ফরিদপুর-২: ভোটের ময়দানে হাড্ডাহাডি লড়াই, টানটান উত্তেজনা
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর-২ (নগরকান্দা- সালথা উপজেলা) আসনে ভোটের মাঠে সৃষ্টি হয়েছে হাড্ডাহাডি লড়াই। শেষ মুহূর্তের হিসাব-নিকাশে জয়-পরাজয়ের সমীকরণ নিয়ে সর্বত্র টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে। এই আসনে প্রধান দুই প্রার্থী হলেন, দশ দলীয় জোট সমর্থিত বাংলাদেশ খেলাফত মসলিস মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী আল্লামা শাহ্ আকরাম আলী। তিঁনি ফরিদপুরের সর্বজন শ্রদ্ধেয় বর্ষীয়ান আলেম এবং বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু। তিঁনি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মহাসচিব কে এম ওবায়দুর রহমানের কন্যা। প্রধান দুই প্রার্থীর মধ্যে ভোটের ব্যবধান খুবই কম হবে বলে ধারণা করছেন স্থানীয় রাজনীতিক ও ভোটাররা। নির্বাচনী প্রচারণার শেষ দিকে উভয় পক্ষই গণসংযোগ ও জনসমর্থন আদায়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। সভা-সমাবেশ, উঠান বৈঠক ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার তুঙ্গে। নির্বাচনী এলাকাগুলোতে প্রচারণা এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে। পথসভা, গণসংযোগ ও ঘরে ঘরে ভোট চাওয়ার মধ্য দিয়ে ভোটারদের মন জয় করার চেষ্টা করছেন প্রার্থীরা। কে এগিয়ে, কে পিছিয়ে এ নিয়ে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। স্থানীয়
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর-২ (নগরকান্দা- সালথা উপজেলা) আসনে ভোটের মাঠে সৃষ্টি হয়েছে হাড্ডাহাডি লড়াই। শেষ মুহূর্তের হিসাব-নিকাশে জয়-পরাজয়ের সমীকরণ নিয়ে সর্বত্র টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এই আসনে প্রধান দুই প্রার্থী হলেন, দশ দলীয় জোট সমর্থিত বাংলাদেশ খেলাফত মসলিস মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী আল্লামা শাহ্ আকরাম আলী। তিঁনি ফরিদপুরের সর্বজন শ্রদ্ধেয় বর্ষীয়ান আলেম এবং বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু। তিঁনি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মহাসচিব কে এম ওবায়দুর রহমানের কন্যা।
প্রধান দুই প্রার্থীর মধ্যে ভোটের ব্যবধান খুবই কম হবে বলে ধারণা করছেন স্থানীয় রাজনীতিক ও ভোটাররা। নির্বাচনী প্রচারণার শেষ দিকে উভয় পক্ষই গণসংযোগ ও জনসমর্থন আদায়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। সভা-সমাবেশ, উঠান বৈঠক ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার তুঙ্গে। নির্বাচনী এলাকাগুলোতে প্রচারণা এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে। পথসভা, গণসংযোগ ও ঘরে ঘরে ভোট চাওয়ার মধ্য দিয়ে ভোটারদের মন জয় করার চেষ্টা করছেন প্রার্থীরা। কে এগিয়ে, কে পিছিয়ে এ নিয়ে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা।
স্থানীয় ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মাদক ও চাঁদাবাজ নির্মূল, উন্নয়ন, কর্মসংস্থান এবং এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা ইস্যু এবার ভোটের মূল আলোচনায় রয়েছে। অনেক ভোটার এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাননি, যা নির্বাচনের ফলাফলকে আরও অনিশ্চিত করে তুলেছে।
সরেজমিন থেকে জানা যায়, ভোটারদের একটি বৃহৎ অংশ তাদের পছন্দের প্রার্থীর নাম প্রকাশ করতে অনিচ্ছুক। রাজনৈতিক নেতাদের রেষারেষি থেকে রক্ষা পেতেই হয়তো তারা এমন কৌশল অবলম্বন করছেন। তবে নিরব ভোটারদের বেশিরভাগ ভোট যাঁদের বাক্সে যাবে শেষ হাসিটা হয়তো তাঁরা-ই হাসবে। সব মিলিয়ে ফরিদপুর-২ আসনে কে হাসবে শেষ হাসি তা জানতে ভোটের দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
এবিষয়ে নগরকান্দা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শওকত আলী শরীফ বিডি২৪লাইভকে বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণভাবে সভা, সমাবেশ ও গণসংযোগ করছি। মাঠে সাধারণ ভোটারদের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। আশাকরি নগরকান্দা-সালথার মানুষ শামা ওবায়েদকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করবে।
আল্লামা শাহ্ আকরাম আলী'র মুখপাত্র মুফতি মুস্তাফিজুর রহমান বিডি২৪লাইভকে বলেন, নগরকান্দা-সালথা উপজেলায় দুর্নীতি, অন্যায়-জুলুম রুখে দিতে এবং ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে জনগণের অধিকার আদায়ে আমরা বদ্ধপরিকর। সমাজে শান্তি, নিরাপত্তা এবং দলমত নির্বিশেষে মানবিক নগরকান্দা সালথা গড়তে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। জনগণের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। আসন্ন সংসদ নির্বাচনে আমাদের রিকশা মার্কার একটি নিরব বিপ্লব হবে ইনশাল্লাহ্।
এদিকে সহকারী পুলিশ সুপার (নগরকান্দা-সালথা সার্কেল) মাহমুদুল হাসান বিডি২৪লাইভকে বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আমাদের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে। শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এখন পর্যন্ত কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
What's Your Reaction?