ফরিদপুরে তরুণীকে ধর্ষণে দায়ে প্রতিবেশীর যাবজ্জীবন

ফরিদপুরের ভাঙ্গাতে প্রতিবেশী এক তরুণীকে (২৭) ধর্ষণের দায়ে জামান খালাসী (৫২) নামের এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুর ৩টার দিকে ফরিদপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক শামীমা পারভীন এ রায় দেন। আদালত সূত্রে জানা যায়, আসামির অনুপস্থিতিতেই রায় ঘোষণা করা হয়। পরে আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। জামান খালাসী ভাঙ্গা উপজেলার আজিমনগর ইউনিয়নের একটি গ্রামের বাসিন্দা। মামলার বিবরণ থেকে জানা গেছে, ২০১৬ সালে ওই তরুণীর বিয়ে হয় পাশের একটি গ্রামে। স্বামীর সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় তিনি বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। ২০১৮ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বাড়ির পাশের একটি দোকান থেকে ফেরার পথে জামান খালাসী ও তার এক অজ্ঞাত সহযোগী তাকে জোরপূর্বক বাড়ির পাশের একটি কালাই ক্ষেতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। পরে তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে তারা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় পরদিন ২৫ ফেব্রুয়ারি ভুক্তভোগী নারী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ভাঙ্গা থানায় একটি মাম

ফরিদপুরে তরুণীকে ধর্ষণে দায়ে প্রতিবেশীর যাবজ্জীবন

ফরিদপুরের ভাঙ্গাতে প্রতিবেশী এক তরুণীকে (২৭) ধর্ষণের দায়ে জামান খালাসী (৫২) নামের এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুর ৩টার দিকে ফরিদপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক শামীমা পারভীন এ রায় দেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, আসামির অনুপস্থিতিতেই রায় ঘোষণা করা হয়। পরে আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। জামান খালাসী ভাঙ্গা উপজেলার আজিমনগর ইউনিয়নের একটি গ্রামের বাসিন্দা।

মামলার বিবরণ থেকে জানা গেছে, ২০১৬ সালে ওই তরুণীর বিয়ে হয় পাশের একটি গ্রামে। স্বামীর সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় তিনি বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। ২০১৮ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বাড়ির পাশের একটি দোকান থেকে ফেরার পথে জামান খালাসী ও তার এক অজ্ঞাত সহযোগী তাকে জোরপূর্বক বাড়ির পাশের একটি কালাই ক্ষেতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। পরে তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে তারা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় পরদিন ২৫ ফেব্রুয়ারি ভুক্তভোগী নারী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ভাঙ্গা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় জামান খালাসীর পাশাপাশি এক অজ্ঞাত সহযোগীকেও আসামি করা হয়।

মামলাটি তদন্ত করেন ভাঙ্গা থানার তৎকালীন পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মিরাজ হোসেন। তিনি ২০১৮ সালের ১৮ জুন মামলার তদন্ত শেষে জামান খালাসীকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

এ বিষয়ে আদালতের পিপি গোলাম রব্বানী বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে আদালত এ সাজা প্রদান করেছেন। রায়ের সময় আসামি অনুপস্থিত থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

এন কে বি নয়ন/কেএইচকে/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow