ফাইনালের আগে মেসির হুঙ্কার, ‘স্পেনকে ভালো করেই চিনি’
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে রুদ্ধশ্বাস প্রত্যাবর্তনের জয়ে আবারও ম্যাচসেরা। দুইটি দুর্দান্ত অ্যাসিস্টে আর্জেন্টিনাকে ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে তুলেছেন লিওনেল মেসি। এবার শিরোপার লড়াইয়ে প্রতিপক্ষ স্পেন। দীর্ঘ ১৬ বছর বার্সেলোনায় খেলার অভিজ্ঞতা থেকে স্প্যানিশ ফুটবলকে খুব ভালো করেই চেনেন বলে জানিয়েছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। তবে তার মতে, বিশ্বকাপের ফাইনাল হওয়ায় ম্যাচটি হবে একেবারেই ভিন্ন এবং বিশেষ। বুধবার ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনাল নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা। পিছিয়ে পড়েও শেষ মুহূর্তে এনজো ফার্নান্দেজ ও লাউতারো মার্তিনেজের গোলে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন করে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। দুই গোলেই অ্যাসিস্ট করেন মেসি, আর সেই পারফরম্যান্সে ম্যাচসেরার পুরস্কারও জেতেন তিনি। আগামী রোববার নিউ জার্সিতে অনুষ্ঠিত হবে বিশ্বকাপের ফাইনাল, যেখানে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ স্পেন। ম্যাচটি নিয়ে নিজের অনুভূতি জানাতে গিয়ে মেসি বলেন, ‘স্পেন অসাধারণ একটি দল। তাদের দারুণ খেলোয়াড় আছে, খেলার ধরনও দুর্দান্ত। আমি দলটিকে খুব ভালো করেই চিনি। তারা যেভাবে খেলে, সেই ধরনের ফুটবল আমি বহু বছর খেলেছি। বার্সেলোনায়
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে রুদ্ধশ্বাস প্রত্যাবর্তনের জয়ে আবারও ম্যাচসেরা। দুইটি দুর্দান্ত অ্যাসিস্টে আর্জেন্টিনাকে ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে তুলেছেন লিওনেল মেসি। এবার শিরোপার লড়াইয়ে প্রতিপক্ষ স্পেন। দীর্ঘ ১৬ বছর বার্সেলোনায় খেলার অভিজ্ঞতা থেকে স্প্যানিশ ফুটবলকে খুব ভালো করেই চেনেন বলে জানিয়েছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। তবে তার মতে, বিশ্বকাপের ফাইনাল হওয়ায় ম্যাচটি হবে একেবারেই ভিন্ন এবং বিশেষ।
বুধবার ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনাল নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা। পিছিয়ে পড়েও শেষ মুহূর্তে এনজো ফার্নান্দেজ ও লাউতারো মার্তিনেজের গোলে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন করে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। দুই গোলেই অ্যাসিস্ট করেন মেসি, আর সেই পারফরম্যান্সে ম্যাচসেরার পুরস্কারও জেতেন তিনি।
আগামী রোববার নিউ জার্সিতে অনুষ্ঠিত হবে বিশ্বকাপের ফাইনাল, যেখানে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ স্পেন। ম্যাচটি নিয়ে নিজের অনুভূতি জানাতে গিয়ে মেসি বলেন, ‘স্পেন অসাধারণ একটি দল। তাদের দারুণ খেলোয়াড় আছে, খেলার ধরনও দুর্দান্ত। আমি দলটিকে খুব ভালো করেই চিনি। তারা যেভাবে খেলে, সেই ধরনের ফুটবল আমি বহু বছর খেলেছি। বার্সেলোনায় থাকার সময় তাদের অনেক খেলোয়াড়ের বিপক্ষে খেলেছি। তাই এটি অবশ্যই একটি বিশেষ ম্যাচ, কারণ এটি বিশ্বকাপের ফাইনাল।’
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জয় নিয়েও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন আটবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী এই তারকা, ‘এটি ছিল অবিশ্বাস্য একটি দিন। ম্যাচের আগে আমরা বলেছিলাম, আমরা একটি ভালো ফুটবল ম্যাচ চাই। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে, আমাদের ইতিহাসের প্রেক্ষাপটে, বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে খেলাটা ছিল খুবই বিশেষ। আমরা জিততে চেয়েছিলাম এবং আমাদের সমর্থকদের এই আনন্দ উপহার দিতে পেরে খুবই খুশি।’
এটি হবে মেসির ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ বিশ্বকাপে তৃতীয় ফাইনাল। এর আগে ২০১৪ সালে জার্মানির কাছে হেরে রানার্সআপ হয়েছিলেন তিনি। এরপর ২০২২ সালে ফ্রান্সকে হারিয়ে স্বপ্নের বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পান।
আবারও বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার অনুভূতি প্রকাশ করে মেসি বলেন, ‘এটা সত্যিই অবিশ্বাস্য। এই দলটি যা করে চলেছে, তা অসাধারণ। এটি আমাদের চরিত্র, দলীয় শক্তি এবং সুন্দর ফুটবলের আরেকটি প্রমাণ। আমরা দল হিসেবে দারুণ ফুটবল খেলেছি এবং আবারও বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছি। এমন মুহূর্তের অংশ হতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত।’
এখন মেসির সামনে আরেকটি ঐতিহাসিক সুযোগ। স্পেনকে হারাতে পারলে আর্জেন্টিনা জিতবে তাদের চতুর্থ বিশ্বকাপ শিরোপা, আর মেসির নেতৃত্বে টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার বিরল কীর্তিও গড়বে আলবিসেলেস্তেরা।
আরআর/আইএন
What's Your Reaction?