প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শিতায় টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়ন সম্ভব হয়েছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. শাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শিতায় খুব কম সময়ের মধ্যে টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়ন সম্ভব হয়েছে। জনগণের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে একাগ্রতা ছিল বলে আমরা অনেকটা এগিয়ে গেছি। এতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অবদান অনস্বীকার্য। রোববার (০৫ এপ্রিল) বেলা ১১টায় ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বরে ‘শিশুদের হাম-রুবেলা প্রতিরোধে জরুরি টিকাদান কর্মসূচি’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। সরদার মো. শাখাওয়াত হোসেন বলেন, ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী সকল শিশুকে এ টিকা দেওয়া হবে। তবে অসুস্থ শিশুরা টিকার বাইরে থাকবে। তবে একই সঙ্গে সুস্থ-অসুস্থ সকল শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। দেশের ৩০টি উপজেলায় এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইউনিসেফের নির্দিষ্টক্রমে দেশের ১৮টি জেলার ৩০টি উপজেলায় হামের প্রাদুর্ভাব বেশি দেখা দেয়। তাই আমরা নির্দিষ্টভাবে ওইসব এলাকায় এ কর্মসূচি গ্রহণ করেছি। পর্যায়ক্রমে সারা দেশে এ কর্মসূচির আওতায় আনা হবে। স্থানীয় বি
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. শাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শিতায় খুব কম সময়ের মধ্যে টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়ন সম্ভব হয়েছে। জনগণের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে একাগ্রতা ছিল বলে আমরা অনেকটা এগিয়ে গেছি। এতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অবদান অনস্বীকার্য।
রোববার (০৫ এপ্রিল) বেলা ১১টায় ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বরে ‘শিশুদের হাম-রুবেলা প্রতিরোধে জরুরি টিকাদান কর্মসূচি’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
সরদার মো. শাখাওয়াত হোসেন বলেন, ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী সকল শিশুকে এ টিকা দেওয়া হবে। তবে অসুস্থ শিশুরা টিকার বাইরে থাকবে। তবে একই সঙ্গে সুস্থ-অসুস্থ সকল শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।
দেশের ৩০টি উপজেলায় এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইউনিসেফের নির্দিষ্টক্রমে দেশের ১৮টি জেলার ৩০টি উপজেলায় হামের প্রাদুর্ভাব বেশি দেখা দেয়। তাই আমরা নির্দিষ্টভাবে ওইসব এলাকায় এ কর্মসূচি গ্রহণ করেছি। পর্যায়ক্রমে সারা দেশে এ কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।
স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুসরণ করতে প্রতিটি গ্রামে খেয়াল রাখতে হবে। অভিভাবকদের বুঝিয়ে নিকটস্থ কেন্দ্রে পৌঁছাতে সহায়তা করবেন। যাতে একটি শিশুও যেন মৃত্যুর কোলে ঢলে না পড়ে। কোনো মায়ের বুক যেন খালি না হয়।
তিনি বলেন, আগামী ১২ এপ্রিল থেকে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এবং ময়মনসিংহ ও বরিশাল জেলায় টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে। এরপর আগামী ৩ মে থেকে সারা দেশের সকল উপজেলায় একযোগে টিকাদান কর্মসূচি চলবে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন- স্বাস্থ্য বিভাগের মহাপরিচালক প্রফেসর ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) ডা. জাহিদ রাহমান, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি আহমেদ জামসেদ মোহাম্মেদ, ইউনিসেফ প্রতিনিধি রিজরানা ফ্লাওয়ার, নবাবগঞ্জের ইউএনও দিলরুবা ইসলাম, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার প্রফেসর ডা. খন্দকার আবুল বাসার।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা এস এম শাখাওয়াত হোসেনের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন- স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা ডা. জাহাঙ্গীর আলম, ঢাকা জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. জিল্লুর রহমান প্রমুখ।
What's Your Reaction?