ফরিদপুরে ভারী বর্ষণে ধসে গেছে সড়ক, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ
ফরিদপুরের সদরপুরে টানা ভারী বর্ষণে ঢেউখালী ইউনিয়নের পিয়াজখালী-চন্দ্রপাড়া সড়কের একটি অংশ ধসে গেছে। এতে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে এবং চরম দুর্ভোগে পড়েছেন হাজারো মানুষ। স্থানীয়রা জানান, উপজেলার পিয়াজখালী বাজার থেকে চন্দ্রপাড়া হয়ে ফরিদপুর-তাড়াইল সড়কের সঙ্গে সংযুক্ত এই সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন হাজারো মানুষ ও বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচল করে। এছাড়া পিয়াজখালী এলাকার শয়তানখালী ঘাট থেকে বিভিন্ন পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রেও সড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে সড়কের একটি বড় অংশ ধসে গেছে। অবশিষ্ট অংশও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে এবং যেকোনো সময় সেটিও ধসে পড়তে পারে। এতে পুরোপুরি সড়কের যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে সড়কসংলগ্ন কয়েকটি পাকা দোকানঘরও হুমকির মুখে রয়েছে। আরও পড়ুন পানিতে থইথই ফরিদপুর হাসপাতাল স্থানীয় বাসিন্দা আবু দাউদ শেখ বলেন, গত কয়েকদিনের প্রবল বৃষ্টিতে সড়কটি ধসে গেছে। দ্রুত সংস্কার করা না হলে যেকোনো সময় যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে। এতে সাধারণ মানুষ ও যাত্রীবাহী যানবাহনের চালকদের দুর্ভোগ চরম আকারে বাড়বে। ভ্যানচালক নুরু ইসলাম বলেন,
ফরিদপুরের সদরপুরে টানা ভারী বর্ষণে ঢেউখালী ইউনিয়নের পিয়াজখালী-চন্দ্রপাড়া সড়কের একটি অংশ ধসে গেছে। এতে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে এবং চরম দুর্ভোগে পড়েছেন হাজারো মানুষ।
স্থানীয়রা জানান, উপজেলার পিয়াজখালী বাজার থেকে চন্দ্রপাড়া হয়ে ফরিদপুর-তাড়াইল সড়কের সঙ্গে সংযুক্ত এই সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন হাজারো মানুষ ও বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচল করে। এছাড়া পিয়াজখালী এলাকার শয়তানখালী ঘাট থেকে বিভিন্ন পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রেও সড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে সড়কের একটি বড় অংশ ধসে গেছে। অবশিষ্ট অংশও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে এবং যেকোনো সময় সেটিও ধসে পড়তে পারে। এতে পুরোপুরি সড়কের যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে সড়কসংলগ্ন কয়েকটি পাকা দোকানঘরও হুমকির মুখে রয়েছে।

পানিতে থইথই ফরিদপুর হাসপাতাল
স্থানীয় বাসিন্দা আবু দাউদ শেখ বলেন, গত কয়েকদিনের প্রবল বৃষ্টিতে সড়কটি ধসে গেছে। দ্রুত সংস্কার করা না হলে যেকোনো সময় যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে। এতে সাধারণ মানুষ ও যাত্রীবাহী যানবাহনের চালকদের দুর্ভোগ চরম আকারে বাড়বে।
ভ্যানচালক নুরু ইসলাম বলেন, বলাশিয়া ঘাট থেকে বিভিন্ন মালামাল এই সড়ক দিয়ে পিয়াজখালী হাটে আনা-নেওয়া করা হয়। রাস্তাটি বন্ধ হয়ে গেলে আমরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হব। তাই দ্রুত ভাঙনরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
ঢেউখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বয়াতি বলেন, প্রতি বর্ষা মৌসুমে এই স্থানে সড়কে ভাঙন দেখা দেয়। উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রকৌশলীকে জানানো হয়েছে। তারা সংস্করণের আশ্বাস দিয়েছেন।
সদরপুর উপজেলা প্রকৌশলী (স্থানীয় সরকার বিভাগ) আবুল কালাম আজাদ বলেন, বিষয়টি আমরা জানতে পেরেছি। স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। খুব দ্রুতই কাজ শুরু করা হবে।
এন কে বি নয়ন/এনএইচআর
What's Your Reaction?