ফাঁকা বাসায় কিশোরীকে জুস খাইয়ে ধর্ষণ প্রতিবেশীর
চট্টগ্রাম নগরীর বাকলিয়ায় এক বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে মো. জামাল (৪০) নামের এক ব্যক্তিকে পুলিশে দিয়েছে বিক্ষুব্ধ জনতা। জানা গেছে, ভিকটিমের মা বাসায় না থাকার সুযোগে কিশোরীকে মাদকমিশ্রিত জুস খাইয়ে ধর্ষণ করা হয়েছে। রোববার (৩১ মে) বিকেল ৪টার দিকে নগরীর বাকলিয়া থানাধীন চাক্তাই ভেড়া মার্কেটে এলাকায় ওই ব্যক্তিকে পুলিশের কাছে হস্তন্তর করে জনতা। এর আগে শনিবার দুপুরে ওই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়। আটক জামালের বাড়ি ভোলা জেলায়। চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) হোসেন মোহাম্মদ কবির ভূঁইয়া বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, বাকলিয়া এলাকায় আনুমানিক ১৪-১৫ বছর বয়সী এক শারীরিকভাবে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন কিশোরী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। ঘটনা জানাজানি হলে রোববার বিকেলে স্থানীয় জনতা ঘটনায় জড়িত যুবককে আটক করে। খবর পেয়ে আমরা অভিযুক্ত যুবক জামালকে আটক করেছি। ভিকটিমকে উদ্ধার করে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠানো হয়েছে। এ পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তি
চট্টগ্রাম নগরীর বাকলিয়ায় এক বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে মো. জামাল (৪০) নামের এক ব্যক্তিকে পুলিশে দিয়েছে বিক্ষুব্ধ জনতা। জানা গেছে, ভিকটিমের মা বাসায় না থাকার সুযোগে কিশোরীকে মাদকমিশ্রিত জুস খাইয়ে ধর্ষণ করা হয়েছে।
রোববার (৩১ মে) বিকেল ৪টার দিকে নগরীর বাকলিয়া থানাধীন চাক্তাই ভেড়া মার্কেটে এলাকায় ওই ব্যক্তিকে পুলিশের কাছে হস্তন্তর করে জনতা। এর আগে শনিবার দুপুরে ওই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়। আটক জামালের বাড়ি ভোলা জেলায়।
চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) হোসেন মোহাম্মদ কবির ভূঁইয়া বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, বাকলিয়া এলাকায় আনুমানিক ১৪-১৫ বছর বয়সী এক শারীরিকভাবে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন কিশোরী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। ঘটনা জানাজানি হলে রোববার বিকেলে স্থানীয় জনতা ঘটনায় জড়িত যুবককে আটক করে। খবর পেয়ে আমরা অভিযুক্ত যুবক জামালকে আটক করেছি। ভিকটিমকে উদ্ধার করে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠানো হয়েছে।
এ পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তি ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। মূলত ভিকটিম এবং অভিযুক্ত ব্যক্তি পাশাপাশি বাসায় ভাড়া থাকতেন। ভিকটিমের বাবা সাগরে মাছ শিকারে যান। শনিবার বিকেলে ভিকটিমের মা বাসায় না থাকার সুযোগে কিশোরীকে নেশাযুক্ত জুস খাইয়ে ধর্ষণ করা হয়।
এমডিআইএইচ/এএমএ
What's Your Reaction?