প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন মহলে নির্দিষ্ট প্রার্থীদের প্রতি ‘দুর্বলতা’ দেখা যাচ্ছে : মির্জা আব্বাস
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ঢাকা-৮ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। তিনি অভিযোগ করেছেন, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন মহলে কোনো কোনো প্রার্থীর প্রতি বিশেষ দুর্বলতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর কাকরাইলে ‘হক ক্যাসেল’ ফ্ল্যাট মালিকদের সঙ্গে নির্বাচনী মতবিনিময় ও গণসংযোগ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। মির্জা আব্বাস বলেন, আমি শুনেছি সরকারের একটি মহল নির্দিষ্ট কিছু প্রার্থীর তালিকা তৈরি করেছে, যাদের যেকোনো মূল্যে জয়ী করাতে হবে। প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আচরণেও কারও কারও প্রতি পক্ষপাতমূলক মনোভাব বা দুর্বলতা প্রকাশ পাচ্ছে। তিনি আরও যোগ করেন, কয়েকজন প্রার্থী এখনই এমনভাবে কথা বলছেন যেন তারা জিতেই গেছেন। অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের কথা বলা হলেও ভেতরে ভেতরে যে পক্ষপাতিত্ব চলছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। জনমত যা-ই হোক, তাদের সংসদে পাঠানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এর আগে, সকালে নয়াপল্টনের সাদেক হোসেন খোকা কমিউনিটি সেন্টারে পোলিং এজেন্টদের সঙ্
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ঢাকা-৮ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। তিনি অভিযোগ করেছেন, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন মহলে কোনো কোনো প্রার্থীর প্রতি বিশেষ দুর্বলতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর কাকরাইলে ‘হক ক্যাসেল’ ফ্ল্যাট মালিকদের সঙ্গে নির্বাচনী মতবিনিময় ও গণসংযোগ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা আব্বাস বলেন, আমি শুনেছি সরকারের একটি মহল নির্দিষ্ট কিছু প্রার্থীর তালিকা তৈরি করেছে, যাদের যেকোনো মূল্যে জয়ী করাতে হবে। প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আচরণেও কারও কারও প্রতি পক্ষপাতমূলক মনোভাব বা দুর্বলতা প্রকাশ পাচ্ছে।
তিনি আরও যোগ করেন, কয়েকজন প্রার্থী এখনই এমনভাবে কথা বলছেন যেন তারা জিতেই গেছেন। অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের কথা বলা হলেও ভেতরে ভেতরে যে পক্ষপাতিত্ব চলছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। জনমত যা-ই হোক, তাদের সংসদে পাঠানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
এর আগে, সকালে নয়াপল্টনের সাদেক হোসেন খোকা কমিউনিটি সেন্টারে পোলিং এজেন্টদের সঙ্গে এক সভায় অংশ নেন মির্জা আব্বাস।
সেখানে তিনি বলেন, আমরা বছরের পর বছর জেল-জুলুম সহ্য করে আন্দোলনের পথ সুগম করেছি। সুতরাং ২০২৪ সালের আন্দোলনের কৃতিত্ব এককভাবে কারও নয়। কিন্তু এখন অনেকে এমনভাবে কথা বলছেন যেন তারা একাই দেশ স্বাধীন করেছেন।
তিনি আক্ষেপ করে বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় আমরা সরাসরি লড়াই করেছি, কিন্তু তখন কখনো ক্ষমতার বা মন্ত্রিত্বের দাবি তুলিনি। অথচ এখন যারা ছাত্রত্ব শেষ করেনি, তারাই ক্ষমতার অংশীদার হতে নানা দাবি করছে। এমনকি সরকারের ভেতরেও তাদের প্রতিনিধি রয়েছে।
আগামী দিনগুলোতে দেশের রাজনীতিতে কঠিন সময় আসছে উল্লেখ করে বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, বিশ্বের কিছু প্রতিষ্ঠিত শক্তি আমাদের শান্তিতে থাকতে দিতে চায় না। বর্তমান বা আগামী- যেকোনো সরকারের জন্যই পরিস্থিতি ভয়ংকর হতে পারে।
জামায়াতে ইসলামী ও তাদের মিত্রদের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি দাবি করেন, জামায়াত ও তাদের মদদপুষ্ট গোষ্ঠী এখন পরোক্ষভাবে ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ করছে এবং এই ক্ষমতা ব্যবহার করেই তারা আগামী নির্বাচনকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে।
নিজের নির্বাচনী এলাকা ঢাকা-৮ এর সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্কের কথা মনে করিয়ে দিয়ে সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, আমি তিনবার মন্ত্রী ও একবার মেয়র থাকাকালীন কখনো জনগণের থেকে বিচ্ছিন্ন হইনি। রমনা পার্কের সংস্কার, পর্যাপ্ত শৌচাগার নির্মাণ, বৃক্ষরোপণ এবং পানির সংকট নিরসনে আমি সবসময় কাজ করেছি।
ভোটারদের আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, বিএনপিকে এখন টার্গেট করা হচ্ছে এই ভেবে যে- আওয়ামী লীগ গেছে, এখন বিএনপিকেও সরানো যাবে। কিন্তু এ দেশের জনগণ সচেতন। তারা সুযোগ পেলে কখনো ভুল করে না। আগামীতেও আমাকে আপনাদের পাশেই পাবেন, শুধু একটি ফোন দিলেই হবে।
What's Your Reaction?