প্রথম বিভাগ ক্রিকেট চালুর দাবিতে মিরপুরে নারী ক্রিকেটারদের মানববন্ধন

বাংলাদেশ তখন মাঠে ঢুকেছে, পাকিস্তান দলেরও আসার সময় হয়ে গেছে। ওই মুহূর্তে মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের বিসিবি একাডেমি ভবনের সামনে দেখা গেলো প্রথম বিভাগ ক্রিকেট লিগ চালুর দাবি জানিয়ে একটি ব্যানার নিয়ে মানববন্ধন করছেন একদল নারী ক্রিকেটার। সোমবার এই মানববন্ধনে তারা বিসিবির কাছে ঘরোয়া ক্রিকেটের এমন একটি কাঠামো তৈরির দাবি জানান, যেখানে দলগুলোর প্রমোশন (উন্নীত হওয়া) এবং রেলিগেশন (অবনমন) ব্যবস্থা থাকবে। খেলোয়াড়রা বিসিবি গেটের সামনে দাঁড়িয়ে ব্যানার হাতে স্লোগান দিচ্ছিলেন, ‘রেলিগেশনসহ নারী প্রথম বিভাগ ক্রিকেট লিগ চাই।’ এই স্লোগানটি আসলে সরাসরি বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটের কাঠামোগত অভাবকে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে। ঘরোয়া ক্রিকেটে পর্যাপ্ত প্রতিযোগিতার অভাব থাকা সত্ত্বেও প্রতিভাবান ক্রিকেটাররা জাতীয় দলের রাডারে উঠে আসছেন। প্রতিবাদকারী ক্রিকেটাররা যুক্তি দিয়েছেন যে, একটি সুশৃঙ্খল প্রথম বিভাগ প্রতিযোগিতা এই সমস্যার সমাধান করতে পারে। তাদের মতে, একটি যথাযথ লিগ ঘরোয়া ক্রিকেটের ক্যালেন্ডার বা সময়সীমাকে দীর্ঘ করবে এবং দলগুলোকে কেবল দায়সারা টুর্নামেন্ট খেলার বদলে টিকে থাকার লড়াইয়ে বাধ্য করবে। আন

প্রথম বিভাগ ক্রিকেট চালুর দাবিতে মিরপুরে নারী ক্রিকেটারদের মানববন্ধন

বাংলাদেশ তখন মাঠে ঢুকেছে, পাকিস্তান দলেরও আসার সময় হয়ে গেছে। ওই মুহূর্তে মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের বিসিবি একাডেমি ভবনের সামনে দেখা গেলো প্রথম বিভাগ ক্রিকেট লিগ চালুর দাবি জানিয়ে একটি ব্যানার নিয়ে মানববন্ধন করছেন একদল নারী ক্রিকেটার। সোমবার এই মানববন্ধনে তারা বিসিবির কাছে ঘরোয়া ক্রিকেটের এমন একটি কাঠামো তৈরির দাবি জানান, যেখানে দলগুলোর প্রমোশন (উন্নীত হওয়া) এবং রেলিগেশন (অবনমন) ব্যবস্থা থাকবে।

খেলোয়াড়রা বিসিবি গেটের সামনে দাঁড়িয়ে ব্যানার হাতে স্লোগান দিচ্ছিলেন, ‘রেলিগেশনসহ নারী প্রথম বিভাগ ক্রিকেট লিগ চাই।’ এই স্লোগানটি আসলে সরাসরি বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটের কাঠামোগত অভাবকে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে। ঘরোয়া ক্রিকেটে পর্যাপ্ত প্রতিযোগিতার অভাব থাকা সত্ত্বেও প্রতিভাবান ক্রিকেটাররা জাতীয় দলের রাডারে উঠে আসছেন।

প্রতিবাদকারী ক্রিকেটাররা যুক্তি দিয়েছেন যে, একটি সুশৃঙ্খল প্রথম বিভাগ প্রতিযোগিতা এই সমস্যার সমাধান করতে পারে। তাদের মতে, একটি যথাযথ লিগ ঘরোয়া ক্রিকেটের ক্যালেন্ডার বা সময়সীমাকে দীর্ঘ করবে এবং দলগুলোকে কেবল দায়সারা টুর্নামেন্ট খেলার বদলে টিকে থাকার লড়াইয়ে বাধ্য করবে।

আন্দোলনকারীরা এই বিষয়টিকে আর্থিক কোনো বিবাদ হিসেবে না দেখে বরং উন্নতির পথ হিসেবে তুলে ধরেছেন। বাংলাদেশের নারী দল আন্তর্জাতিকভাবে এগিয়ে গেলেও এর নিচের ঘরোয়া কাঠামো এখনো বেশ নড়বড়ে।

এই অসামঞ্জস্যতা সেইসব খেলোয়াড়দের দুশ্চিন্তায় ফেলেছে যারা প্রতি সপ্তাহে একাডেমির নেটে অনুশীলন করেন। নারী ক্রিকেটে প্রতিভা দ্রুত উঠে এলেও অনেক উদীয়মান ক্রিকেটার নিয়মিত প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ খেলার সুযোগ পান না।

বিসিবি এখন একটি স্পষ্ট সিদ্ধান্তের মুখোমুখি। হয় তাদের একটি যথাযথ প্রথম বিভাগ পিরামিড কাঠামো তৈরি করতে হবে, অথবা ছোট ছোট টুর্নামেন্ট আয়োজন করে দায় সারতে হবে যা কি না চাপের মুখে ক্রিকেট খেলার মানসিকতা তৈরি করতে খুব একটা সাহায্য করে না।

বোর্ড যদি জাতীয় দলের জন্য আরও ক্ষুরধার ব্যাটার এবং লড়াকু বোলার চায়, তবে উত্তরটি একদম পরিষ্কার। এমন একটি লিগ তৈরি করা যেখানে একটি খারাপ মৌসুম কোনো দলকে নিচে পাঠিয়ে দেবে এবং একটি দুর্দান্ত লড়াই অন্য কোনো ক্লাবকে ওপরে টেনে তুলবে।

এসকেডি/আইএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow