ফেসবুকে ক্ষোভ প্রকাশ করে রাজনীতি ছাড়লেন জেলা ছাত্রদল নেতা

ফরিদপুর জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আউয়াল খান লালন সক্রিয় রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দুপুরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের ব্যক্তিগত আইডিতে এক আবেগঘন পোস্টের মাধ্যমে তিনি এই সিদ্ধান্ত জানান। আউয়াল খান লালন ফরিদপুর শহরের আলিপুর এলাকার মৃত আলী খানের ছেলে। ওই পোস্টে আওয়াল খান উল্লেখ করেন, ‘‘আজ থেকে এই মুহূর্ত থেকে আমার কোনো রাজনৈতিক দলের পরিচয় দেওয়ার ইচ্ছা নাই। আমার আজ থেকে কোনো রাজনৈতিক নেতা নাই। এই ভদ্র সুশীল সমাজে আমাদের মতো কারো দরকার নাই। দয়া করিয়া কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তি আমাকে কোনো প্রয়োজনে স্মরণ করিবেন না। এখন থেকে তিনি সম্পূর্ণ মুক্ত এবং নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী এলাকাবাসীর বিপদে পাশে থাকার চেষ্টা করবেন। পা চাটা সুশীল সমাজপতিদের থেকে দূরে থাকাই শ্রেয়।’’ রাজনীতি ছাড়ার বিষয়ে জানতে চাইলে আউয়াল খান জাগো নিউজকে বলেন, দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামে ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে জীবন বাজি রেখে জড়িত থেকেছি। নির্যাতন সয়েছি, জেল খেটেছি, কিন্তু আওয়ামী লীগের সঙ্গে কোনো আঁতাত করিনি। কখনো চাঁদাবাজি বা অনৈতিক কাজে জড়াইনি। কিন্তু দলের সুসময়েও কোনো সহায়তা পাইনি। এমনকি টেন্ডারে অংশ

ফেসবুকে ক্ষোভ প্রকাশ করে রাজনীতি ছাড়লেন জেলা ছাত্রদল নেতা

ফরিদপুর জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আউয়াল খান লালন সক্রিয় রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দুপুরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের ব্যক্তিগত আইডিতে এক আবেগঘন পোস্টের মাধ্যমে তিনি এই সিদ্ধান্ত জানান।

আউয়াল খান লালন ফরিদপুর শহরের আলিপুর এলাকার মৃত আলী খানের ছেলে।

ওই পোস্টে আওয়াল খান উল্লেখ করেন, ‘‘আজ থেকে এই মুহূর্ত থেকে আমার কোনো রাজনৈতিক দলের পরিচয় দেওয়ার ইচ্ছা নাই। আমার আজ থেকে কোনো রাজনৈতিক নেতা নাই। এই ভদ্র সুশীল সমাজে আমাদের মতো কারো দরকার নাই। দয়া করিয়া কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তি আমাকে কোনো প্রয়োজনে স্মরণ করিবেন না। এখন থেকে তিনি সম্পূর্ণ মুক্ত এবং নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী এলাকাবাসীর বিপদে পাশে থাকার চেষ্টা করবেন। পা চাটা সুশীল সমাজপতিদের থেকে দূরে থাকাই শ্রেয়।’’

রাজনীতি ছাড়ার বিষয়ে জানতে চাইলে আউয়াল খান জাগো নিউজকে বলেন, দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামে ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে জীবন বাজি রেখে জড়িত থেকেছি। নির্যাতন সয়েছি, জেল খেটেছি, কিন্তু আওয়ামী লীগের সঙ্গে কোনো আঁতাত করিনি। কখনো চাঁদাবাজি বা অনৈতিক কাজে জড়াইনি। কিন্তু দলের সুসময়েও কোনো সহায়তা পাইনি। এমনকি টেন্ডারে অংশ নিয়ে পকেটের টাকা দিয়ে শিডিউল ক্রয় করেও সেই টাকা ফেরত পাইনি। এসব কারণেই তিনি প্রচণ্ড ক্ষোভ ও অভিমানে দল থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

এ বিষয়ে ফরিদপুর জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক তানজিমুল হাসান কায়েস বলেন, লালন জেলা কমিটির সহ-সভাপতি এবং তিনি একটি কোম্পানিতে চাকরি করেন। ফেসবুক পোস্টের বিষয়ে আমার জানা নেই এবং তিনি কোনো আনুষ্ঠানিক পদত্যাগপত্রও দেননি। পদত্যাগপত্র দাখিল করলে আমরা পরবর্তী ব্যবস্থা জানাব।

এন কে বি নয়ন/কেএইচকে/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow