ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে একসঙ্গে ফাঁস নিলেন মা-মেয়ে

দিনাজপুরের পার্বতীপুরে মা ও মেয়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তারা ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। সোমবার (১৩ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার ৭ নম্বর মোস্তফাপুর ইউনিয়নের চণ্ডীপুর কালিরহাট গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- কালিরহাট গ্রামের নিপেন চন্দ্র রায়ের স্ত্রী ছবিতা রানী রায় (৩৩) এবং তাদের মেয়ে পল্লবী রায় (১৪)। ছবিতা রানী গৃহিণী ছিলেন। আর পল্লবী স্থানীয় বারাই গোল্ডেন হোপ স্কুলের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। স্থানীয়রা জানান, পল্লবী রায় একই স্কুলের এক ছাত্রকে পছন্দ করত। গত ১৯ জুন তার সঙ্গে পালিয়ে যায়। পরে দুই পরিবারের লোকজন তাদেরকে ফিরিয়ে নিয়ে আসে। এরপর থেকে পল্লবী রায়কে তার পরিবারের লোকজন চোখে চোখে রাখত। এ নিয়ে তাদের পরিবারে প্রতিদিনই কোনো না কোনো কলহ গেলেই থাকতো। এ নিয়ে মা ছবিতা রানী রায় ও মেয়ে পল্লবী রায় দুইজন দুটি ওড়না দিয়ে ঘরে একই ফ্যানে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে। পার্বতীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল ওয়াদুদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে রওয়ানা দিয়েছি। সেখানে গিয়ে বিস্তারিত জানাতে পারব

ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে একসঙ্গে ফাঁস নিলেন মা-মেয়ে

দিনাজপুরের পার্বতীপুরে মা ও মেয়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তারা ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

সোমবার (১৩ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার ৭ নম্বর মোস্তফাপুর ইউনিয়নের চণ্ডীপুর কালিরহাট গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- কালিরহাট গ্রামের নিপেন চন্দ্র রায়ের স্ত্রী ছবিতা রানী রায় (৩৩) এবং তাদের মেয়ে পল্লবী রায় (১৪)। ছবিতা রানী গৃহিণী ছিলেন। আর পল্লবী স্থানীয় বারাই গোল্ডেন হোপ স্কুলের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

স্থানীয়রা জানান, পল্লবী রায় একই স্কুলের এক ছাত্রকে পছন্দ করত। গত ১৯ জুন তার সঙ্গে পালিয়ে যায়। পরে দুই পরিবারের লোকজন তাদেরকে ফিরিয়ে নিয়ে আসে। এরপর থেকে পল্লবী রায়কে তার পরিবারের লোকজন চোখে চোখে রাখত। এ নিয়ে তাদের পরিবারে প্রতিদিনই কোনো না কোনো কলহ গেলেই থাকতো। এ নিয়ে মা ছবিতা রানী রায় ও মেয়ে পল্লবী রায় দুইজন দুটি ওড়না দিয়ে ঘরে একই ফ্যানে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে।

পার্বতীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল ওয়াদুদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে রওয়ানা দিয়েছি। সেখানে গিয়ে বিস্তারিত জানাতে পারবো।

এমদাদুল হক মিলন/কেএইচকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow