ফাইনালের আগে বদলে যাচ্ছে বিশ্বকাপের অফিসিয়াল বল; কিন্তু কেন?

২০২৬ বিশ্বকাপের শেষ চার ম্যাচে দেখা যাবে নতুন চমক। সেমিফাইনাল, তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ এবং ফাইনালের জন্য অফিসিয়াল ম্যাচ বল অ্যাডিডাস ট্রিয়ন্ডার বিশেষ সোনালি সংস্করণ উন্মোচন করেছে অ্যাডিডাস। কানাডা, মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত চলতি বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ৯২টি ম্যাচে ট্রিয়ন্ডা ব্যবহার করে ২৬৯টি গোল হয়েছে। টুর্নামেন্টের শেষ পর্বকে আরও বিশেষ করে তুলতেই বলটির প্রিমিয়াম সংস্করণ আনা হয়েছে। মূল ট্রিয়ন্ডা বলে তিন স্বাগতিক দেশের প্রতীক হিসেবে লাল, সবুজ ও নীল রঙের পাশাপাশি তারা, ম্যাপল পাতা এবং অ্যাজটেক ঈগলের নকশা ছিল। নতুন সংস্করণে সেই নকশা অপরিবর্তিত থাকলেও পুরো বলটি সোনালি রঙে সাজানো হয়েছে, যা বিশ্বকাপ ট্রফির স্বর্ণালি আভা থেকে অনুপ্রাণিত। নতুন বলের প্রচারণায় অংশ নিয়েছেন আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি, ইংল্যান্ডের জুড বেলিংহাম এবং স্পেনের লামিনে ইয়ামাল। তবে এই তিন তারকাই নতুন বল দিয়ে খেলতে পারবেন শুধু নিজেদের সেমিফাইনাল জিততে পারলেই। বিশেষ সংস্করণের বলে সোনালি অক্ষরে লেখা হয়েছে শেষ চার ম্যাচের আয়োজক চার শহরের নাম—ডালাস, আটলান্টা, মায়ামি এবং নিউইয়র্ক/নিউ জার্সি। পাশাপাশি গ্রুপ পর্ব, রাউন

ফাইনালের আগে বদলে যাচ্ছে বিশ্বকাপের অফিসিয়াল বল; কিন্তু কেন?

২০২৬ বিশ্বকাপের শেষ চার ম্যাচে দেখা যাবে নতুন চমক। সেমিফাইনাল, তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ এবং ফাইনালের জন্য অফিসিয়াল ম্যাচ বল অ্যাডিডাস ট্রিয়ন্ডার বিশেষ সোনালি সংস্করণ উন্মোচন করেছে অ্যাডিডাস।

কানাডা, মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত চলতি বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ৯২টি ম্যাচে ট্রিয়ন্ডা ব্যবহার করে ২৬৯টি গোল হয়েছে। টুর্নামেন্টের শেষ পর্বকে আরও বিশেষ করে তুলতেই বলটির প্রিমিয়াম সংস্করণ আনা হয়েছে।

মূল ট্রিয়ন্ডা বলে তিন স্বাগতিক দেশের প্রতীক হিসেবে লাল, সবুজ ও নীল রঙের পাশাপাশি তারা, ম্যাপল পাতা এবং অ্যাজটেক ঈগলের নকশা ছিল। নতুন সংস্করণে সেই নকশা অপরিবর্তিত থাকলেও পুরো বলটি সোনালি রঙে সাজানো হয়েছে, যা বিশ্বকাপ ট্রফির স্বর্ণালি আভা থেকে অনুপ্রাণিত।

নতুন বলের প্রচারণায় অংশ নিয়েছেন আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি, ইংল্যান্ডের জুড বেলিংহাম এবং স্পেনের লামিনে ইয়ামাল। তবে এই তিন তারকাই নতুন বল দিয়ে খেলতে পারবেন শুধু নিজেদের সেমিফাইনাল জিততে পারলেই।

বিশেষ সংস্করণের বলে সোনালি অক্ষরে লেখা হয়েছে শেষ চার ম্যাচের আয়োজক চার শহরের নাম—ডালাস, আটলান্টা, মায়ামি এবং নিউইয়র্ক/নিউ জার্সি। পাশাপাশি গ্রুপ পর্ব, রাউন্ড অব ৩২ ও শেষ ষোলোর ম্যাচ আয়োজনকারী অন্যান্য শহরের নামও পটভূমিতে যুক্ত করা হয়েছে।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে এবারই প্রথম ফাইনাল পর্বের আগে অফিসিয়াল ম্যাচ বলের নকশায় এত বড় পরিবর্তন আনা হলো। এর আগে শুধু রঙে সামান্য পরিবর্তন আনা হলেও এবার বলটির পুরো ভিজ্যুয়াল ডিজাইনই নতুন করে সাজানো হয়েছে।

তবে একটি বিষয় নিয়ে কৌতূহল থেকেই যায়। ফিফা যখন তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচকে ‘ব্রোঞ্জ ফাইনাল’ নামে পরিচিত করতে চায়, তখন সেই ম্যাচের জন্য আলাদা কোনো ব্রোঞ্জ রঙের বল কেন তৈরি করা হলো না—প্রশ্নটি থেকেই যাচ্ছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow