ফোনের সঙ্গে চশমা কানেক্ট করলেই সামনে ভাসবে বিশাল স্ক্রিন

স্মার্ট গ্লাসের বাজারে প্রতিযোগিতা দিন দিন বাড়ছে। সেই দৌড়ে নতুন আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে রেনিও এয়ার ৪ প্রো। এটি মূলত একটি এআর ডিসপ্লে গ্লাস, যা স্মার্টফোন, ল্যাপটপ, গেমিং কনসোল বা অন্যান্য সমর্থিত ডিভাইসের সঙ্গে সংযুক্ত করে বিশাল ভার্চুয়াল স্ক্রিনে সিনেমা দেখা, গেম খেলা কিংবা কাজ করার অভিজ্ঞতা দেয়। যারা ভ্রমণের সময় ব্যক্তিগত বড় স্ক্রিন চান, তাদের জন্য এটি একটি আকর্ষণীয় ডিভাইস হতে পারে। রেনিও এয়ার ৪ প্রো-এর সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো এর ২০১ ইঞ্চির ভার্চুয়াল ডিসপ্লে। এতে রয়েছে সনি মাইক্রো ওএলইডি প্যানেল, যা ১০৮০পি রেজোলিউশন, এইচডিআর১০ এবং ১২০ হার্টজ রিফ্রেশ রেট সমর্থন করে। ফলে সিনেমা, ভিডিও বা গেমিংয়ের সময় রং, কনট্রাস্ট এবং মসৃণতা অনেক বেশি বাস্তবসম্মত মনে হয়। পাশাপাশি সর্বোচ্চ ১,২০০ নিটস ব্রাইটনেস থাকায় উজ্জ্বল পরিবেশেও স্ক্রিন পরিষ্কার দেখা যায়। ডিভাইসটিতে ব্যবহৃত হয়েছে ভিশন ৪০০০ প্রসেসর, যা রিয়েল-টাইমে এসডিআর ভিডিওকে এইচডিআর-এর কাছাকাছি মানে উন্নীত করতে পারে। এছাড়া এআই-ভিত্তিক ২ডি থেকে ৩ডি কনভার্সনের সুবিধাও রয়েছে, যা নির্দিষ্ট কনটেন্টকে আরও নিমগ্ন অভিজ্ঞতায় রূপ দেয়। শুধ

ফোনের সঙ্গে চশমা কানেক্ট করলেই সামনে ভাসবে বিশাল স্ক্রিন

স্মার্ট গ্লাসের বাজারে প্রতিযোগিতা দিন দিন বাড়ছে। সেই দৌড়ে নতুন আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে রেনিও এয়ার ৪ প্রো। এটি মূলত একটি এআর ডিসপ্লে গ্লাস, যা স্মার্টফোন, ল্যাপটপ, গেমিং কনসোল বা অন্যান্য সমর্থিত ডিভাইসের সঙ্গে সংযুক্ত করে বিশাল ভার্চুয়াল স্ক্রিনে সিনেমা দেখা, গেম খেলা কিংবা কাজ করার অভিজ্ঞতা দেয়। যারা ভ্রমণের সময় ব্যক্তিগত বড় স্ক্রিন চান, তাদের জন্য এটি একটি আকর্ষণীয় ডিভাইস হতে পারে।

রেনিও এয়ার ৪ প্রো-এর সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো এর ২০১ ইঞ্চির ভার্চুয়াল ডিসপ্লে। এতে রয়েছে সনি মাইক্রো ওএলইডি প্যানেল, যা ১০৮০পি রেজোলিউশন, এইচডিআর১০ এবং ১২০ হার্টজ রিফ্রেশ রেট সমর্থন করে। ফলে সিনেমা, ভিডিও বা গেমিংয়ের সময় রং, কনট্রাস্ট এবং মসৃণতা অনেক বেশি বাস্তবসম্মত মনে হয়। পাশাপাশি সর্বোচ্চ ১,২০০ নিটস ব্রাইটনেস থাকায় উজ্জ্বল পরিবেশেও স্ক্রিন পরিষ্কার দেখা যায়।

ডিভাইসটিতে ব্যবহৃত হয়েছে ভিশন ৪০০০ প্রসেসর, যা রিয়েল-টাইমে এসডিআর ভিডিওকে এইচডিআর-এর কাছাকাছি মানে উন্নীত করতে পারে। এছাড়া এআই-ভিত্তিক ২ডি থেকে ৩ডি কনভার্সনের সুবিধাও রয়েছে, যা নির্দিষ্ট কনটেন্টকে আরও নিমগ্ন অভিজ্ঞতায় রূপ দেয়।

শুধু ডিসপ্লে নয়, অডিওতেও বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে রেনিও। ব্যাং এবং ওলুফসেন-এর সহযোগিতায় টিউন করা চার-স্পিকার সিস্টেম, ৩ডি সারাউন্ড সাউন্ড এবং উইসপার মোড ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত অডিও অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করে। দীর্ঘ সময় ব্যবহারেও যেন চোখে চাপ না পড়ে, সে জন্য এতে রয়েছে টিইউভি এসইউডি লো ব্লু লাইট সার্টিফিকেশন, ৩৮৪০হার্জ পিডব্লিউএম ডিমিং এবং ফ্লিকার-ফ্রি প্রযুক্তি।

ওজন মাত্র ৭৬ গ্রাম, তাই দীর্ঘ সময় পরলেও অস্বস্তি কম হয়। অ্যাডজাস্টেবল নোজ প্যাড এবং নমনীয় ফ্রেম বিভিন্ন মুখের গঠনের সঙ্গে মানিয়ে যায়। ইউএসবি-সি-এর মাধ্যমে এটি অ্যান্ড্রয়েড ফোন, আইফোন (সমর্থিত মডেল), উইন্ডোজ পিসি, ম্যাক, স্টিম ডেক, প্লেস্টেশন ৫ এবং নিন্টেন্ডো সুইচ-এর মতো বিভিন্ন ডিভাইসের সঙ্গে ব্যবহার করা যায়।

তবে কেনার আগে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি। রেনিও এয়ার ৪ প্রো-এর নিজস্ব ব্যাটারি বা ক্যামেরা নেই। এটি স্বতন্ত্র স্মার্ট গ্লাস নয়; বরং একটি ওয়্যারেবল ডিসপ্লে হিসেবে কাজ করে। তাই ব্যবহার করতে হলে সবসময় একটি সমর্থিত ডিভাইসের সঙ্গে সংযুক্ত রাখতে হবে।

দামের দিক থেকেও ডিভাইসটি প্রতিযোগিতামূলক। রেনিও-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে বর্তমানে স্ট্যান্ডার্ড সংস্করণের মূল্য ২৬৯ মার্কিন ডলার (ছাড়ের পর), যদিও নিয়মিত মূল্য ২৯৯ ডলার। বিভিন্ন সময়ে অফার বা অঞ্চলভেদে দাম কিছুটা পরিবর্তিত হতে পারে।

সব মিলিয়ে, যারা ভ্রমণে, অফিসে বা বাড়িতে বড় স্ক্রিনের ব্যক্তিগত বিনোদন চান, তাদের জন্য রেনিও একটি আধুনিক ও শক্তিশালী এআর ডিসপ্লে গ্লাস। বিশেষ করে সিনেমা দেখা, গেমিং এবং মাল্টিমিডিয়া ব্যবহারে এটি বর্তমান সময়ের অন্যতম আকর্ষণীয় স্মার্ট গ্যাজেট হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

কেএসকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow