প্রয়াত বাবার নামে এলো মন্ত্রণালয়ের আমন্ত্রণপত্র, সংসদে আবেগাপ্লুত ছেলে

একটি আমন্ত্রণপত্র দারুণভাবে আবেগাপ্লুত করেছে সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমানকে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওই আমন্ত্রণপত্রের খামে প্রাপকের নামের জায়গায় ‘প্রশাসনিক ভুলে’ তার বাবা সাবেক মন্ত্রী, বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান, বীর ‍মুক্তিযোদ্ধা প্রয়াত আবদুল্লাহ আল নোমানের নাম মুদ্রিত ছিল।   এ প্রসঙ্গে সাঈদ আল নোমান সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে লিখেছেন, ‘‘আজ ১৭ই জুন ২০২৬ আমার জীবনের বিশাল এক বিমূর্ত প্রাপ্তির দিন। অধিবেশন চলাকালীন এ মুহূর্তটি আমাকে দারুণভাবে আবেগাপ্লুত করেছে। আমার ডেস্ক-এ একটি দাওয়াতপত্র পৌঁছলো, যেখানে ‘আবদুল্লাহ আল নোমান’ নামটি লেখা। হয়তো এটি কেবল একটি প্রশাসনিক ভুল।’‘ ‘‘কিন্তু অনুভূতির জগতে এর অর্থ একেবারেই অন্যরকম। আমার মনে হলো, জাতীয় সংসদ এখনও বিশ্বাস করে—‘আবদুল্লাহ আল নোমান’ সংসদে উপস্থিত আছেন; তিনি এখনও বেঁচে আছেন মানুষের অনুভূতিতে, তাদের শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায়। আর এ ভাবনাই আমাকে বারংবার উঠে আসা সেই একই প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড় করায়—মৃত নোমান কি জীবিত নোমানের চেয়েও শক্তিশালী? উত্তর নিঃসন্দেহে ‘হ্যাঁ’!’’ উল্লেখ্য, ১৯৯১ ও ২০০১ সালে চট্টগ্রাম-৯ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতী

প্রয়াত বাবার নামে এলো মন্ত্রণালয়ের আমন্ত্রণপত্র, সংসদে আবেগাপ্লুত ছেলে
একটি আমন্ত্রণপত্র দারুণভাবে আবেগাপ্লুত করেছে সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমানকে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওই আমন্ত্রণপত্রের খামে প্রাপকের নামের জায়গায় ‘প্রশাসনিক ভুলে’ তার বাবা সাবেক মন্ত্রী, বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান, বীর ‍মুক্তিযোদ্ধা প্রয়াত আবদুল্লাহ আল নোমানের নাম মুদ্রিত ছিল।   এ প্রসঙ্গে সাঈদ আল নোমান সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে লিখেছেন, ‘‘আজ ১৭ই জুন ২০২৬ আমার জীবনের বিশাল এক বিমূর্ত প্রাপ্তির দিন। অধিবেশন চলাকালীন এ মুহূর্তটি আমাকে দারুণভাবে আবেগাপ্লুত করেছে। আমার ডেস্ক-এ একটি দাওয়াতপত্র পৌঁছলো, যেখানে ‘আবদুল্লাহ আল নোমান’ নামটি লেখা। হয়তো এটি কেবল একটি প্রশাসনিক ভুল।’‘ ‘‘কিন্তু অনুভূতির জগতে এর অর্থ একেবারেই অন্যরকম। আমার মনে হলো, জাতীয় সংসদ এখনও বিশ্বাস করে—‘আবদুল্লাহ আল নোমান’ সংসদে উপস্থিত আছেন; তিনি এখনও বেঁচে আছেন মানুষের অনুভূতিতে, তাদের শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায়। আর এ ভাবনাই আমাকে বারংবার উঠে আসা সেই একই প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড় করায়—মৃত নোমান কি জীবিত নোমানের চেয়েও শক্তিশালী? উত্তর নিঃসন্দেহে ‘হ্যাঁ’!’’ উল্লেখ্য, ১৯৯১ ও ২০০১ সালে চট্টগ্রাম-৯ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন নোমান। বেগম খালেদা জিয়ার দুই সরকারের আমলে মৎস্য ও পশু সম্পদ, শ্রম ও কর্মসংস্থান, বন ও পরিবেশ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব তিনি পালন করেন। ২০২৫ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি তিনি না ফেরার দেশে চলে যান।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow