ফেনীতে সেই জহুরার পাশে বিএনপি
ফেনীতে স্বামীর কথা অমান্য করে জীবনের প্রথম ভোট ধানের শীষে প্রদান করায় তালাকপ্রাপ্তা নারী বিবি জহুরার পাশে দাঁড়িয়েছে বিএনপি। শুক্রবার (১৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মশিউর রহমান বিপ্লবের নেতৃত্বে বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল জহুরার বাড়িতে যান। এসময় নেতারা জহুরা ও তার শাশুড়ির সঙ্গে কথা বলেন এবং তার সন্তানদের ভরণপোষণসহ যাবতীয় আইনি ও সামাজিক সহায়তার আশ্বাস দেন। এদিকে ঘটনার পর গণপিটুনির ভয়ে অভিযুক্ত স্বামী ইসমাইল হোসেন কাওসার আত্মগোপনে চলে যান। পরে স্থানীয়দের চাপে নিজের ভুল স্বীকার করে পুনরায় সংসার করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। জানা যায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী সদর উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নের নয় নম্বর ওয়ার্ডের স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি ইসমাইল হোসেন কাওসার তার স্ত্রী জহুরাকে ভোটকেন্দ্রে যেতে নিষেধ করেন। তবে জীবনের প্রথম ভোট দেওয়ার উৎসাহে জহুরা সকালে তিন সন্তান নিয়ে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট প্রদান করেন। বিকেলে বিষয়টি জানতে পেরে ক্ষিপ্ত হয়ে কাওসার বাড়ির পাশের রাস্তায় জহুরাকে মৌখিকভাবে 'তিন তালাক' দেন এবং ঘরে ঢুকতে বাধা দেন।ঘটনার পর স্থানীয়দের তোপের মুখে কাওসার পালিয়ে গেলেও
ফেনীতে স্বামীর কথা অমান্য করে জীবনের প্রথম ভোট ধানের শীষে প্রদান করায় তালাকপ্রাপ্তা নারী বিবি জহুরার পাশে দাঁড়িয়েছে বিএনপি।
শুক্রবার (১৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মশিউর রহমান বিপ্লবের নেতৃত্বে বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল জহুরার বাড়িতে যান। এসময় নেতারা জহুরা ও তার শাশুড়ির সঙ্গে কথা বলেন এবং তার সন্তানদের ভরণপোষণসহ যাবতীয় আইনি ও সামাজিক সহায়তার আশ্বাস দেন।
এদিকে ঘটনার পর গণপিটুনির ভয়ে অভিযুক্ত স্বামী ইসমাইল হোসেন কাওসার আত্মগোপনে চলে যান। পরে স্থানীয়দের চাপে নিজের ভুল স্বীকার করে পুনরায় সংসার করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।
জানা যায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী সদর উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নের নয় নম্বর ওয়ার্ডের স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি ইসমাইল হোসেন কাওসার তার স্ত্রী জহুরাকে ভোটকেন্দ্রে যেতে নিষেধ করেন। তবে জীবনের প্রথম ভোট দেওয়ার উৎসাহে জহুরা সকালে তিন সন্তান নিয়ে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট প্রদান করেন। বিকেলে বিষয়টি জানতে পেরে ক্ষিপ্ত হয়ে কাওসার বাড়ির পাশের রাস্তায় জহুরাকে মৌখিকভাবে 'তিন তালাক' দেন এবং ঘরে ঢুকতে বাধা দেন।ঘটনার পর স্থানীয়দের তোপের মুখে কাওসার পালিয়ে গেলেও শুক্রবার দুপুরে এলাকায় ফিরে আসেন।
তিনি জানান, একজন মুফতির পরামর্শ নিয়ে ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী পুনরায় স্ত্রীকে নিয়ে সংসার করতে চান। তবে কাওসারের মা শরীফা খাতুন এ বিষয়ে কঠোর অবস্থানে রয়েছেন। তিনি বলেন,‘আমার ছেলে যে অপরাধ করেছে তার জন্য তাকে শাস্তি পেতে হবে। জহুরাকে স্ত্রীর মর্যাদা না দিলে কাওসারকে এই বাড়িতে আর জায়গা দেয়া হবে না।’
তিন সন্তান নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়া জহুরা জানান, ‘জীবনের প্রথম ভোট, তাও আবার ধানের শীষে দিয়েছি। এই অপরাধে আমাকে তালাক দেয়া হয়েছে। কিন্তু আমি সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা ভেবে ধর্মীয় ও সামাজিকভাবে সমাধানের মাধ্যমে স্বামীর সংসারেই থাকতে চাই।’
স্থানীয়রা জানান, কাওসার দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের প্রভাব খাঁটিয়ে এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করে আসছিলেন। এর আগেও তিনি স্ত্রী ও শ্বশুরকে মারধর করেছেন বলে একাধিক সালিশি বৈঠকে প্রমাণিত হয়েছে।
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মশিউর রহমান বিপ্লব ছাড়াও প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন- ফেনী পৌর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মেজবাহ উদ্দিন ভূঁঞা, ধর্মপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট আবদুস সাত্তার ও সাধারণ সম্পাদক জিয়াউদ্দিন পাটোয়ারী ।
এ সময় বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মশিউর রহমান বিপ্লব বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে একটি পরিবার ভেঙে যাওয়ার ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। বিএনপি জহুরার মর্যাদা রক্ষায় শেষ পর্যন্ত পাশে থাকবে।
What's Your Reaction?