প্রশাসন কোনো দলের দালালি করলে জনগণ কঠিন জবাব দেবে: ইশরাক
প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশে কড়া বার্তা দিয়ে ঢাকা–৬ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বলেছেন, প্রশাসনের কোনো পর্যায় যেন কোনো রাজনৈতিক দলের দালালি না করে। প্রশাসন যদি আবারও দলীয় পক্ষপাতিত্ব করে, তাহলে জনগণ কঠিন প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) রাজধানীর গেন্ডারিয়া রেল স্টেশন পার্কিং ৪৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি উদ্যোগে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় এক দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।
ইশরাক বলেন, ‘আমি প্রশাসন এবং নির্বাচন কমিশন এবং সকল পর্যায়ের প্রশাসনের উদ্দেশ্যে বলতে চাই কোন দলের দালালি আমরা সহ্য করব না। অতীতে আওয়ামী লীগের দালালি করা হয়েছে। এখন যদি আরেকটি দলের দালালি করা হয় তাহলে জনগণ তার জবাব দিতে প্রস্তুত রয়েছে।’
তিনি অভিযোগ করেন, গত ১৭ বছরে বিএনপির প্রায় ৬০ লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়েছে এবং পরিবারের সদস্যরাও হয়রানি থেকে রেহাই পাননি, যা বাংলাদেশের রাজনীতিতে নজিরবিহীন দমন-পীড়নের উদাহরণ।
ইশরাক হোসেন বলেন, আগে রাজনৈতিক বিরোধিতা থাকলেও এখনকার মতো রাষ্ট্রীয় নির্যাতন ছিল না। ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সালের সময়কার অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে
প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশে কড়া বার্তা দিয়ে ঢাকা–৬ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বলেছেন, প্রশাসনের কোনো পর্যায় যেন কোনো রাজনৈতিক দলের দালালি না করে। প্রশাসন যদি আবারও দলীয় পক্ষপাতিত্ব করে, তাহলে জনগণ কঠিন প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) রাজধানীর গেন্ডারিয়া রেল স্টেশন পার্কিং ৪৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি উদ্যোগে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় এক দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।
ইশরাক বলেন, ‘আমি প্রশাসন এবং নির্বাচন কমিশন এবং সকল পর্যায়ের প্রশাসনের উদ্দেশ্যে বলতে চাই কোন দলের দালালি আমরা সহ্য করব না। অতীতে আওয়ামী লীগের দালালি করা হয়েছে। এখন যদি আরেকটি দলের দালালি করা হয় তাহলে জনগণ তার জবাব দিতে প্রস্তুত রয়েছে।’
তিনি অভিযোগ করেন, গত ১৭ বছরে বিএনপির প্রায় ৬০ লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়েছে এবং পরিবারের সদস্যরাও হয়রানি থেকে রেহাই পাননি, যা বাংলাদেশের রাজনীতিতে নজিরবিহীন দমন-পীড়নের উদাহরণ।
ইশরাক হোসেন বলেন, আগে রাজনৈতিক বিরোধিতা থাকলেও এখনকার মতো রাষ্ট্রীয় নির্যাতন ছিল না। ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সালের সময়কার অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, তখন পুলিশ সম্মান দেখিয়ে বাসায় প্রবেশ করত, কিন্তু স্বৈরাচারীর আওয়ামী লীগ এর সময়ে রাষ্ট্রকে ব্যবহার করে হত্যা, গুম ও নিপীড়ন চালানো হয়েছে।
তিনি বলেন, বিএনপি প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না, বরং সহাবস্থানের রাজনীতিতে বিশ্বাসী। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যেকোনো মূল্যে এই নির্বাচন হতে হবে। নির্বাচন বন্ধের ষড়যন্ত্র হলে জনগণ তা রুখে দেবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের মাধ্যমে যে সরকার গঠিত হবে, তাদের জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে হবে। পাঁচ বছর পরপর জনগণই ঠিক করবে কে দেশ পরিচালনা করবে।
মতবিনিময় সভায় আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ নাকচ করে ইশরাক হোসেন বলেন, তিনি কোথাও নিজের বা দলের পক্ষে ভোট চাননি। তবুও পুলিশ ব্যানার খুলে নেয় এবং নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে কর্মসূচি বন্ধ করার জন্য চাপ দেওয়া হয় ।
তিনি বলেন, জনগণের মধ্যে যেন নির্বাচন নিয়ে ভয় ও বিভ্রান্তি না থাকে, সে জন্যই এসব মতবিনিময় সভা করা হচ্ছে।
ইশরাক বলেন, বিএনপি আন্দোলন করেছে ক্ষমতার জন্য নয়, বরং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য। আমরা আন্দোলন সংগ্রাম করেছি মন্ত্রী এমপি হওয়ার জন্য না। আমরা আন্দোলন সংগ্রাম করেছি। ক্ষমতার ভাগ বাটোয়ার জন্য না… কেবলমাত্র একটা স্বাধীন সার্বভৌম এবং মুক্ত পরিবেশে একটা স্বাধীন বাংলাদেশে একজন নাগরিক হিসেবে তার অধিকার নিয়ে বেঁচে থাকার লক্ষ্যে।
তিনি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং বলেন, জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়েই বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পূর্ণতা আসবে।