ফরিদপুরে হাম কেড়ে নিলো আরও দুই শিশুর জীবন
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে গত পাঁচ মাসে হামে আক্রান্ত ও হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২০ জনে দাঁড়িয়েছে। মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুরে ফরিদপুর সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা যায়। মারা যাওয়া দুই শিশুর মধ্যে একজন গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার চন্ডীপর্দি গ্রামের বাসিন্দা বরকত শেখের সাত মাস বয়সী ছেলে আয়ান শেখ। অপরজন ফরিদপুর সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর এলাকার রাফসান মোল্লার দুই বছর বয়সী মেয়ে আদিবা। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, হামে আক্রান্ত হয়ে দুই শিশু ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি ছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার রাতে তাদের মৃত্যু হয়। স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের শুরু থেকেই ফরিদপুর অঞ্চলে হামের প্রকোপ বেড়েছে। আক্রান্তদের বেশিরভাগই শিশু। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘অভিভাবকদের অবশ্যই শিশুদের নিয়মিত টিকাদানের আওতায় আনতে হবে। টিকাই হামের বিরুদ্ধ
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে গত পাঁচ মাসে হামে আক্রান্ত ও হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২০ জনে দাঁড়িয়েছে।
মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুরে ফরিদপুর সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা যায়।
মারা যাওয়া দুই শিশুর মধ্যে একজন গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার চন্ডীপর্দি গ্রামের বাসিন্দা বরকত শেখের সাত মাস বয়সী ছেলে আয়ান শেখ। অপরজন ফরিদপুর সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর এলাকার রাফসান মোল্লার দুই বছর বয়সী মেয়ে আদিবা।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, হামে আক্রান্ত হয়ে দুই শিশু ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি ছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার রাতে তাদের মৃত্যু হয়।
স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের শুরু থেকেই ফরিদপুর অঞ্চলে হামের প্রকোপ বেড়েছে। আক্রান্তদের বেশিরভাগই শিশু। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘অভিভাবকদের অবশ্যই শিশুদের নিয়মিত টিকাদানের আওতায় আনতে হবে। টিকাই হামের বিরুদ্ধে সবচেয়ে কার্যকর সুরক্ষা।’
তিনি আরও বলেন, ‘জেলার প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হামে আক্রান্ত রোগীদের জন্য পৃথক ইউনিট চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালেও বিশেষ চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা হচ্ছে।
চলমান বিশেষ টিকাদান ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুদের দ্রুত টিকার আওতায় আনা হচ্ছে জানিয়ে সিভিল সার্জন বলেন, আমরা আশা করছি, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার কমে আসবে।
এন কে বি নয়ন/এসআর/জেআইএম
What's Your Reaction?