প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নে শুক্র-শনিবারও অফিস করতে হচ্ছে
শুক্র ও শনিবার ছুটির দিনেও অফিস করছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। নগর বাসিন্দাদের সেবা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় ছুটির দিনেও কাজ করছেন তারা। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) আহসান মঞ্জিল প্রাঙ্গণে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) উদ্যোগে অনুষ্ঠিত বাংলা বর্ষবরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ডিএসসিসির প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম এ কথা বলেন। দিনব্যাপী বর্ষবরণ ও সাংস্কৃতিক উৎসবে নানা আয়োজন করে সংস্থাটি। অনুষ্ঠানে সংস্থাটির বর্তমান প্রধান বলেন, সিটি করপোরেশনের কাজের প্রকৃতি এমন যে এখানে ২৪ ঘণ্টাই কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সক্রিয় থাকতে হয়। তিনি উল্লেখ করেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর জন্য আমাদের শুক্র, শনিবারও অফিস করতে হচ্ছে। জনস্বার্থে বিভিন্ন উন্নয়ন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে অতিরিক্ত সময় কাজ করতে হচ্ছে।’ প্রশাসক শুভেচ্ছা বক্তব্যে বলেন, ‘নতুন সরকার এসেছে। বহুদিন পর নির্বাচিত সরকার পেয়েছি। নির্বাচিত সরকারের প্রধান তারেক রহমানকে দেখছেন, আজকে তার স্প্রিটের কাছে আমরা অনেকেই মার খেয়ে যাচ্ছি। আজকে এখন আমাদের শুক্র ও শনিবার অফিস করতে
শুক্র ও শনিবার ছুটির দিনেও অফিস করছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। নগর বাসিন্দাদের সেবা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় ছুটির দিনেও কাজ করছেন তারা।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) আহসান মঞ্জিল প্রাঙ্গণে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) উদ্যোগে অনুষ্ঠিত বাংলা বর্ষবরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ডিএসসিসির প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম এ কথা বলেন। দিনব্যাপী বর্ষবরণ ও সাংস্কৃতিক উৎসবে নানা আয়োজন করে সংস্থাটি।
অনুষ্ঠানে সংস্থাটির বর্তমান প্রধান বলেন, সিটি করপোরেশনের কাজের প্রকৃতি এমন যে এখানে ২৪ ঘণ্টাই কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সক্রিয় থাকতে হয়।
তিনি উল্লেখ করেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর জন্য আমাদের শুক্র, শনিবারও অফিস করতে হচ্ছে। জনস্বার্থে বিভিন্ন উন্নয়ন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে অতিরিক্ত সময় কাজ করতে হচ্ছে।’
প্রশাসক শুভেচ্ছা বক্তব্যে বলেন, ‘নতুন সরকার এসেছে। বহুদিন পর নির্বাচিত সরকার পেয়েছি। নির্বাচিত সরকারের প্রধান তারেক রহমানকে দেখছেন, আজকে তার স্প্রিটের কাছে আমরা অনেকেই মার খেয়ে যাচ্ছি। আজকে এখন আমাদের শুক্র ও শনিবার অফিস করতে হয় উনার জন্য। কারণ প্রধানমন্ত্রী যদি করে আমরা তো না এসে পারি না।’
প্রশাসক উপস্থিত সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশ্ন করে বলেন, ‘এটা কি আমরা খারাপ মনে করি? কি বলেন? জোরে বলেন। আপনাদের খারাপ কি মনে হয়? একটু ছুটিটা কমে গেছে। একটু কাজ আছে কিন্তু কিছু করার নাই। কাজ যা আছে সেটা আমাদের করতে হবে। সেটার জন্যই আমি আশা করব সবাই মিলে কাজে এগিয়ে আসবো। মন খারাপ করবেন না।’
তিনি আরও বলেন, সিটি করপোরেশনের দায়িত্ব সাধারণ প্রশাসনিক কাঠামোর মতো নয়; এখানে মাঠপর্যায়ে সার্বক্ষণিকভাবে কাজ করতে হয় এবং জনগণের সেবা নিশ্চিত করাই মূল দায়িত্ব। এজন্য অনেক সময় সরকারি ছুটির দিনেও কার্যক্রম চালু রাখতে হয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।
নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, পুরোনো বছরের ভুলত্রুটি ভুলে নতুন উদ্যমে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। তিনি ঢাকা শহরকে পরিচ্ছন্ন, আলোকিত ও মশামুক্ত নগরীতে রূপান্তরের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে আরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান।
তিনি আসন্ন সময়ে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার ঝুঁকি মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতির প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন। পাশাপাশি নগর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেন।
বক্তব্যের শেষাংশে তিনি সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে বলেন, কেন্দ্রীয় নির্দেশনার আলোকে ‘ক্লিন সিটি’ কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ঢাকা আরও বাসযোগ্য নগরীতে পরিণত হবে।
অনুষ্ঠান শেষে তিনি সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী ও আয়োজকদের বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানান।
এমডিএএ/এমআরএম
What's Your Reaction?