প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানালেন ডা. কামরুল ইলসাম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন মানবিক চিকিৎসক কামরুল ইলসাম। তিনি বলেছেন, ‘শুক্রবার (১০ এপ্রিল) রাজনৈতিক পরিচয় দিয়ে মঈন উদ্দিন নামের এক ব্যক্তির চাঁদাবাজি ও কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার প্রতিবাদে দ্রুত রাজনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণ করায় সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।’ শনিবার (১১ এপ্রিল) এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। কামরুল ইসলাম বলেন, ‘গত ৫ আগস্টের পর থেকে মঈন উদ্দিন নিজেকে যুবদলের কর্মী পরিচয় দিয়ে ও কমিশনার প্রার্থী জানিয়ে হাসপাতালের বিভিন্ন সাপ্লাই কাজের জন্য ক্রমাগত চাপ প্রয়োগ করে আসছিল। পরে সরবরাহের কাজের জন্য তিনি অত্যধিক চওড়া দামে চার্জ দিয়ে রোগী সরবরাহ করা শুরু করে। হাসপাতালের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এই অনিয়ম বন্ধ করা হলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে হুমকি প্রদান করেন।’ তিনি বলেন, ‘শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে হাসপাতালে এসে মব তৈরি এবং কুরুচিপূর্ণ স্লোগান দিয়ে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করেন মঈন উদ্দিন। এর আগে, গত ২৯ মার্চেও তিনি হাসপাতালে এসে কর্মচারীকে হুমকি প্রদান ও উত্তেজনাকর পরিবেশ তৈরি করেন। এর প্রেক্ষিতে ৩০ মার্চ আমি শেরে বাংলা নগর থানায় একটি জিডি করি।’ কামরুল ইসলাম আরও বলেন, ‘
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন মানবিক চিকিৎসক কামরুল ইলসাম। তিনি বলেছেন, ‘শুক্রবার (১০ এপ্রিল) রাজনৈতিক পরিচয় দিয়ে মঈন উদ্দিন নামের এক ব্যক্তির চাঁদাবাজি ও কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার প্রতিবাদে দ্রুত রাজনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণ করায় সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।’
শনিবার (১১ এপ্রিল) এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
কামরুল ইসলাম বলেন, ‘গত ৫ আগস্টের পর থেকে মঈন উদ্দিন নিজেকে যুবদলের কর্মী পরিচয় দিয়ে ও কমিশনার প্রার্থী জানিয়ে হাসপাতালের বিভিন্ন সাপ্লাই কাজের জন্য ক্রমাগত চাপ প্রয়োগ করে আসছিল। পরে সরবরাহের কাজের জন্য তিনি অত্যধিক চওড়া দামে চার্জ দিয়ে রোগী সরবরাহ করা শুরু করে। হাসপাতালের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এই অনিয়ম বন্ধ করা হলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে হুমকি প্রদান করেন।’
তিনি বলেন, ‘শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে হাসপাতালে এসে মব তৈরি এবং কুরুচিপূর্ণ স্লোগান দিয়ে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করেন মঈন উদ্দিন। এর আগে, গত ২৯ মার্চেও তিনি হাসপাতালে এসে কর্মচারীকে হুমকি প্রদান ও উত্তেজনাকর পরিবেশ তৈরি করেন। এর প্রেক্ষিতে ৩০ মার্চ আমি শেরে বাংলা নগর থানায় একটি জিডি করি।’
কামরুল ইসলাম আরও বলেন, ‘গত ১৭ বছরে দুই হাজারের বেশি কিডনি ট্রান্সফার করেছে সেন্টার ফর কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি (সিকেডি) হাসপাতাল। এ ছাড়া এখানে চিকিৎসাধীন রোগী ও স্ট্রাফদের জন্য ৩ বেলা বিনামূল্যে খাবারের ব্যবস্থা চালু আছে।’
What's Your Reaction?