ফরিদপুরে মাদক কারবারি সন্দেহে গণপিটুনি-গাড়িতে আগুন

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে মাদক কারবারি সন্দেহে মামুন মোল্লা (৪১) নামে এক ব্যক্তিকে গণপিটুনি দিয়ে তার ব্যবহৃত গাড়িতে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ‎সোমবার (২২ জুন) দিনগত রাতে উপজেলার পরমেশ্বরদী ইউনিয়নের মালিখালী বাজারে এ ঘটনা ঘটে। মামুন মোল্লা উপজেলার পরমেশ্বর্দী গ্রামের মানিক মোল্লার ছেলে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মামুন মোল্লা দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবারির সঙ্গে জড়িত। অপরদিকে মামুন মোল্লার পরিবারের দাবি, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার ওপর হামলা চালিয়ে গাড়িতে আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। ‎‎পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মামুন মোল্লা একটি প্রাইভেটকার নিয়ে এলাকায় আসলে কয়েকজন তাকে মাদক কারবারি বলে চিহ্নিত করে। একপর্যায়ে সেখানে লোকজন জড়ো হয়ে তাকে মারধর করে। পরে উত্তেজিত জনতা তার ব্যবহৃত প্রাইভেটকারে ভাঙচুর চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহত মামুনকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।‎‎মামুনের বাবা মানিক মোল্লা বলেন, আমার ছেলে ফরিদপুর আদালতে একটি মামলার হাজিরা দিয়ে বাড়িতে এসেছিলো। দুপুরে খাওয়া-দাওয়া শেষে ঢাকায়

ফরিদপুরে মাদক কারবারি সন্দেহে গণপিটুনি-গাড়িতে আগুন

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে মাদক কারবারি সন্দেহে মামুন মোল্লা (৪১) নামে এক ব্যক্তিকে গণপিটুনি দিয়ে তার ব্যবহৃত গাড়িতে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

সোমবার (২২ জুন) দিনগত রাতে উপজেলার পরমেশ্বরদী ইউনিয়নের মালিখালী বাজারে এ ঘটনা ঘটে। মামুন মোল্লা উপজেলার পরমেশ্বর্দী গ্রামের মানিক মোল্লার ছেলে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, মামুন মোল্লা দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবারির সঙ্গে জড়িত। অপরদিকে মামুন মোল্লার পরিবারের দাবি, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার ওপর হামলা চালিয়ে গাড়িতে আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে।

‎পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মামুন মোল্লা একটি প্রাইভেটকার নিয়ে এলাকায় আসলে কয়েকজন তাকে মাদক কারবারি বলে চিহ্নিত করে। একপর্যায়ে সেখানে লোকজন জড়ো হয়ে তাকে মারধর করে। পরে উত্তেজিত জনতা তার ব্যবহৃত প্রাইভেটকারে ভাঙচুর চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহত মামুনকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

‎মামুনের বাবা মানিক মোল্লা বলেন, আমার ছেলে ফরিদপুর আদালতে একটি মামলার হাজিরা দিয়ে বাড়িতে এসেছিলো। দুপুরে খাওয়া-দাওয়া শেষে ঢাকায় যাওয়ার জন্য আত্মীয়ের প্রাইভেটকার নিয়ে বের হয়। পথে তাকে আটক করে মারধর করা হয় এবং গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। অথচ তার কাছে কোনো মাদক ছিল না।

‎তিনি দাবি করেন, কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও আদালতের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, মামুনের বিরুদ্ধে মাদক সংক্রান্ত মামলা রয়েছে। স্থানীয়রা তাকে মারধর করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে। তবে তার কাছ থেকে কোনো মাদক উদ্ধার হয়নি। গাড়ি ভাঙচুর ও আগুন দেওয়ার ঘটনায় অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আটক মামুন মোল্লাকে ফরিদপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে।

এন কে বি নয়ন/এনএইচআর/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow