প্রশান্ত মহাসাগরে মহড়ার আয়োজন চীন-রাশিয়ার
চীন ও রাশিয়ার নৌবাহিনী যৌথ সামরিক মহড়া পরিচালনা করবে। চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় রোববার এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে। পূর্ব চীনের উপকূলবর্তী কিংদাও এলাকার জলসীমা ও আকাশসীমায় এ সপ্তাহে বার্ষিক মহড়াটি হবে। বিবৃতিতে বলা হয়, কিংদাও বন্দরের কাছে অনুষ্ঠিত এই মহড়া শেষে দুই দেশের নৌবাহিনী প্রশান্ত মহাসাগরের বিভিন্ন এলাকায় যৌথ সামুদ্রিক টহল পরিচালনা করবে। খবর আল-জাজিরার। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, মহড়ায় অংশ নিতে রাশিয়ার প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহরের একটি ক্রুজার, একটি করভেট, একটি ডিজেল-ইলেকট্রিক সাবমেরিন এবং একটি উদ্ধারকারী জাহাজ ইতোমধ্যে কিংদাওয়ে পৌঁছেছে। মহড়া সোমবার শুরু হয়ে আগামী ১৩ জুলাই পর্যন্ত চলবে। অন্যদিকে, চীনের নর্দার্ন থিয়েটার কমান্ড জানিয়েছে, তাদের পক্ষ থেকে দুটি ডেস্ট্রয়ার, একটি ফ্রিগেট, একটি সাবমেরিন, একটি সরবরাহ জাহাজ এবং একটি উদ্ধারকারী জাহাজ মহড়ায় অংশ নেবে। মহড়ায় গোয়েন্দা নজরদারি, আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা এবং সমুদ্রপৃষ্ঠে লক্ষ্যবস্তুতে হামলার অনুশীলন করা হবে বলে জানানো হয়েছে। প্রায় দুই মাস আগে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পু
চীন ও রাশিয়ার নৌবাহিনী যৌথ সামরিক মহড়া পরিচালনা করবে। চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় রোববার এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে। পূর্ব চীনের উপকূলবর্তী কিংদাও এলাকার জলসীমা ও আকাশসীমায় এ সপ্তাহে বার্ষিক মহড়াটি হবে।
বিবৃতিতে বলা হয়, কিংদাও বন্দরের কাছে অনুষ্ঠিত এই মহড়া শেষে দুই দেশের নৌবাহিনী প্রশান্ত মহাসাগরের বিভিন্ন এলাকায় যৌথ সামুদ্রিক টহল পরিচালনা করবে। খবর আল-জাজিরার।
রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, মহড়ায় অংশ নিতে রাশিয়ার প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহরের একটি ক্রুজার, একটি করভেট, একটি ডিজেল-ইলেকট্রিক সাবমেরিন এবং একটি উদ্ধারকারী জাহাজ ইতোমধ্যে কিংদাওয়ে পৌঁছেছে। মহড়া সোমবার শুরু হয়ে আগামী ১৩ জুলাই পর্যন্ত চলবে।
অন্যদিকে, চীনের নর্দার্ন থিয়েটার কমান্ড জানিয়েছে, তাদের পক্ষ থেকে দুটি ডেস্ট্রয়ার, একটি ফ্রিগেট, একটি সাবমেরিন, একটি সরবরাহ জাহাজ এবং একটি উদ্ধারকারী জাহাজ মহড়ায় অংশ নেবে।
মহড়ায় গোয়েন্দা নজরদারি, আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা এবং সমুদ্রপৃষ্ঠে লক্ষ্যবস্তুতে হামলার অনুশীলন করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
প্রায় দুই মাস আগে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের চীন সফরের পর এই যৌথ মহড়া অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ওই সফরে পুতিন দুই দেশের সম্পর্ককে ‘অভূতপূর্ব উচ্চতায়’ পৌঁছেছে বলে মন্তব্য করেন। অপরদিকে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং দুই দেশের অংশীদারত্বকে ‘অটুট’ বলে উল্লেখ করেন।
উল্লেখ্য, চীন ও রাশিয়া ২০১২ সাল থেকে নিয়মিত ‘জয়েন্ট সি’ নামে যৌথ নৌ-মহড়া আয়োজন করে আসছে। গত বছরের মহড়া রাশিয়ার ভ্লাদিভস্তকের কাছে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং এরপর দুই দেশ প্রশান্ত মহাসাগরে যৌথ টহল পরিচালনা করে।
ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযানের পরও চীন প্রকাশ্যে রাশিয়ার সমালোচনা করেনি। যদিও বেইজিং নিজেদের নিরপেক্ষ বলে দাবি করে এবং নিয়মিত শান্তি আলোচনার আহ্বান জানিয়ে আসছে।
What's Your Reaction?