ফুয়েল কার্ড গেঞ্জিতে প্রিন্ট করে আলোচনায় ব্যবসায়ী
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার এক ব্যবসায়ী জেলা প্রশাসনের সরবরাহ করা ফুয়েল কার্ড গেঞ্জিতে প্রিন্ট করেছেন। তুলনামূলক আকারে বড়— এমন দবিতে ফুয়েল কার্ড গেঞ্জিতে প্রিন্ট করে এলাকায় আলোচনার সৃষ্টি করেন তিনি।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) উপজেলার জামতৈল বাজারে ভাই ভাই ইলেকট্রনিক্সের কর্ণধার নূর মোহাম্মদ শিহাবকে (২৮) ওই গেঞ্জি পরে চলাচল করতে দেখা যায়।
গেঞ্জিতে ফুয়েল কার্ড প্রিন্ট করা দেখে পথচারী শাকিল বলেন, এটা একটা অভিনব পদ্ধতি। বর্তমানে যে বৈশ্বিক পরিস্থিতি সেখানে সবারই ফুয়েল কার্ড দিচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। এটা একটা অবিশ্বাস্য কাণ্ড। দেখা গেল, তার গেঞ্জিতে কার্ডের প্রিন্ট কপি দেখলেই তাকে তেল দিয়ে দিবে, এতে তার সময় বাঁচবে।
নুর মোহাম্মদ শিহাব বলেন, ফুয়েল কার্ডটা আমার জন্য বহন করা কষ্টকর মনে হয়েছে। আকারে একটু বড় তাই এটি মানিব্যাগে রাখা যায় না। পরে চিন্তা-ভাবনা করে গেঞ্জিতে কার্ডের প্রিন্ট করে নিয়েছি। তবে তেল আনার সময় পকেটেও কার্ডটি রাখি।
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার এক ব্যবসায়ী জেলা প্রশাসনের সরবরাহ করা ফুয়েল কার্ড গেঞ্জিতে প্রিন্ট করেছেন। তুলনামূলক আকারে বড়— এমন দবিতে ফুয়েল কার্ড গেঞ্জিতে প্রিন্ট করে এলাকায় আলোচনার সৃষ্টি করেন তিনি।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) উপজেলার জামতৈল বাজারে ভাই ভাই ইলেকট্রনিক্সের কর্ণধার নূর মোহাম্মদ শিহাবকে (২৮) ওই গেঞ্জি পরে চলাচল করতে দেখা যায়।
গেঞ্জিতে ফুয়েল কার্ড প্রিন্ট করা দেখে পথচারী শাকিল বলেন, এটা একটা অভিনব পদ্ধতি। বর্তমানে যে বৈশ্বিক পরিস্থিতি সেখানে সবারই ফুয়েল কার্ড দিচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। এটা একটা অবিশ্বাস্য কাণ্ড। দেখা গেল, তার গেঞ্জিতে কার্ডের প্রিন্ট কপি দেখলেই তাকে তেল দিয়ে দিবে, এতে তার সময় বাঁচবে।
নুর মোহাম্মদ শিহাব বলেন, ফুয়েল কার্ডটা আমার জন্য বহন করা কষ্টকর মনে হয়েছে। আকারে একটু বড় তাই এটি মানিব্যাগে রাখা যায় না। পরে চিন্তা-ভাবনা করে গেঞ্জিতে কার্ডের প্রিন্ট করে নিয়েছি। তবে তেল আনার সময় পকেটেও কার্ডটি রাখি।