প্রেমিকাকে এএসপির পরিচয়, প্রমাণ দিতে গিয়ে যুবক আটক
এক নারীকে পছন্দ করে তার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়তে নিজেকে পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) পরিচয় দেন এক যুবক। প্রেমের সম্পর্কের একপর্যায়ে সন্দেহ হলে ওই নারী তার পুলিশের ‘এএসপি’ পদে চাকরির প্রমাণ চান। পরে জাল পরিচয়পত্র তৈরি করতে গিয়ে পুলিশের হাতে ধরা পড়েন ওই যুবক। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে রংপুর নগরীর প্রেস ক্লাব মার্কেটের একটি দোকানে পুলিশের জাল পরিচয়পত্র বানাতে আসা ওই যুবককে আটক করা হয়। পরে তাকে নগরীর কোতোয়ালি থানায় নেওয়া হয়। আটক যুবকের নাম মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার দাউদপুর ইউনিয়নের দুমাইল গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবার নাম মোখলেছুর রহমান। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, দুপুরে নগরীর প্রেস ক্লাব মার্কেটের নিচ তলায় আরটি প্রেস নামে একটি দোকানে যান মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি দোকানদারকে সহকারী পুলিশ সুপার পরিচয় দিয়ে জানান, তার আসল পরিচয়পত্রটি হারিয়ে গেছে, নতুন করে প্রিন্ট করতে হবে। দোকানের মালিক আসল পরিচয়পত্রের ফটোকপি দেখতে চাইলে তা দিতে না পারায় সন্দেহ হয়। পরে তিনি বিষয়টি দোকান মালিক সমিতিকে জানান। সমিতির নেতারা এসে জিজ্ঞাসাবাদ করলে মোস্তাফিজুর স্ব
এক নারীকে পছন্দ করে তার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়তে নিজেকে পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) পরিচয় দেন এক যুবক। প্রেমের সম্পর্কের একপর্যায়ে সন্দেহ হলে ওই নারী তার পুলিশের ‘এএসপি’ পদে চাকরির প্রমাণ চান। পরে জাল পরিচয়পত্র তৈরি করতে গিয়ে পুলিশের হাতে ধরা পড়েন ওই যুবক।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে রংপুর নগরীর প্রেস ক্লাব মার্কেটের একটি দোকানে পুলিশের জাল পরিচয়পত্র বানাতে আসা ওই যুবককে আটক করা হয়। পরে তাকে নগরীর কোতোয়ালি থানায় নেওয়া হয়।
আটক যুবকের নাম মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার দাউদপুর ইউনিয়নের দুমাইল গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবার নাম মোখলেছুর রহমান।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, দুপুরে নগরীর প্রেস ক্লাব মার্কেটের নিচ তলায় আরটি প্রেস নামে একটি দোকানে যান মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি দোকানদারকে সহকারী পুলিশ সুপার পরিচয় দিয়ে জানান, তার আসল পরিচয়পত্রটি হারিয়ে গেছে, নতুন করে প্রিন্ট করতে হবে।
দোকানের মালিক আসল পরিচয়পত্রের ফটোকপি দেখতে চাইলে তা দিতে না পারায় সন্দেহ হয়। পরে তিনি বিষয়টি দোকান মালিক সমিতিকে জানান। সমিতির নেতারা এসে জিজ্ঞাসাবাদ করলে মোস্তাফিজুর স্বীকার করেন, তিনি জাল পরিচয়পত্র তৈরি করতে এসেছেন। এরপর পুলিশকে খবর দেওয়া হয় এবং তাকে সোপর্দ করা হয়।
এ সময় জানতে চাইলে অভিযুক্ত মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘আমি পুলিশের আইডি কার্ড বানানোর জন্য আসছি। আমি একটি মেয়েকে ভালোবাসি, রিলেশন করি। তাকে দেখানোর জন্য আইডি কার্ড বানাতে আসছিলাম। তাকে মিথ্যা কথা বলেছিলাম যে, আমি পুলিশে চাকরি করি। প্রমাণের জন্য সে ‘আইডি কার্ড’ দেখতে চেয়েছে। এজন্য এআই দিয়ে আইডি কার্ড তৈরি করে হোয়াটসঅ্যাপে দোকানদারকে দিয়েছি যে আইডি কার্ড বের করে দেন।’
মহানগর কোতোয়ালি থানার কর্মকর্তা (ওসি) আজাদ রহমান কালবেলাকে জানান, অভিযুক্তকে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং তার পরিবারের লোকজনকে ডাকা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
What's Your Reaction?