ফুলসজ্জিত গাড়িতে করে দুই শিক্ষকের রাজকীয় বিদায়
দীর্ঘ কর্মজীবন শেষে এক অনন্য সম্মান ও ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে বিদায় নিলেন লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার কাজীর দিঘীর পাড় সমাজকল্যাণ উচ্চ বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষক আবুল খায়ের ও অণিমা প্রভা রায়। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে এক আবেগঘন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাদের ফুলসজ্জিত গাড়িতে করে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়। কাজীর দিঘীর পাড় স্পোর্টিং ক্লাবের উদ্যোগে এই রাজকীয় বিদায় সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিজাম উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রায়পুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান কাউছার। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মাঈন উদ্দিন। অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষকরা, শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। বিদায়বেলায় সহকর্মী ও শিক্ষার্থীদের এমন ভালোবাসা ও সম্মানে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন বিদায়ী দুই শিক্ষক। শিক্ষক আবুল খায়ের বলেন, আমি ১৯৮৬ সালে শিক্ষকতা পেশায় যোগ দিই। একই বিদ্যালয়ে দীর্ঘ ৩৯ বছর শিক্ষার্থীদের পাঠদান করেছি। বিদায়বেলায় সহকর্মী, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর দেওয়া এই ভালোবাসা ও সম্মান আমার জীবনের সর্
দীর্ঘ কর্মজীবন শেষে এক অনন্য সম্মান ও ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে বিদায় নিলেন লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার কাজীর দিঘীর পাড় সমাজকল্যাণ উচ্চ বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষক আবুল খায়ের ও অণিমা প্রভা রায়।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে এক আবেগঘন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাদের ফুলসজ্জিত গাড়িতে করে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়।
কাজীর দিঘীর পাড় স্পোর্টিং ক্লাবের উদ্যোগে এই রাজকীয় বিদায় সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিজাম উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রায়পুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান কাউছার। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মাঈন উদ্দিন।
অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষকরা, শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। বিদায়বেলায় সহকর্মী ও শিক্ষার্থীদের এমন ভালোবাসা ও সম্মানে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন বিদায়ী দুই শিক্ষক।
শিক্ষক আবুল খায়ের বলেন, আমি ১৯৮৬ সালে শিক্ষকতা পেশায় যোগ দিই। একই বিদ্যালয়ে দীর্ঘ ৩৯ বছর শিক্ষার্থীদের পাঠদান করেছি। বিদায়বেলায় সহকর্মী, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর দেওয়া এই ভালোবাসা ও সম্মান আমার জীবনের সর্বোচ্চ উপহার।
দীর্ঘ ২৭ বছর ধরে কর্মরত শিক্ষিকা অণিমা প্রভা রায় অভিভূত কণ্ঠে বলেন, কখনও ভাবিনি এমন রাজকীয় আয়োজনে আমাকে বিদায় জানানো হবে। কর্মজীবনের শেষ প্রান্তে এসে সবার এই অকৃত্রিম ভালোবাসা আমাকে মুগ্ধ করেছে, এর চেয়ে বড় পাওনা আর কিছু হতে পারে না।
What's Your Reaction?