ফলাফল জানতে স্কুলে আসে না কেউ, নোটিশ বোর্ডে নেই সেই চিরচেনা ভিড়
এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে সব বিষয়ে জিপিএ-৫ পেয়ে ‘গোল্ডেন এ প্লাস’ পেয়েছেন রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী সেন্ট গ্রেগরি হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী অরিত্র ভট্টাচার্য। বাসা থেকেই জেনেছেন ফলাফল, আনন্দ ভাগ করেছেন পরিবারের সঙ্গে। পরে শিক্ষকদের সঙ্গে দেখা করতে ছুটে আসেন স্কুলে। স্কুলে এসে প্রতিষ্ঠানপ্রধানের দপ্তরের সামনে অপেক্ষা করছিলেন অরিত্র। প্রতিষ্ঠানপ্রধান তখন একটি সভায় থাকায় তার সঙ্গে দেখা করার অপেক্ষায় ছিলেন তিনি। এর মধ্যেই পরিচিতরা একে একে এসে তার ফলাফল জানতে চাইছিলেন। অরিত্রও হাসিমুখে জানাচ্ছিলেন নিজের সাফল্যের খবর। ফল জানার জন্য একসময় শিক্ষার্থীদের অপেক্ষার শেষ ঠিকানা ছিল স্কুলের নোটিশ বোর্ড। কখন ফলাফলের তালিকা টাঙানো হবে, সেই অপেক্ষায় সকাল থেকেই স্কুলে ভিড় করতেন পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা। এখন সেই চিত্র অনেকটাই বদলে গেছে, ঘরে বসেই ফল জেনে নিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। তবে ফল জানার পর প্রিয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফিরে আসার আনন্দটা যেন এখনো আগের মতোই আছে। সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় সারাদেশে একযোগে প্রকাশ করা হয় ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল। পুরান ঢাকার লক্ষ্মীবাজারের সুবাস ব
এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে সব বিষয়ে জিপিএ-৫ পেয়ে ‘গোল্ডেন এ প্লাস’ পেয়েছেন রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী সেন্ট গ্রেগরি হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী অরিত্র ভট্টাচার্য। বাসা থেকেই জেনেছেন ফলাফল, আনন্দ ভাগ করেছেন পরিবারের সঙ্গে। পরে শিক্ষকদের সঙ্গে দেখা করতে ছুটে আসেন স্কুলে।
স্কুলে এসে প্রতিষ্ঠানপ্রধানের দপ্তরের সামনে অপেক্ষা করছিলেন অরিত্র। প্রতিষ্ঠানপ্রধান তখন একটি সভায় থাকায় তার সঙ্গে দেখা করার অপেক্ষায় ছিলেন তিনি। এর মধ্যেই পরিচিতরা একে একে এসে তার ফলাফল জানতে চাইছিলেন। অরিত্রও হাসিমুখে জানাচ্ছিলেন নিজের সাফল্যের খবর।
ফল জানার জন্য একসময় শিক্ষার্থীদের অপেক্ষার শেষ ঠিকানা ছিল স্কুলের নোটিশ বোর্ড। কখন ফলাফলের তালিকা টাঙানো হবে, সেই অপেক্ষায় সকাল থেকেই স্কুলে ভিড় করতেন পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা। এখন সেই চিত্র অনেকটাই বদলে গেছে, ঘরে বসেই ফল জেনে নিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। তবে ফল জানার পর প্রিয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফিরে আসার আনন্দটা যেন এখনো আগের মতোই আছে।
সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় সারাদেশে একযোগে প্রকাশ করা হয় ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল। পুরান ঢাকার লক্ষ্মীবাজারের সুবাস বোস অ্যাভিনিউয়ে অবস্থিত ১৪৪ বছরের ঐতিহ্যবাহী সেন্ট গ্রেগরি হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজেও ছিল ফল প্রকাশের দিনের ব্যস্ততা। তবে আগের মতো নোটিশ বোর্ডের সামনে শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের ভিড় দেখা যায়নি। এর মধ্যেই অরিত্র ভট্টাচার্যের সঙ্গে কথা হয় এই প্রতিবেদকের।
‘জিপিএ-৫ পাওয়ার পর ভয়টা কেটে গেছে’
এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের মুহূর্তের অভিজ্ঞতা জানিয়ে অরিত্র ভট্টাচার্য জাগো নিউজকে বলেন, ফলাফল দেখার জন্য ওয়েবসাইটে ঢোকার পর অনেকক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়েছে। সার্ভারে সমস্যা থাকায় ফলাফল পেতে দেরি হচ্ছিল। অপেক্ষার সময় স্বাভাবিকভাবেই উৎকণ্ঠা বাড়ছিল।
তবে শেষ পর্যন্ত যখন ফলাফলে জিপিএ-৫ দেখেন, তখন তার আনন্দের সীমা ছিল না। বিশেষ করে গণিত, ইংরেজি ও উচ্চতর গণিতের মতো বিষয় নিয়ে যে ভয় ও দুশ্চিন্তা ছিল, ফলাফল পাওয়ার পর তা অনেকটাই কেটে গেছে বলে জানান তিনি।
অরিত্র জানান, ফলাফল পাওয়ার পর তিনি প্রথমে পরিবারের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নেন। এরপর শিক্ষকদের সঙ্গে দেখা করতে স্কুলে চলে আসেন। কারণ, তার এই সাফল্যের পেছনে শিক্ষক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবদানও রয়েছে বলে মনে করেন তিনি।
এসএসসিতে গোল্ডেন এ প্লাস পেয়েছেন সেন্ট গ্রেগরি হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী অরিত্র ভট্টাচার্য/ছবি: জাগো নিউজ
অরিত্রের ভালো ফলের পেছনে শুধু নিজের নিয়মিত প্রস্তুতিই নয়, অনলাইন শিক্ষারও ভূমিকা রয়েছে। তিনি বিশেষভাবে কিছু কৌশলের কথাও উল্লেখ করেন।
তার ভাষ্য, পরীক্ষার আগে দ্রুত রিভিশন দেওয়ার ক্ষেত্রে এসব ক্লাস ও কৌশল তাকে সহায়তা করেছে। অল্প সময়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো ঝালিয়ে নেওয়া এবং পরীক্ষার প্রস্তুতি গুছিয়ে নিতে অনলাইন ক্লাসগুলো কাজে এসেছে।
তবে সাফল্যের কৃতিত্ব শুধু নিজের প্রস্তুতিতে সীমাবদ্ধ রাখেননি অরিত্র। বাবা-মা, বড় ভাই ও বন্ধুদের সমর্থন এবং অনুপ্রেরণাকেও তার এই ফলাফলের অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি।
ফলের আগে দুশ্চিন্তা, বাবাকে ফোনে সুখবর
ফল প্রকাশের আগে অরিত্রেরও অনেক দুশ্চিন্তা হচ্ছিল। ওয়েবসাইটে ফলাফল দেখার সময় তার হৃৎস্পন্দন বেড়ে গিয়েছিল বলে জানান তিনি। বিশেষ করে গণিত, ইংরেজি ও উচ্চতর গণিত নিয়ে পরীক্ষার পর থেকেই যে ভয় ছিল, ফলাফল প্রকাশের আগ পর্যন্ত সেটি কাজ করছিল।
শেষ পর্যন্ত জিপিএ-৫ পাওয়ার পর সেই ভয় দূর হয়। এরপর বাবাকে ফোন করে সুখবর জানান অরিত্র। ছেলের মুখ থেকে জিপিএ-৫ পাওয়ার খবর শুনে তার বাবাও আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। অরিত্র জানান, ফলাফল নিয়ে বাবা-মায়ের মনের যে ভয় ও দুশ্চিন্তা ছিল, ভালো ফলের খবর পাওয়ার পর সেটিও দূর হয়ে যায়।
বিকেলে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা, রাতে বাসায় বিশেষ আয়োজন
ফল প্রকাশের দিনটি উদযাপনের পরিকল্পনাও করে রেখেছেন অরিত্র। বিকেলে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা ও খাওয়া-দাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তার। আর রাতে বাসায় তার সাফল্য উপলক্ষে বিশেষ খাবারের আয়োজন করা হয়েছে।
তবে নিজের আনন্দের পাশাপাশি অন্য শিক্ষার্থীদের ফল দেখতে না পারার বিষয়টিও উল্লেখ করেন অরিত্র। তিনি বলেন, সার্ভার ডাউনের কারণে অনেক শিক্ষার্থী এখনো সময়মতো ফলাফল দেখতে পারেনি। ফলে অনেকে সময়মতো স্কুলেও আসতে পারেনি।
এখন অরিত্রের সামনে নতুন শিক্ষাজীবন। এসএসসির ফল প্রকাশের পর কলেজে ভর্তির প্রক্রিয়ার দিকে তাকিয়ে আছেন তিনি। পরবর্তী ধাপে কোথায় এবং কীভাবে পড়াশোনা এগিয়ে নেবেন, সেটিই এখন তার ভাবনায়।
নোটিশ বোর্ডে নেই সেই চেনা ভিড়
অরিত্র যখন স্কুলে এসে প্রতিষ্ঠানপ্রধানের দপ্তরের সামনে অপেক্ষা করছিলেন, তখন পুরো ক্যাম্পাসের চিত্র ছিল আগের বছরগুলোর তুলনায় অনেকটাই ভিন্ন। ফল প্রকাশের দিন সকাল থেকেই যেখানে নোটিশ বোর্ডের সামনে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ভিড় থাকার কথা, সেখানে ছিল অনেকটাই নীরবতা।
সরেজমিনে দেখা যায়, সকাল ১০টার দিকে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান ফটকের পাশে থাকা নোটিশ বোর্ডে শিক্ষার্থীদের অনুপস্থিতির জরিমানাসংক্রান্ত তালিকা ঝোলানো ছিল। সেখানে এসএসসি ফলাফলের জন্য অপেক্ষমাণ শিক্ষার্থীদের কোনো উপস্থিতি দেখা যায়নি। কয়েকজন অভিভাবক অবশ্য ক্লাস ছুটির অপেক্ষায় ছিলেন।
প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এখন অধিকাংশ শিক্ষার্থী অনলাইনেই ফলাফল দেখে নেয়। ফল প্রকাশের পর কেউ কেউ বন্ধু, শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের সঙ্গে দেখা করতে ক্যাম্পাসে আসে।
প্রযুক্তির কল্যাণে এখন ঘরে বসেই জানা যায় ফলাফল, সে কারণে আর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভিড় দেখা যায় না/ছবি: জাগো নিউজ
প্রতিষ্ঠানটির একাডেমিক শাখার কর্মকর্তা সিপন জাগো নিউজকে বলেন, ফল প্রকাশের পর প্রতিষ্ঠানটির নোটিশ বোর্ডেও ফলাফল জানিয়ে দেওয়া হবে। তবে শিক্ষার্থীরা আগের মতো শুধু ফল জানার জন্য ক্যাম্পাসে আসে না। অনলাইনে ফল জানার সুযোগ থাকায় ঘরে বসেই তারা ফলাফল দেখতে পারে। কেউ কেউ ফল প্রকাশের পর বন্ধু ও শিক্ষকদের সঙ্গে দেখা করতে প্রতিষ্ঠানে আসে।
ছেলের ফল দেখে স্কুলে অভিভাবক
ছেলের ফলাফল বাসায় অনলাইনেই দেখেছেন অভিভাবক সিকদার আফজাল হোসেন। এরপর কাজে যাওয়ার আগে একবার স্কুলে এসেছিলেন তিনি।
সিকদার আফজাল হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, অনলাইনেই বাসায় ফলাফল দেখেছেন। কাজে যাওয়ার আগে একবার ছেলের স্কুলে এসেছিলেন- নোটিশ বোর্ডে ফলাফল লাগানো হয়েছে কি না কিংবা অন্য কোনো নির্দেশনা আছে কি না, তা জানার জন্য।
তবে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির নোটিশ বোর্ডে এসএসসি ফলাফল ঝোলানো হয়নি। হাতে গোনা কয়েকজন শিক্ষার্থী ফলাফল জানার জন্য প্রতিষ্ঠানটিতে আসে।
অভিভাবক মহসিনুল ইসলামও বলেন, ফল জানার জন্য শিক্ষার্থীদের সেই বোর্ড ঘিরে দীর্ঘ অপেক্ষার দৃশ্য অনেকটাই হারিয়ে গেছে। সকালবেলা নোটিশ বোর্ডের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকজনের চোখে বরং ছিল অন্য ব্যস্ততা। কেউ অপেক্ষা করছিলেন ক্লাস ছুটির, কেউ হয়তো পরিচিত কারও সঙ্গে দেখা করার জন্য।
মুঠোফোনে বদলে গেছে ফল জানার ধরন
একসময় এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের দিন শিক্ষার্থীদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্থান ছিল বিদ্যালয়ের নোটিশ বোর্ড। ফলাফলের তালিকা হাতে আসার পর সেটি বোর্ডে টাঙানো পর্যন্ত অপেক্ষা করতেন সবাই। এরপর শুরু হতো নিজের রোল নম্বর খোঁজার ব্যস্ততা।
ডিজিটাল ব্যবস্থার বিস্তারের সঙ্গে সেই চিত্র বদলে গেছে। এখন ফল প্রকাশের নির্ধারিত সময়েই শিক্ষার্থীরা মুঠোফোন হাতে নিয়ে অনলাইনে প্রবেশ করে ফলাফল দেখছে। কেউ নিজের মোবাইল ফোনে, কেউ পরিবারের সদস্যদের ফোনে আবার কেউ ইন্টারনেটের মাধ্যমে ফল জেনে নিচ্ছে। ফলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নোটিশ বোর্ডের সামনে দীর্ঘ অপেক্ষার প্রয়োজন হচ্ছে না।
অরিত্রের ঘটনাটিও সেই পরিবর্তনেরই একটি উদাহরণ। ফল জানার জন্য তাকে স্কুলে অপেক্ষা করতে হয়নি। ওয়েবসাইটে ফল দেখে বাসায় পরিবারের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করেছেন। এরপর স্কুলে এসেছেন সেই আনন্দ শিক্ষক-বন্ধুদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে।
দুই মাসের অপেক্ষার পর ফল
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছিল ২১ এপ্রিল। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ২০ মে। আর দাখিল ও এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার লিখিত অংশ শেষ হয় ২৪ মে।
সাধারণত লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। সে হিসাবে ২০ জুলাইয়ের মধ্যে ফল প্রকাশের প্রত্যাশা ছিল। তবে বিভিন্ন কারণে নির্ধারিত সময়ের পর প্রায় তিন সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হয়েছে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের। শেষ পর্যন্ত ১০ আগস্ট ফল প্রকাশের দিন নির্ধারণ করা হয়।
পরীক্ষার্থী প্রায় সাড়ে ১৮ লাখ
এ বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিতে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেন। এর মধ্যে সাধারণ নয়টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসিতে ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিলে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন পরীক্ষার্থী ছিলেন।
ফল প্রকাশের মধ্যদিয়ে দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান হয়েছে এসব শিক্ষার্থীর। অনেকের ঘরে এসেছে আনন্দের খবর, আবার অনেকেই এখন নতুন শিক্ষাজীবনের পরিকল্পনা শুরু করেছেন। অরিত্র ভট্টাচার্যের মতো শিক্ষার্থীদের কাছে ফলাফল শুধু একটি জিপিএ নয়- দীর্ঘ প্রস্তুতি, দুশ্চিন্তা, পরিবারের অপেক্ষা এবং শেষ পর্যন্ত স্বস্তি ও আনন্দের একটি মুহূর্ত।
এমডিএএ/ইএ
What's Your Reaction?