালান।

অভিযোগ রয়েছে, সেখানে তিনটি বস্তাভর্তি প্রায় ১৬০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হলেও তা নিয়ম অনুযায়ী জব্দ না করে রাতেই ধাপে ধাপে কয়েকজন মাদক কারবারির কাছে বিক্রি করে দেওয়া হয়। পরে একটি কালো টিআরএক্স মাইক্রোবাসে করে গাঁজাগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়।

এখানেই শেষ নয়, কাভার্ডভ্যানটি ছেড়ে দেওয়ার বিনিময়ে ৩০ হাজার টাকা নেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে। সূত্রের দাবি, প্রতিকেজি গাঁজা প্রায় ছয় হাজার টাকা দরে বিক্রি করা হয়।

এদিকে ওসিকে প্রত্যাহারের ১৬ ঘণ্টা পার হলেও পুলিশ লাইনসে যুক্ত হননি। এ বিষয়ে জানতে বুধবার (১ জুলাই) বিকেল ৩টা ৫ মিনিটে তার সরকারি নম্বরে কল দিলে তিনি বলেন, ‘একটি পত্রিকায় প্রকাশিত মিথ্যা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আমার বিরুদ্ধে অন্যায়ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে তদন্ত চলমান। আমি এখনো থানায় আছি। অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রয়োজনে চাকরি ছেড়ে দেবো।’

সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) হাফিজুর রহমান বলেন, ‘আমার কোনো ডিউটি ছিল না ওখানে। ওয়ারেন্ট তামিলের জন্য দিনের বেলায় ছিলাম, রাতে বের হইনি।’

অভিযোগের বিষয়ে উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ইমাম উদ্দিন বলেন, ‘আমি ওই রাতে মোবাইল ডিউটিতে ছিলাম। গাঁজা উদ্ধার ও বিক্রির সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।’

এসআর/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow