ফুটবল খেলার মাইকিং করাকে কেন্দ্র করে গ্ৰামবাসির রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নে শুক্রবার রাতে টর্চ লাইট জ্বালিয়ে ৪ গ্ৰামবাসি রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। ফুটবল খেলার প্রচার মাইকিং করাকে কেন্দ্র করে লাগা সংঘর্ষে কমপক্ষে ৩০ গ্ৰামবাসি আহত হয়। আহতদের মধ্যে মুনসুরাবাদ বাজার বনিক সমিতির সভাপতি জিন্নাত মিয়ার অবস্থা গুরুতর। খবর পেয়ে ভাঙ্গা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চেষ্টা করে। ২ ঘন্টাব্যাপী ব্যাপি চলা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ চলতে থাকে। পরবর্তীতে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও পুলিশের সহায়তায় রাতের কারণে গ্ৰামবাসি স্ব স্ব গ্ৰামে ফিরে যায়। তবে সমগ্র এলাকায় থমথমে ভাব বিরাজ করছে। জানা গেছে, গত দুই দিন আগে মুনসুরাবাদ গ্ৰামের রাহাত নামের এক কিশোর ফুটবল খেলার মাইকিং প্রচার করে। সে সময় খাপুরা গ্ৰাম, সিংগারডাক গ্ৰাম ও মাঝিকান্দা গ্ৰামের কয়েকজন তাকে লাঞ্ছিত করে। এই ঘটনার সুত্র ধরে আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় মুনসুরাবাদ বাজার বনিক সমিতির সভাপতি জিন্নাত মিয়াকে এলোপাথাড়ি মেরে আহত করে। এই ঘটনা মুনসুরাবাদ গ্ৰামবাসির মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে তার দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ঢাকা খুলনা মহাসড়কের মুনসুরাবাদ বাসস্ট্যান্ডে অবস্থান নে

ফুটবল খেলার মাইকিং করাকে কেন্দ্র করে গ্ৰামবাসির রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নে শুক্রবার রাতে টর্চ লাইট জ্বালিয়ে ৪ গ্ৰামবাসি রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। ফুটবল খেলার প্রচার মাইকিং করাকে কেন্দ্র করে লাগা সংঘর্ষে কমপক্ষে ৩০ গ্ৰামবাসি আহত হয়। আহতদের মধ্যে মুনসুরাবাদ বাজার বনিক সমিতির সভাপতি জিন্নাত মিয়ার অবস্থা গুরুতর।

খবর পেয়ে ভাঙ্গা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চেষ্টা করে। ২ ঘন্টাব্যাপী ব্যাপি চলা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ চলতে থাকে। পরবর্তীতে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও পুলিশের সহায়তায় রাতের কারণে গ্ৰামবাসি স্ব স্ব গ্ৰামে ফিরে যায়। তবে সমগ্র এলাকায় থমথমে ভাব বিরাজ করছে।

জানা গেছে, গত দুই দিন আগে মুনসুরাবাদ গ্ৰামের রাহাত নামের এক কিশোর ফুটবল খেলার মাইকিং প্রচার করে। সে সময় খাপুরা গ্ৰাম, সিংগারডাক গ্ৰাম ও মাঝিকান্দা গ্ৰামের কয়েকজন তাকে লাঞ্ছিত করে। এই ঘটনার সুত্র ধরে আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় মুনসুরাবাদ বাজার বনিক সমিতির সভাপতি জিন্নাত মিয়াকে এলোপাথাড়ি মেরে আহত করে। এই ঘটনা মুনসুরাবাদ গ্ৰামবাসির মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে তার দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ঢাকা খুলনা মহাসড়কের মুনসুরাবাদ বাসস্ট্যান্ডে অবস্থান নেয়। বিপরীত দিক খাপুরা গ্ৰাম, সিংগারডাক গ্ৰাম ও মাঝিকান্দা গ্ৰামের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামিরদী ইউনিয়ন পরিষদের সামনে অবস্থান নেয়। ২ ঘন্টাব্যাপী চলা সংঘর্ষে একাধিক দোকান পাট ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। রাত হয়ে যাওয়ায় কারনে গ্ৰামবাসিরা টর্চ লাইট জ্বালিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত থাকে।

এবিষয়ে ভাঙ্গা থানার এসআই মামুন জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চেষ্টা করি। রাত হয়ে যাওয়ায় স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের সাথে নিয়ে উভয় পক্ষকেই পিছু হটাতে সক্ষম হয়েছি। পরবর্তীতে কোন অনাকাঙ্খিত ঘটনা এড়াতে সড়কের দুই পাশে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow