ফ্যাসিবাদ দেশকে বিদেশি নিয়ন্ত্রণে দিতে চেয়েছিল : জোনায়েদ সাকি
বিএনপি ও যুগপৎ আন্দোলন সমর্থিত জোট প্রার্থী জোনায়েদ সাকি বলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব একসময় গভীর হুমকির মুখে পড়েছিল ফ্যাসিস্ট শক্তির কারণে। জনগণকে বিভক্ত করে দেশকে বিদেশি কর্তৃত্বের দিকে ঠেলে দিয়ে নিজেদের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখাই ছিল ফ্যাসিস্টদের মূল লক্ষ্য।
জোনায়েদ সাকি বলেন, ৫ আগস্টের অভ্যুত্থানের মাত্র দুদিন পরেই বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া জাতির সামনে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছিলেন, বিভক্তি কিংবা প্রতিশোধের রাজনীতি নয়, বরং ঐক্যের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। কারণ, যে জাতি ঐক্যবদ্ধ থাকে না, তার স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সবসময় ঝুঁকির মধ্যে থাকে। বিশ্ব পরিস্থিতির দিকে তাকালে তা পরিষ্কারভাবে বোঝা যায়, একই বাস্তবতা আজ আমাদের দেশেও প্রতিফলিত হচ্ছে।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ বাঞ্ছারামপুর আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ও যুগপৎ আন্দোলন সমর্থিত জোট সভায় এসব কথা বলেন জোনায়েদ সাকি।
জোনায়েদ সাকি বলেন, এই অভিজ্ঞতা থেকেই নেতৃত্বকে শিক্ষা নিতে হবে এবং জাতীয় ঐক্যকে রাষ্ট্র পরিচালনার প্রধান ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করতে হবে। যারা শাসনব্যবস্থা পরিবর্তন করতে চান, তারা আগামী ১
বিএনপি ও যুগপৎ আন্দোলন সমর্থিত জোট প্রার্থী জোনায়েদ সাকি বলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব একসময় গভীর হুমকির মুখে পড়েছিল ফ্যাসিস্ট শক্তির কারণে। জনগণকে বিভক্ত করে দেশকে বিদেশি কর্তৃত্বের দিকে ঠেলে দিয়ে নিজেদের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখাই ছিল ফ্যাসিস্টদের মূল লক্ষ্য।
জোনায়েদ সাকি বলেন, ৫ আগস্টের অভ্যুত্থানের মাত্র দুদিন পরেই বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া জাতির সামনে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছিলেন, বিভক্তি কিংবা প্রতিশোধের রাজনীতি নয়, বরং ঐক্যের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। কারণ, যে জাতি ঐক্যবদ্ধ থাকে না, তার স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সবসময় ঝুঁকির মধ্যে থাকে। বিশ্ব পরিস্থিতির দিকে তাকালে তা পরিষ্কারভাবে বোঝা যায়, একই বাস্তবতা আজ আমাদের দেশেও প্রতিফলিত হচ্ছে।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ বাঞ্ছারামপুর আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ও যুগপৎ আন্দোলন সমর্থিত জোট সভায় এসব কথা বলেন জোনায়েদ সাকি।
জোনায়েদ সাকি বলেন, এই অভিজ্ঞতা থেকেই নেতৃত্বকে শিক্ষা নিতে হবে এবং জাতীয় ঐক্যকে রাষ্ট্র পরিচালনার প্রধান ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করতে হবে। যারা শাসনব্যবস্থা পরিবর্তন করতে চান, তারা আগামী ১২ তারিখের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে শহীদের রক্তস্নাত জুলাই জাতীয় সনদকে অনুমোদন করবেন। আর যারা রাষ্ট্র ব্যবস্থার মেরামত ও গণতান্ত্রিক সংস্কারকে এগিয়ে নিতে চান, শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনসহ দেশের মানুষের ভাগ্য বদলের ৩১ দফা সংস্কার বাস্তবায়ন করতে চান, তাদের অবশ্যই যুগপৎ আন্দোলনের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, বাঞ্ছারামপুরে যুগপৎ আন্দোলনের প্রার্থী হচ্ছে মাথাল মার্কা, আর এই মাথালই বাঞ্ছারামপুরের ধানের শীষ। তাই আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ বাঞ্ছারামপুর আসনে ঐক্যবদ্ধভাবে মাথাল মার্কার পক্ষে ভোট দেবেন।
জনসভায় উপস্থিত ছিলেন, বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি কৃষিবিদ মেহেদী হাসান, প্রধান অতিথি বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য এম এ খালেক পিএসসি।
এছাড়াও বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এ কে এম ভিপি মুসা ও সাংগঠনিক সম্পাদক হারুনুর রশিদ আকাশের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট রফিক শিকদার, জিয়া উদ্দিন জিয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বেলাল সরকার তুহিন, জেলা বিএনপির সদস্য সালেহ মুসাসহ বিএনপি ও যুগপৎ আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।