ফরিদপুরে তুমুল সংঘর্ষ
ফরিদপুরের সালথায় জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ১০ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের বাতাগ্রাম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ চলাকালীন কয়েকটি বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে হেমায়েত মাতুব্বর ও মো. ফারুক মাতুব্বরের সমর্থকদের মধ্যে জমিসংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। বৃহস্পতিবার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা জমি মাপার মাধ্যমে সালিশের চেষ্টা করলে উভয়পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে কথাকাটাকাটি ও হাতাহাতি শুরু হয়। একপর্যায় প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ সমর্থক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষ প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চলে। জানা গেছে, সংঘর্ষের সময় মেহেদী মুন্সী, মিন্টু মুন্সী, সেলিম মুন্সী, হালিম মীর, মান্দার শেখ, মিজা, সেলিম চোকদার ও আসাদ শেখের বসতবাড়িতে হামলা চালানো হয়। এতে ১০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে আব্বাস মাতুব্বর, তমিজদ্দিন মাতুব্বর, আসাদ শেখ, রাজ্জাক শেখ, পিকুল মাতুব্বর, লিটন মীর ও আলিম মীরকে নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ
ফরিদপুরের সালথায় জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ১০ জন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের বাতাগ্রাম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ চলাকালীন কয়েকটি বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে হেমায়েত মাতুব্বর ও মো. ফারুক মাতুব্বরের সমর্থকদের মধ্যে জমিসংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। বৃহস্পতিবার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা জমি মাপার মাধ্যমে সালিশের চেষ্টা করলে উভয়পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে কথাকাটাকাটি ও হাতাহাতি শুরু হয়। একপর্যায় প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ সমর্থক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষ প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চলে।
জানা গেছে, সংঘর্ষের সময় মেহেদী মুন্সী, মিন্টু মুন্সী, সেলিম মুন্সী, হালিম মীর, মান্দার শেখ, মিজা, সেলিম চোকদার ও আসাদ শেখের বসতবাড়িতে হামলা চালানো হয়। এতে ১০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে আব্বাস মাতুব্বর, তমিজদ্দিন মাতুব্বর, আসাদ শেখ, রাজ্জাক শেখ, পিকুল মাতুব্বর, লিটন মীর ও আলিম মীরকে নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
এদিকে এ বিষয়ে জানতে হেমায়েত মাতুব্বর ও ফারুক মাতুব্বরের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে সংযোগ পাওয়া যায় নি।
সালথা থানার ওসি ইন্দ্রজিৎ মল্লিক জানান, ‘সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। এলাকায় পরিবেশ এখন শান্ত রয়েছে। অভিযোগ থাকলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
What's Your Reaction?