ফলবাগান দখল করে ইট-খোয়া মজুতের অভিযোগ ঠিকাদারের বিরুদ্ধে

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে এক ব্যক্তির ফলবাগানের জমি দখল করে বিপুল পরিমাণ ইট-খোয়া মজুদ এবং ভারী যন্ত্রপাতি চালিয়ে ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগ উঠেছে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। জমির মালিকের দাবি, অনুমতি ছাড়াই প্রায় চার মাস ধরে তার জমি ব্যবহার করা হচ্ছে। এ বিষয়ে একাধিকবার উপজেলা প্রশাসনের কাছে মৌখিক অভিযোগ দিয়েও সমাধান পাননি তিনি। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলার রায়গ্রাম ইউনিয়নের ভাতঘরা গ্রামের বাসিন্দা জালাল উদ্দীনের প্রায় ১০ বিঘা জমির ওপর চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময়ে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইট ও খোয়া মজুদ করে। একই সঙ্গে ফলবাগানের ভেতরে এক্সকাভেটর ও রুলার মেশিন চালানোর কারণে জমি ও গাছপালার ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। ভুক্তভোগী জালাল উদ্দীন বলেন, কোনো রকম অনুমতি ছাড়াই আমার ধরন্ত আম বাগানে বিপুল পরিমাণ ইট ও খোয়া মজুদ করেছেন প্রভাবশালী ঠিকাদার। পাশাপাশি জমি ও বাগানের ভেতরে ভারি এক্সকাভেটর ও রুলার চালানো হয়েছে। গত ৪ মাস ধরে এ ধরনের কর্মকাণ্ড করছেন ঠিকাদার কোম্পানিটি। এতে আমার প্রায় ৩ থেকে ৪ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। এ বিষয়ে বারবার নিষেধ করা হলেও প্রভাব খাটিয়ে জমি দখলে রেখেছে তারা। উপজে

ফলবাগান দখল করে ইট-খোয়া মজুতের অভিযোগ ঠিকাদারের বিরুদ্ধে

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে এক ব্যক্তির ফলবাগানের জমি দখল করে বিপুল পরিমাণ ইট-খোয়া মজুদ এবং ভারী যন্ত্রপাতি চালিয়ে ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগ উঠেছে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। জমির মালিকের দাবি, অনুমতি ছাড়াই প্রায় চার মাস ধরে তার জমি ব্যবহার করা হচ্ছে। এ বিষয়ে একাধিকবার উপজেলা প্রশাসনের কাছে মৌখিক অভিযোগ দিয়েও সমাধান পাননি তিনি।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলার রায়গ্রাম ইউনিয়নের ভাতঘরা গ্রামের বাসিন্দা জালাল উদ্দীনের প্রায় ১০ বিঘা জমির ওপর চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময়ে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইট ও খোয়া মজুদ করে। একই সঙ্গে ফলবাগানের ভেতরে এক্সকাভেটর ও রুলার মেশিন চালানোর কারণে জমি ও গাছপালার ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

ভুক্তভোগী জালাল উদ্দীন বলেন, কোনো রকম অনুমতি ছাড়াই আমার ধরন্ত আম বাগানে বিপুল পরিমাণ ইট ও খোয়া মজুদ করেছেন প্রভাবশালী ঠিকাদার। পাশাপাশি জমি ও বাগানের ভেতরে ভারি এক্সকাভেটর ও রুলার চালানো হয়েছে। গত ৪ মাস ধরে এ ধরনের কর্মকাণ্ড করছেন ঠিকাদার কোম্পানিটি। এতে আমার প্রায় ৩ থেকে ৪ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। এ বিষয়ে বারবার নিষেধ করা হলেও প্রভাব খাটিয়ে জমি দখলে রেখেছে তারা।

উপজেলা প্রশাসনের কাছে বারবার অভিযোগ দিলেও তারা কর্ণপাত করছেন না দাবি করে তিনি বলেন, প্রশাসনকে বারবার এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে অনুরোধ করা হলেও তেমন কোনো উদ্যোগ তারা নেয়নি।

এ বিষয়ে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বরত কর্মকর্তা আজিম হোসেন বলেন, অনুমতি ছাড়া কি কারো বাগান বা জমিতে মালামাল রাখা যায়? জমির মালিকের কাছ থেকে অনুমতি নেওয়া আছে।

বাগান ও জমির ক্ষয়ক্ষতির কথা স্বীকার করে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের ওই প্রতিনিধি অতিদ্রুত বাগান থেকে মালামাল সরিয়ে নেওয়া হবে বলে জানান। তবে জমির মালিকের দাবি করা ক্ষতিপূরণ দিতে অস্বীকৃতি জানান তিনি।

ঠিকাদারের এ প্রতিনিধি বলেন, এটা তো সরকারি কাজ। তাই, এতে কোনো ক্ষতি পূরণ আমরা দিতে পারব না ৷ বাগানের মাটি আমরা সমান করে দিতে পারি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা নাহিদ বলেন, এ ধরনের একটি ঘটনার খবর পেয়েছি। উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলীকে বিষয়টির খোঁজখবর ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছি। উপজেলা প্রকৌশলী বিষয়টি দেখছেন।

এ ব্যাপারে কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী (এলজিইডি) সৈয়দ শাহরিয়ার আকাশের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোনকল রিসিভ করেননি।

এম শাহাজান/কেএইচকে/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow