প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পেলেন রাসিকের ১ হাজার ২৩৭ পরিচ্ছন্নতাকর্মী
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) এক হাজার ২৩৭ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মীর মাঝে ঈদ অনুদান বিতরণ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে প্রত্যেক কর্মীকে ৫ হাজার টাকা করে অনুদান প্রদান করা হয়। সোমবার (২৫ মে) সকাল ১১টায় রাজশাহী সিটি করপোরেশনের গ্রীন প্লাজায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে অনুদানের চেক বিতরণ করেন রাসিক প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন। অনুষ্ঠানে রাসিকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বিভিন্ন ওয়ার্ডে কর্মরত পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের নিরলস পরিশ্রমের কারণেই রাজশাহী আজ ‘গ্রিন সিটি’ ও ‘হেলদি সিটি’ হিসেবে দেশ-বিদেশে পরিচিতি পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এ উদ্যোগ পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের শ্রম ও অবদানের স্বীকৃতির অনন্য দৃষ্টান্ত বলেও উল্লেখ করা হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাসিক প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে নগরীর পরিচ্ছন্নতা ও নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে রাজশাহী সিটি করপোরেশন। কোরবানির পশুর বর্জ্য দ্রুত অপসারণে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং নগরীর বিভিন্ন এলাকার বর্জ্য ৬ থেক
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) এক হাজার ২৩৭ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মীর মাঝে ঈদ অনুদান বিতরণ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে প্রত্যেক কর্মীকে ৫ হাজার টাকা করে অনুদান প্রদান করা হয়।
সোমবার (২৫ মে) সকাল ১১টায় রাজশাহী সিটি করপোরেশনের গ্রীন প্লাজায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে অনুদানের চেক বিতরণ করেন রাসিক প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন। অনুষ্ঠানে রাসিকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বিভিন্ন ওয়ার্ডে কর্মরত পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের নিরলস পরিশ্রমের কারণেই রাজশাহী আজ ‘গ্রিন সিটি’ ও ‘হেলদি সিটি’ হিসেবে দেশ-বিদেশে পরিচিতি পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এ উদ্যোগ পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের শ্রম ও অবদানের স্বীকৃতির অনন্য দৃষ্টান্ত বলেও উল্লেখ করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাসিক প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে নগরীর পরিচ্ছন্নতা ও নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে রাজশাহী সিটি করপোরেশন। কোরবানির পশুর বর্জ্য দ্রুত অপসারণে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং নগরীর বিভিন্ন এলাকার বর্জ্য ৬ থেকে ৮ ঘণ্টার মধ্যেই পরিষ্কার করা হবে।
তিনি আরও বলেন, পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের অক্লান্ত শ্রমেই রাজশাহী পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরীতে পরিণত হয়েছে। আগামী বছর থেকে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের পাশাপাশি নগরীর সৌন্দর্য রক্ষায় নিয়োজিত ফুল ও গাছের পরিচর্যাকারীদেরও অনুদানের আওতায় আনার চেষ্টা করা হবে।
অনুষ্ঠানে আরও জানানো হয়, এবার প্রথমবারের মতো নগরবাসীর মাঝে কোরবানির মাংস সংরক্ষণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় পরিবেশবান্ধব ব্যাগ এবং ব্লিচিং পাউডার বিতরণ করা হয়েছে।
এছাড়া কোরবানির পশুর চামড়া সংরক্ষণের জন্য বিভিন্ন মাদ্রাসা ও এতিমখানায় লবণ সরবরাহ, যানজট নিরসনে ট্রাফিক পুলিশকে সহযোগিতা এবং ঘরমুখো ট্রেনযাত্রীদের সহায়তায়ও বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, নগরবাসীর সহযোগিতা এবং পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কোরবানির সব বর্জ্য অপসারণ করে পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত নগরী নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। অনুষ্ঠানের শেষে উপস্থিত সবাইকে পবিত্র ঈদুল আজহার অগ্রিম শুভেচ্ছা জানানো হয়।
What's Your Reaction?