ফিফা সভাপতির বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি ইউরোপীয় আইনপ্রণেতাদের

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে যোগাযোগ এবং সেই যোগাযোগের পর যুক্তরাষ্ট্রের ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগানের লাল কার্ডের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ঘটনায় এবার নতুন চাপে পড়েছেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফ্যান্তিনো। ইউরোপীয় পার্লামেন্টের কয়েক ডজন সদস্য তার বিরুদ্ধে নৈতিকতা তদন্তের দাবি তুলেছেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, অন্তত ৩৫ জন ইউরোপীয় আইনপ্রণেতা একটি চিঠিতে ফিফার স্বাধীন নৈতিকতা কমিটির মাধ্যমে ইনফ্যান্তিনোর ভূমিকা তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের অভিযোগ, ট্রাম্পের হস্তক্ষেপের পর বালোগানের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত ফুটবলের নিরপেক্ষতা ও ফিফার বিশ্বাসযোগ্যতাকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। বিতর্কের সূত্রপাত হয় যখন ট্রাম্প নিজেই স্বীকার করেন যে তিনি ইনফ্যান্তিনোকে ফোন করে বালোগানের লাল কার্ডের বিষয়টি পুনর্বিবেচনার অনুরোধ করেছিলেন। এরপর ফিফা শৃঙ্খলা কমিটি বালোগানের এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে, ফলে তিনি বেলজিয়ামের বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচে খেলতে পারেন। ইউরোপীয় আইনপ্রণেতারা তাদের চিঠিতে বলেন, খেলার মাঠে রাজনৈতিক প্রভাবের কোনো স্থান নেই। যদি ফিফার সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক চাপের কারণে বদলে যায়, তাহ

ফিফা সভাপতির বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি ইউরোপীয় আইনপ্রণেতাদের

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে যোগাযোগ এবং সেই যোগাযোগের পর যুক্তরাষ্ট্রের ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগানের লাল কার্ডের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ঘটনায় এবার নতুন চাপে পড়েছেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফ্যান্তিনো। ইউরোপীয় পার্লামেন্টের কয়েক ডজন সদস্য তার বিরুদ্ধে নৈতিকতা তদন্তের দাবি তুলেছেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, অন্তত ৩৫ জন ইউরোপীয় আইনপ্রণেতা একটি চিঠিতে ফিফার স্বাধীন নৈতিকতা কমিটির মাধ্যমে ইনফ্যান্তিনোর ভূমিকা তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের অভিযোগ, ট্রাম্পের হস্তক্ষেপের পর বালোগানের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত ফুটবলের নিরপেক্ষতা ও ফিফার বিশ্বাসযোগ্যতাকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।

বিতর্কের সূত্রপাত হয় যখন ট্রাম্প নিজেই স্বীকার করেন যে তিনি ইনফ্যান্তিনোকে ফোন করে বালোগানের লাল কার্ডের বিষয়টি পুনর্বিবেচনার অনুরোধ করেছিলেন। এরপর ফিফা শৃঙ্খলা কমিটি বালোগানের এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে, ফলে তিনি বেলজিয়ামের বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচে খেলতে পারেন।

ইউরোপীয় আইনপ্রণেতারা তাদের চিঠিতে বলেন, খেলার মাঠে রাজনৈতিক প্রভাবের কোনো স্থান নেই। যদি ফিফার সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক চাপের কারণে বদলে যায়, তাহলে বিশ্ব ফুটবলের সুশাসন ও ন্যায়সংগত প্রতিযোগিতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

তবে ফিফা আগের মতোই দাবি করেছে, বালোগানের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ স্বাধীন শৃঙ্খলা কমিটি নিয়েছে এবং এতে ইনফ্যান্তিনো ব্যক্তিগতভাবে কোনো হস্তক্ষেপ করেননি।

এই ঘটনা ইনফ্যান্তিনোকে ঘিরে সাম্প্রতিক বিতর্ককে আরও উসকে দিয়েছে। গত বছর ট্রাম্পকে ফিফার 'শান্তি পুরস্কার' দেওয়ার সিদ্ধান্ত এবং ট্রাম্পের সঙ্গে ইনফ্যান্তিনোর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নিয়েও সমালোচনা হয়েছিল। এবার সেই সম্পর্কই আবারও প্রশ্নের মুখে পড়ল।

টিটিটি/এমএমআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow