ফেলে গেছেন বাবা, ৪ প্রতিবন্ধী সন্তানকে নিয়ে মায়ের জীবনযুদ্ধ
নওগাঁর নিয়ামতপুরে এক দরিদ্র পরিবারে পাঁচ সন্তানের মধ্যে চারজনই বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী। ছেলেমেয়ে ও স্ত্রীকে ছেড়ে চলে গেছেন ভবঘুরে স্বামী শাহজামাল। প্রতিবন্ধী চার সন্তানেরা হলেন- শরিফ উদ্দীন (২৭), শাবনুর খাতুন (২২), শাহিনুর খাতুন (১৫), আরিফ হোসেন (১৩)। তাদের নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন হতদরিদ্র মা ফেরদৌসী বেগম (৫৫)।
সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, গ্রামের আশ্রয়ণ প্রকল্পের একটি ঘরে প্রতিবন্ধী সন্তানের নিয়ে রয়েছেন মা ফেরদৌসী। এক মেয়ে শাজেনুর খাতুন কথা বলতে পারলেও অন্যরা ঠিকমতো কথাও বলতে পারেন না। জমিজমা নেই তাদের। একমাত্র উপার্জনক্ষম হতদরিদ্র মা ফেরদৌসী বেগম হোটেলে কাজ করে সংসার চালান। তিন মাস পরপর পাওয়া ৪ ছেলে মেয়ের প্রতিবন্ধী ভাতার টাকায় অর্ধাহারে অনাহারে চলে তাদের দিন।
সাজেনুর খাতুন বলেন, আমার দুই ভাই ও দুই বোন বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী। প্রতিবন্ধী হওয়ায় আমার বাবা আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। খেয়ে না খেয়ে বেঁচে আছি। এখন অন্যের সহযোগিতা ছাড়া আমাদের বেঁচে থাকাই দায় হয়ে পড়েছে।
তিনি আরও বলেন, মায়ের কষ্ট সহ্য করতে পারি না। আমাদের মুখে দু-মুটো খাবার জোটাতে মা সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত হোটেলে কাজ করে। মায়ের
নওগাঁর নিয়ামতপুরে এক দরিদ্র পরিবারে পাঁচ সন্তানের মধ্যে চারজনই বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী। ছেলেমেয়ে ও স্ত্রীকে ছেড়ে চলে গেছেন ভবঘুরে স্বামী শাহজামাল। প্রতিবন্ধী চার সন্তানেরা হলেন- শরিফ উদ্দীন (২৭), শাবনুর খাতুন (২২), শাহিনুর খাতুন (১৫), আরিফ হোসেন (১৩)। তাদের নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন হতদরিদ্র মা ফেরদৌসী বেগম (৫৫)।
সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, গ্রামের আশ্রয়ণ প্রকল্পের একটি ঘরে প্রতিবন্ধী সন্তানের নিয়ে রয়েছেন মা ফেরদৌসী। এক মেয়ে শাজেনুর খাতুন কথা বলতে পারলেও অন্যরা ঠিকমতো কথাও বলতে পারেন না। জমিজমা নেই তাদের। একমাত্র উপার্জনক্ষম হতদরিদ্র মা ফেরদৌসী বেগম হোটেলে কাজ করে সংসার চালান। তিন মাস পরপর পাওয়া ৪ ছেলে মেয়ের প্রতিবন্ধী ভাতার টাকায় অর্ধাহারে অনাহারে চলে তাদের দিন।
সাজেনুর খাতুন বলেন, আমার দুই ভাই ও দুই বোন বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী। প্রতিবন্ধী হওয়ায় আমার বাবা আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। খেয়ে না খেয়ে বেঁচে আছি। এখন অন্যের সহযোগিতা ছাড়া আমাদের বেঁচে থাকাই দায় হয়ে পড়েছে।
তিনি আরও বলেন, মায়ের কষ্ট সহ্য করতে পারি না। আমাদের মুখে দু-মুটো খাবার জোটাতে মা সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত হোটেলে কাজ করে। মায়ের এমন কষ্ট দেখে মরে যেতে ইচ্ছা হয়।
ফেরদৌসী বেগম বলেন, গত ১৪ বছর আগে আমার ৪ সন্তান প্রতিবন্ধী হওয়ায় স্বামী আমাদের ছেড়ে চলে যায়। হোটেলে কাজ করে অনেক কষ্টে ছেলেমেয়েদের লেখাপড়া করাচ্ছি। ছোট ছেলে আরিফ পঞ্চম শ্রেণীতে ও শাহিনুর সপ্তম শ্রেণিতে লেখাপড়া করছে। চার প্রতিবন্ধীকে নিয়ে অসহায় হয়ে গেছি আমি।
তিনি আরও বলেন, সরকার যে টাকা ভাতা দেয় এতে ওদের খাবার যোগানো সম্ভব হয় না। যতদিন বেঁচে থাকি ততোদিন তাদের দেখাশোনা করে যাবো। তবে আমি মরে গেলে এদের কী যে হবে।