প্রবেশপত্র না পাওয়ায় এসএসসি পরীক্ষায় বসতে পারলেন না তহিদুর

সারা দেশের মতো রংপুরের পীরগঞ্জে চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। তবে পরীক্ষার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করার পরও পরীক্ষায় বসতে পারল না ছোট উজিরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তহিদুর।  ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে না পেরে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে তহিদুর ও তার পরিবার। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী তহিদুর ইসলাম জানান, তিনি ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত অত্যন্ত ভালো ফলাফল করে আসছেন এবং তার শ্রেণির প্রথম স্থান অধিকারী। দীর্ঘ এক বছরের প্রস্তুতি শেষে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত থাকলেও প্রবেশপত্র (অ্যাডমিট কার্ড) না পাওয়ায় তিনি পরীক্ষায় বসতে পারেননি। তহিদুরের অভিযোগ, গত ২০ এপ্রিল তিনি বিদ্যালয়ে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে গেলে তাকে জানানো হয় নামের ভুলের কারণে কিছু সময় লাগবে এবং পরদিন সকালে পরীক্ষার আগে তাকে অ্যাডমিট কার্ড দেওয়া হবে। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে প্রধান শিক্ষককে না পেয়ে এবং বহুবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও কোনো সাড়া না পাওয়ায় তিনি পরীক্ষা দিতে ব্যর্থ হন। তহিদুরের পরিবার জানায়, যোগাযোগের চেষ্টা করলে প্রধান শিক্ষক ফোন বন্ধ রাখেন এবং পরে কথা

প্রবেশপত্র না পাওয়ায় এসএসসি পরীক্ষায় বসতে পারলেন না তহিদুর

সারা দেশের মতো রংপুরের পীরগঞ্জে চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। তবে পরীক্ষার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করার পরও পরীক্ষায় বসতে পারল না ছোট উজিরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তহিদুর। 

২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে না পেরে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে তহিদুর ও তার পরিবার।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী তহিদুর ইসলাম জানান, তিনি ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত অত্যন্ত ভালো ফলাফল করে আসছেন এবং তার শ্রেণির প্রথম স্থান অধিকারী। দীর্ঘ এক বছরের প্রস্তুতি শেষে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত থাকলেও প্রবেশপত্র (অ্যাডমিট কার্ড) না পাওয়ায় তিনি পরীক্ষায় বসতে পারেননি।

তহিদুরের অভিযোগ, গত ২০ এপ্রিল তিনি বিদ্যালয়ে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে গেলে তাকে জানানো হয় নামের ভুলের কারণে কিছু সময় লাগবে এবং পরদিন সকালে পরীক্ষার আগে তাকে অ্যাডমিট কার্ড দেওয়া হবে। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে প্রধান শিক্ষককে না পেয়ে এবং বহুবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও কোনো সাড়া না পাওয়ায় তিনি পরীক্ষা দিতে ব্যর্থ হন।

তহিদুরের পরিবার জানায়, যোগাযোগের চেষ্টা করলে প্রধান শিক্ষক ফোন বন্ধ রাখেন এবং পরে কথা বলার সময় ভয়ভীতি ও দুর্ব্যবহার করেন।

তহিদুরের বাবা রেজাউল করিম বলেন, আমি দিনমজুরি করে ছেলের পড়ালেখার খরচ চালিয়েছি। ফরম ফিলাপের জন্য দুই হাজার দুশ টাকা আর রেজিস্ট্রেশন ফি ৫শ টাকা দিছি। আমার ছেলে ক্লাসে সবসময় প্রথম হয়। তাকে নিয়ে আমার অনেক স্বপ্ন।

এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুর রহমান জানান, ১৭ এপ্রিল সব প্রধান শিক্ষকদের নিয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যেখানে পরীক্ষার্থীদের কোনো সমস্যা আছে কি না তা জানতে চাওয়া হয়। কিন্তু তখন কোনো বিদ্যালয় থেকে এ ধরনের সমস্যার কথা জানানো হয়নি। 

এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক তৈয়েবুর রহমানের ব্যবহৃত মোবাইল বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

তিনি বলেন, তহিদুরের ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। বিষয়টি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow