ফুটবল বিশ্বকাপে কোন দলের সমর্থক প্রধানমন্ত্রী?

ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতেছে গোটা বিশ্ব। সেই উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে বাংলাদেশেও। চায়ের আড্ডা থেকে শুরু করে কর্মস্থল, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে পারিবারিক আলোচনা—সবখানেই এখন ফুটবল আর বিশ্বকাপ নিয়ে তর্ক-বিতর্ক। এই আবহে সাধারণ মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা কোন দলকে সমর্থন করছেন, সেই প্রশ্নও। এমনই এক প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তবে তিনি সরাসরি কোনো দলের নাম না বললেও নিজের উত্তরের মাধ্যমে একটি স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছেন। মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠান শেষে অনানুষ্ঠানিক আলাপচারিতার একপর্যায়ে বিশ্বকাপ প্রসঙ্গ উঠলে সাংবাদিকরা জানতে চান, তিনি কোন দলের সমর্থক। প্রশ্নের জবাবে মুখে মৃদু হাসি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘অনেক দিন একটা দেশে ছিলাম তো।’ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হলেও বিশ্বকাপ-সংক্রান্ত এই অনানুষ্ঠানিক প্রশ্নোত্তর পর্ব উপস্

ফুটবল বিশ্বকাপে কোন দলের সমর্থক প্রধানমন্ত্রী?

ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতেছে গোটা বিশ্ব। সেই উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে বাংলাদেশেও। চায়ের আড্ডা থেকে শুরু করে কর্মস্থল, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে পারিবারিক আলোচনা—সবখানেই এখন ফুটবল আর বিশ্বকাপ নিয়ে তর্ক-বিতর্ক।

এই আবহে সাধারণ মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা কোন দলকে সমর্থন করছেন, সেই প্রশ্নও।

এমনই এক প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তবে তিনি সরাসরি কোনো দলের নাম না বললেও নিজের উত্তরের মাধ্যমে একটি স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠান শেষে অনানুষ্ঠানিক আলাপচারিতার একপর্যায়ে বিশ্বকাপ প্রসঙ্গ উঠলে সাংবাদিকরা জানতে চান, তিনি কোন দলের সমর্থক।

প্রশ্নের জবাবে মুখে মৃদু হাসি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘অনেক দিন একটা দেশে ছিলাম তো।’ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হলেও বিশ্বকাপ-সংক্রান্ত এই অনানুষ্ঠানিক প্রশ্নোত্তর পর্ব উপস্থিত সবার মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।

তিনি সরাসরি কোনো দেশের নাম উল্লেখ না করলেও তার বক্তব্য ঘিরে উপস্থিত সাংবাদিকদের মধ্যে তাৎক্ষণিক আলোচনা শুরু হয়। কারণ বিগত সরকারের রোষানলে পড়ে দীর্ঘ সময় যুক্তরাজ্যের লন্ডনে অবস্থান করেছেন তারেক রহমান।

২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর কারামুক্ত হয়ে পরিবারসহ যুক্তরাজ্যে যান তিনি। এরপর প্রায় ১৭ বছর সেখানে অবস্থান করেন। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের পর দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে দেশে ফেরার সুযোগ তৈরি হয়। অবশেষে ২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরে আসেন তিনি।

এই প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যকে অনেকেই ইংল্যান্ড ফুটবল দলের প্রতি তার সমর্থনের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন। যদিও তিনি সরাসরি ইংল্যান্ড কিংবা যুক্তরাজ্যের নাম উচ্চারণ করেননি।

দীর্ঘদিন লন্ডনে বসবাসের অভিজ্ঞতার প্রসঙ্গ টেনে দেওয়া সেই উত্তরে স্বাভাবিকভাবেই ধারণা করা হচ্ছে, এবারের বিশ্বকাপে তার সমর্থন ইংল্যান্ডের পক্ষেই।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow